৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর জঙ্গলে বিভৎস অবস্থায় নয়ন সাধুর লাশ
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 2:12 AM
৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর জঙ্গলে বিভৎস অবস্থায় নয়ন সাধুর লাশ
কক্সবাজারের খুরুশকুল এলাকায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর হিন্দু মন্দিরের পুরোহিত নয়ন সাধুর অর্ধদগ্ধ ও ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে খুরুশকুলের দুর্গম জঙ্গলের ভেতর একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মরদেহের অবস্থা ছিল অত্যন্ত বিভৎস—গাছের সঙ্গে ঝুলানো এবং আংশিকভাবে পোড়া—যা ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য ও আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নয়ন সাধু গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবার ও এলাকাবাসী উদ্বেগে ছিলেন। অবশেষে এমন নির্মম অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার হওয়ায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, পাহাড়ি এলাকায় মন্দির নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যুদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এই ঘটনার পেছনে সেই বিরোধ জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যথায় এ ঘটনায় সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে কক্সবাজার থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে মামলা হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করবে।
এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
কক্সবাজার প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 2:12 AM
কক্সবাজারের খুরুশকুল এলাকায় চাঞ্চল্যকর এক ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর হিন্দু মন্দিরের পুরোহিত নয়ন সাধুর অর্ধদগ্ধ ও ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে খুরুশকুলের দুর্গম জঙ্গলের ভেতর একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মরদেহের অবস্থা ছিল অত্যন্ত বিভৎস—গাছের সঙ্গে ঝুলানো এবং আংশিকভাবে পোড়া—যা ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্য ও আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নয়ন সাধু গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবার ও এলাকাবাসী উদ্বেগে ছিলেন। অবশেষে এমন নির্মম অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার হওয়ায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, পাহাড়ি এলাকায় মন্দির নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যুদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এই ঘটনার পেছনে সেই বিরোধ জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। অন্যথায় এ ঘটনায় সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।
এ বিষয়ে কক্সবাজার থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তবে মামলা হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করবে।
এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
সম্পর্কিত