ঢাকা ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

ল্যাব সংকটে ইবির বিএমই বিভাগ, শিক্ষার্থীদের দাবি স্থায়ী বরাদ্দ

#
news image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা ল্যাব সংকটে ভুগছেন। বিভাগটির প্রয়োজনীয় নিজস্ব ল্যাব না থাকায় এবং কেন্দ্রীয় ল্যাব ব্যবহারে আর্থিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

দুপুরে উপাচার্য বরাবর উপ-উপাচার্যের কাছে বিভাগের নামে তিনটি ল্যাব স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার দাবিতে লিখিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। 

বিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবি, “প্রথমদিকে অন্য বিভাগের ল্যাব ব্যবহার করে কার্যক্রম চালানো হলেও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে তাদের প্রয়োজনীয় ল্যাবগুলো স্থানান্তর করা হয়। কম্পিউটার ল্যাব (রুম নং-৩৩৫), বায়ো-ইমেজিং ল্যাব (রুম নং-৩৩৭), এবং বায়ো ইন্সট্রুমেন্টেশন ল্যাব (রুম নং-৩৩৩)—এই তিনটি ল্যাব দীর্ঘদিন ধরে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করে আসছিলেন।”

কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “ল্যাব ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, অন্যথায় ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এ সিদ্ধান্ত তাদের চলমান ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষার পরিপন্থী এবং এর ফলে তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।”

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা আরো উল্লেখ করেন, “বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও গবেষণাভিত্তিক বিভাগ। এখানে ল্যাব ব্যবহার শুধু প্রয়োজন নয়, বাধ্যতামূলক। এ অবস্থায় ল্যাব বরাদ্দ না থাকলে আমাদের শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।”

বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ মাহফুজুর রহমান সাকিল বলেন, “আমারা বিগত দিনগুলোতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে অবস্থানরত বায়োমেডিকেল রিলেটেড ল্যাবগুলো ব্যাবহার করে ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালক মহোদয়ের অপ্রাসঙ্গিক বিজ্ঞপ্তি তে আমরা ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষার জন্য ল্যাব ব্যবহার করতে পারতেছি নাহ। তাই আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষথেকে  ভিসি স্যার এর অনুপস্থিতি তে প্রো-ভিসি স্যার বরাবর  স্মারকলিপি দেই। আমরা আশাবাদী প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মোঃ মিনহাজুর রহমান মাহিম বলেন, “আমরা চাই আমাদের বিভাগের প্রয়োজনে স্থায়ীভাবে ল্যাব বরাদ্দ দেওয়া হোক। ল্যাব না থাকলে আমাদের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস নেয়া এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা উপ-উপাচার্যের কাছে দাবির প্রেক্ষিতে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছেন। তারা লিখিতভাবে ল্যাব বরাদ্দ না দেওয়া পর্যন্ত বর্তমান কেন্দ্রীয় ল্যাবে বিএমই সংশ্লিষ্ট ল্যাব ব্যবহারের অনুমতি বহাল রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

০৪ মে, ২০২৫,  7:27 PM

news image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা ল্যাব সংকটে ভুগছেন। বিভাগটির প্রয়োজনীয় নিজস্ব ল্যাব না থাকায় এবং কেন্দ্রীয় ল্যাব ব্যবহারে আর্থিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

দুপুরে উপাচার্য বরাবর উপ-উপাচার্যের কাছে বিভাগের নামে তিনটি ল্যাব স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার দাবিতে লিখিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। 

বিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবি, “প্রথমদিকে অন্য বিভাগের ল্যাব ব্যবহার করে কার্যক্রম চালানো হলেও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে তাদের প্রয়োজনীয় ল্যাবগুলো স্থানান্তর করা হয়। কম্পিউটার ল্যাব (রুম নং-৩৩৫), বায়ো-ইমেজিং ল্যাব (রুম নং-৩৩৭), এবং বায়ো ইন্সট্রুমেন্টেশন ল্যাব (রুম নং-৩৩৩)—এই তিনটি ল্যাব দীর্ঘদিন ধরে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করে আসছিলেন।”

কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “ল্যাব ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, অন্যথায় ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এ সিদ্ধান্ত তাদের চলমান ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষার পরিপন্থী এবং এর ফলে তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।”

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা আরো উল্লেখ করেন, “বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও গবেষণাভিত্তিক বিভাগ। এখানে ল্যাব ব্যবহার শুধু প্রয়োজন নয়, বাধ্যতামূলক। এ অবস্থায় ল্যাব বরাদ্দ না থাকলে আমাদের শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।”

বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ মাহফুজুর রহমান সাকিল বলেন, “আমারা বিগত দিনগুলোতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে অবস্থানরত বায়োমেডিকেল রিলেটেড ল্যাবগুলো ব্যাবহার করে ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালক মহোদয়ের অপ্রাসঙ্গিক বিজ্ঞপ্তি তে আমরা ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষার জন্য ল্যাব ব্যবহার করতে পারতেছি নাহ। তাই আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষথেকে  ভিসি স্যার এর অনুপস্থিতি তে প্রো-ভিসি স্যার বরাবর  স্মারকলিপি দেই। আমরা আশাবাদী প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মোঃ মিনহাজুর রহমান মাহিম বলেন, “আমরা চাই আমাদের বিভাগের প্রয়োজনে স্থায়ীভাবে ল্যাব বরাদ্দ দেওয়া হোক। ল্যাব না থাকলে আমাদের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস নেয়া এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা উপ-উপাচার্যের কাছে দাবির প্রেক্ষিতে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছেন। তারা লিখিতভাবে ল্যাব বরাদ্দ না দেওয়া পর্যন্ত বর্তমান কেন্দ্রীয় ল্যাবে বিএমই সংশ্লিষ্ট ল্যাব ব্যবহারের অনুমতি বহাল রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন।