সন্তানসহ কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:27 AM
সন্তানসহ কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগ নেত্রী
তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম জামিন পেয়েছেন।
গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে তারা কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন মঞ্জুর হলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে বিচারকের সই বাকি থাকায় তাৎক্ষণিক মুক্তি সম্ভব হয়নি। ফলে মা ও শিশুকে এক রাত কারাগারেই কাটাতে হয়। পরে বুধবার সকালে জামিন সংক্রান্ত নথিতে সই সম্পন্ন হলে দ্রুত তা কারাগারে পাঠানো হয় এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর কারাগারে থেকে তাকে নিতে আসা তেজগাঁও এলাকার শ্রমিকলীগের নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি আমাদের এলাকার বড়বোন। একসঙ্গে রাজনীতি করেছি৷ তার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের কারণে আদালত মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন দেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
কারা ফটকে শিল্পী বেগম দৈনিক পল্লীবাংলাকে বলেন, আমাকে মব সৃষ্টি করে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই৷ আমাকে মুক্তি দিয়েছে এজন্য আমি আদালত ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞ৷ ।
উল্লেখ্য, সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সি কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।
মোঃ নজরুল ইসলাম, টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:27 AM
তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম জামিন পেয়েছেন।
গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে তারা কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন মঞ্জুর হলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে বিচারকের সই বাকি থাকায় তাৎক্ষণিক মুক্তি সম্ভব হয়নি। ফলে মা ও শিশুকে এক রাত কারাগারেই কাটাতে হয়। পরে বুধবার সকালে জামিন সংক্রান্ত নথিতে সই সম্পন্ন হলে দ্রুত তা কারাগারে পাঠানো হয় এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
কাশিমপুর কারাগারে থেকে তাকে নিতে আসা তেজগাঁও এলাকার শ্রমিকলীগের নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, তিনি আমাদের এলাকার বড়বোন। একসঙ্গে রাজনীতি করেছি৷ তার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের কারণে আদালত মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন দেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
কারা ফটকে শিল্পী বেগম দৈনিক পল্লীবাংলাকে বলেন, আমাকে মব সৃষ্টি করে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই৷ আমাকে মুক্তি দিয়েছে এজন্য আমি আদালত ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞ৷ ।
উল্লেখ্য, সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সি কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান।