ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

ল্যাব সংকটে ইবির বিএমই বিভাগ, শিক্ষার্থীদের দাবি স্থায়ী বরাদ্দ

#
news image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা ল্যাব সংকটে ভুগছেন। বিভাগটির প্রয়োজনীয় নিজস্ব ল্যাব না থাকায় এবং কেন্দ্রীয় ল্যাব ব্যবহারে আর্থিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

দুপুরে উপাচার্য বরাবর উপ-উপাচার্যের কাছে বিভাগের নামে তিনটি ল্যাব স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার দাবিতে লিখিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। 

বিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবি, “প্রথমদিকে অন্য বিভাগের ল্যাব ব্যবহার করে কার্যক্রম চালানো হলেও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে তাদের প্রয়োজনীয় ল্যাবগুলো স্থানান্তর করা হয়। কম্পিউটার ল্যাব (রুম নং-৩৩৫), বায়ো-ইমেজিং ল্যাব (রুম নং-৩৩৭), এবং বায়ো ইন্সট্রুমেন্টেশন ল্যাব (রুম নং-৩৩৩)—এই তিনটি ল্যাব দীর্ঘদিন ধরে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করে আসছিলেন।”

কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “ল্যাব ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, অন্যথায় ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এ সিদ্ধান্ত তাদের চলমান ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষার পরিপন্থী এবং এর ফলে তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।”

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা আরো উল্লেখ করেন, “বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও গবেষণাভিত্তিক বিভাগ। এখানে ল্যাব ব্যবহার শুধু প্রয়োজন নয়, বাধ্যতামূলক। এ অবস্থায় ল্যাব বরাদ্দ না থাকলে আমাদের শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।”

বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ মাহফুজুর রহমান সাকিল বলেন, “আমারা বিগত দিনগুলোতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে অবস্থানরত বায়োমেডিকেল রিলেটেড ল্যাবগুলো ব্যাবহার করে ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালক মহোদয়ের অপ্রাসঙ্গিক বিজ্ঞপ্তি তে আমরা ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষার জন্য ল্যাব ব্যবহার করতে পারতেছি নাহ। তাই আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষথেকে  ভিসি স্যার এর অনুপস্থিতি তে প্রো-ভিসি স্যার বরাবর  স্মারকলিপি দেই। আমরা আশাবাদী প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মোঃ মিনহাজুর রহমান মাহিম বলেন, “আমরা চাই আমাদের বিভাগের প্রয়োজনে স্থায়ীভাবে ল্যাব বরাদ্দ দেওয়া হোক। ল্যাব না থাকলে আমাদের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস নেয়া এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা উপ-উপাচার্যের কাছে দাবির প্রেক্ষিতে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছেন। তারা লিখিতভাবে ল্যাব বরাদ্দ না দেওয়া পর্যন্ত বর্তমান কেন্দ্রীয় ল্যাবে বিএমই সংশ্লিষ্ট ল্যাব ব্যবহারের অনুমতি বহাল রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন।

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :

০৪ মে, ২০২৫,  7:27 PM

news image

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা ল্যাব সংকটে ভুগছেন। বিভাগটির প্রয়োজনীয় নিজস্ব ল্যাব না থাকায় এবং কেন্দ্রীয় ল্যাব ব্যবহারে আর্থিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।

দুপুরে উপাচার্য বরাবর উপ-উপাচার্যের কাছে বিভাগের নামে তিনটি ল্যাব স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়ার দাবিতে লিখিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষার্থীরা। 

বিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের দাবি, “প্রথমদিকে অন্য বিভাগের ল্যাব ব্যবহার করে কার্যক্রম চালানো হলেও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে তাদের প্রয়োজনীয় ল্যাবগুলো স্থানান্তর করা হয়। কম্পিউটার ল্যাব (রুম নং-৩৩৫), বায়ো-ইমেজিং ল্যাব (রুম নং-৩৩৭), এবং বায়ো ইন্সট্রুমেন্টেশন ল্যাব (রুম নং-৩৩৩)—এই তিনটি ল্যাব দীর্ঘদিন ধরে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যবহার করে আসছিলেন।”

কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “ল্যাব ব্যবহারের জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, অন্যথায় ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের দাবি, এ সিদ্ধান্ত তাদের চলমান ব্যবহারিক ক্লাস ও পরীক্ষার পরিপন্থী এবং এর ফলে তারা এক ধরনের একাডেমিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।”

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা আরো উল্লেখ করেন, “বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও গবেষণাভিত্তিক বিভাগ। এখানে ল্যাব ব্যবহার শুধু প্রয়োজন নয়, বাধ্যতামূলক। এ অবস্থায় ল্যাব বরাদ্দ না থাকলে আমাদের শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।”

বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ মাহফুজুর রহমান সাকিল বলেন, “আমারা বিগত দিনগুলোতে কেন্দ্রীয় ল্যাবে অবস্থানরত বায়োমেডিকেল রিলেটেড ল্যাবগুলো ব্যাবহার করে ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষা দিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে কেন্দ্রীয় ল্যাবের পরিচালক মহোদয়ের অপ্রাসঙ্গিক বিজ্ঞপ্তি তে আমরা ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষার জন্য ল্যাব ব্যবহার করতে পারতেছি নাহ। তাই আমরা শিক্ষার্থীদের পক্ষথেকে  ভিসি স্যার এর অনুপস্থিতি তে প্রো-ভিসি স্যার বরাবর  স্মারকলিপি দেই। আমরা আশাবাদী প্রশাসন দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন।

একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী মোঃ মিনহাজুর রহমান মাহিম বলেন, “আমরা চাই আমাদের বিভাগের প্রয়োজনে স্থায়ীভাবে ল্যাব বরাদ্দ দেওয়া হোক। ল্যাব না থাকলে আমাদের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস নেয়া এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা উপ-উপাচার্যের কাছে দাবির প্রেক্ষিতে দ্রুত পদক্ষেপ আশা করছেন। তারা লিখিতভাবে ল্যাব বরাদ্দ না দেওয়া পর্যন্ত বর্তমান কেন্দ্রীয় ল্যাবে বিএমই সংশ্লিষ্ট ল্যাব ব্যবহারের অনুমতি বহাল রাখারও আহ্বান জানিয়েছেন।