ঢাকা ২৭ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী বস্তুনিষ্ঠ ও ডেটাভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতেই পরিচালিত হয় প্রকৃত সাংবাদিকতা : তথ্যমন্ত্রী গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের বাঁশের তৈরি ধানের ডোল

#
news image

ধান, চাল, গম সংরক্ষণের বড় পাত্র বাঁশের তৈরি গোলা। এটি  ডোল কিংবা মাচা নামে পরিচিত। (জুংগি বা উগার) বাঁশ দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। গ্রামের গৃহস্থ কৃষক পরিবার এ ডুলিতে ধান সংরক্ষণ করে। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না ডোল বা মাচা যা স্থানীয়রা ধানের জুংগি,উগাড় বলে জানে।

গ্রাম-বাংলায় ধান মাড়াইয়ের পর পুরো বছরের জন্য সংরক্ষিত রাখার যে ‘ডোল বা ‘মাচা’ আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে। যুগের হাওয়া পাল্টেছে, পাল্টেছে সারা বছরের জন্য ধান রাখার ধরন। দু’চার জন বড় গৃহস্থ ছাড়া ছোটো-খাটো কৃষক এখন আর সেভাবে ধান মজুদ রাখতে পারেন না। খাওয়া আর সাংসারিক খরচ মিটিয়ে যে সামান্য ধান থাকে তা কেউ বস্তায় কেউবা অন্য বাসন কোসনেই রেখে দেন।

ফলে এক সময়কার কৃষকদের অতিপ্রয়োজনীয় ধানের ডোল বা মাচা এখন চোখেই পড়ে না। অথচ এক সময় গোলা ভর্তি ধান না থাকলে গ্রামের গৃহস্থ পরিবার সেই বাড়িতে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে পর্যন্ত দিতে আগ্রহী হতেন না। এ কথা এখনো গ্রামাঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে। যাতে ধান নষ্ট না হয় সে কারণে গোলায় ধান রেখে মুখ মাটি দিয়ে লেপে বন্ধ করে রাখা হয়। আবার টাকার প্রয়োজন হলে গোলা থেকে ধান বের করে বাজার বা পাইকারের কাছে বিক্রি করা হয়। সে সময় সমাজ ব্যবস্থা এখনকার মতো এত উন্নত ছিল না।

বাঁশের তৈরি গোলার ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। কারণ বাঁশ ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম এলাকায় বেশিরভাগ স্থাপনা পাকা ও টিনের গড়ে উঠায় বাঁশের চাহিদাও কমছে। এ কারণে বাঁশের আবাদও কমে যাচ্ছে। উত্পাদন কমে যাওয়ায় এবং বাঁশের মূল্যবৃদ্ধির কারণে গোলা তৈরিতেও খরচ বেড়ে গেছে।

পাহাড়ে যে পরিমাণ বাঁশ বাগান ছিল বড় বড় গাছ নিধনে বাঁশ বাগানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে বাঁশ বাগানগুলোতে নতুন বাঁশ সৃষ্টি হওয়ায় গত ২/৩ বছর ধরে কিছু কিছু ডোল কারিগর আবার নতুনভাবে ডোল বুনন কাজ শুরু করেছেন বলে জানা যায়।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

১১ জুন, ২০২৬,  6:19 AM

news image

ধান, চাল, গম সংরক্ষণের বড় পাত্র বাঁশের তৈরি গোলা। এটি  ডোল কিংবা মাচা নামে পরিচিত। (জুংগি বা উগার) বাঁশ দিয়ে এটি তৈরি করা হয়। গ্রামের গৃহস্থ কৃষক পরিবার এ ডুলিতে ধান সংরক্ষণ করে। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এখন আর আগের মতো চোখে পড়ে না ডোল বা মাচা যা স্থানীয়রা ধানের জুংগি,উগাড় বলে জানে।

গ্রাম-বাংলায় ধান মাড়াইয়ের পর পুরো বছরের জন্য সংরক্ষিত রাখার যে ‘ডোল বা ‘মাচা’ আজ তা হারিয়ে যেতে বসেছে। যুগের হাওয়া পাল্টেছে, পাল্টেছে সারা বছরের জন্য ধান রাখার ধরন। দু’চার জন বড় গৃহস্থ ছাড়া ছোটো-খাটো কৃষক এখন আর সেভাবে ধান মজুদ রাখতে পারেন না। খাওয়া আর সাংসারিক খরচ মিটিয়ে যে সামান্য ধান থাকে তা কেউ বস্তায় কেউবা অন্য বাসন কোসনেই রেখে দেন।

ফলে এক সময়কার কৃষকদের অতিপ্রয়োজনীয় ধানের ডোল বা মাচা এখন চোখেই পড়ে না। অথচ এক সময় গোলা ভর্তি ধান না থাকলে গ্রামের গৃহস্থ পরিবার সেই বাড়িতে ছেলে-মেয়েদের বিয়ে পর্যন্ত দিতে আগ্রহী হতেন না। এ কথা এখনো গ্রামাঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে। যাতে ধান নষ্ট না হয় সে কারণে গোলায় ধান রেখে মুখ মাটি দিয়ে লেপে বন্ধ করে রাখা হয়। আবার টাকার প্রয়োজন হলে গোলা থেকে ধান বের করে বাজার বা পাইকারের কাছে বিক্রি করা হয়। সে সময় সমাজ ব্যবস্থা এখনকার মতো এত উন্নত ছিল না।

বাঁশের তৈরি গোলার ব্যবহার দিন দিন কমে যাচ্ছে। কারণ বাঁশ ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে। গ্রাম এলাকায় বেশিরভাগ স্থাপনা পাকা ও টিনের গড়ে উঠায় বাঁশের চাহিদাও কমছে। এ কারণে বাঁশের আবাদও কমে যাচ্ছে। উত্পাদন কমে যাওয়ায় এবং বাঁশের মূল্যবৃদ্ধির কারণে গোলা তৈরিতেও খরচ বেড়ে গেছে।

পাহাড়ে যে পরিমাণ বাঁশ বাগান ছিল বড় বড় গাছ নিধনে বাঁশ বাগানগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে বাঁশ বাগানগুলোতে নতুন বাঁশ সৃষ্টি হওয়ায় গত ২/৩ বছর ধরে কিছু কিছু ডোল কারিগর আবার নতুনভাবে ডোল বুনন কাজ শুরু করেছেন বলে জানা যায়।