সামনে আসবি না, মাইরা ফালামু’: গাজীপুরে পুলিশকে প্রকাশ্য হুমকি
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
২১ জুন, ২০২৬, 8:19 PM
সামনে আসবি না, মাইরা ফালামু’: গাজীপুরে পুলিশকে প্রকাশ্য হুমকি
প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশকে দেওয়া এই প্রাণনাশের হুমকির একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, যুবলীগ কর্মীরা যখন পুলিশকে লক্ষ্য করে হত্যার হুমকি দিচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা এক প্রকার নীরব ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন।
আজ রবিবার সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলম্বিয়া ও মালেকের বাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তবে মহাসড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশকে এমন নজিরবিহীন হুমকি দেওয়ার পরও গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রহস্যজনক নীরব ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকালে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের নেতা-কর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলম্বিয়া ও মালেকের বাড়ি এলাকা প্রদক্ষিণ করার সময় সেখানে গাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান লিটনসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের বাধা দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে দেখে ব্যানার হাতে মিছিলের অগ্রভাগে থাকা যুবলীগের এক কর্মী পুলিশকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যেই চিৎকার করে বলতে থাকেন, “একটাও সামনে আবি না, একটাও সামনে আবি না, একদম মাইরা ফেলামু !”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সামনে এমন উসকানিমূলক ও হুমকিমূলক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করতে না পারায় গাছা থানা পুলিশের দায়িত্ব ও সক্ষমতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এই চরম আইন অমান্য ও পুলিশের ওপর হুমকির বিষয়ে বক্তব্য জানতে গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। ঘটনার পর ওসির এই ধরনের দায়সারা ও মন্তব্য না করার বিষয়টি নিয়ে খোদ পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
তবে এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বেলায়েত হোসেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমরা দেখেছি । সেখানে পুলিশকে উদ্দেশ্য করে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করা, পুলিশকে হুমকি দেওয়া কিংবা কোনো ধরনের সহিংসতার উসকানি দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। কর্তব্যরত পুলিশকে হুমকি ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
২১ জুন, ২০২৬, 8:19 PM
প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশকে দেওয়া এই প্রাণনাশের হুমকির একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, যুবলীগ কর্মীরা যখন পুলিশকে লক্ষ্য করে হত্যার হুমকি দিচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা এক প্রকার নীরব ও নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছিলেন।
আজ রবিবার সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলম্বিয়া ও মালেকের বাড়ি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। তবে মহাসড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশকে এমন নজিরবিহীন হুমকি দেওয়ার পরও গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) রহস্যজনক নীরব ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকালে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের নেতা-কর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। মিছিলটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলম্বিয়া ও মালেকের বাড়ি এলাকা প্রদক্ষিণ করার সময় সেখানে গাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান লিটনসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের বাধা দেওয়ার প্রস্তুতি নিতে দেখে ব্যানার হাতে মিছিলের অগ্রভাগে থাকা যুবলীগের এক কর্মী পুলিশকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশ্যেই চিৎকার করে বলতে থাকেন, “একটাও সামনে আবি না, একটাও সামনে আবি না, একদম মাইরা ফেলামু !”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সামনে এমন উসকানিমূলক ও হুমকিমূলক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা ঘটনাস্থল থেকে কাউকে আটক করতে না পারায় গাছা থানা পুলিশের দায়িত্ব ও সক্ষমতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
এই চরম আইন অমান্য ও পুলিশের ওপর হুমকির বিষয়ে বক্তব্য জানতে গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। ঘটনার পর ওসির এই ধরনের দায়সারা ও মন্তব্য না করার বিষয়টি নিয়ে খোদ পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে নানা গুঞ্জন ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
তবে এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বেলায়েত হোসেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমরা দেখেছি । সেখানে পুলিশকে উদ্দেশ্য করে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করা, পুলিশকে হুমকি দেওয়া কিংবা কোনো ধরনের সহিংসতার উসকানি দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। কর্তব্যরত পুলিশকে হুমকি ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”