ঢাকা ০৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ ফটিকছড়িতে বিষপানে যুবকের আত্নহত্যা

ফরিদপুরে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি হওয়া সেই শিশু উদ্ধার

#
news image

ফরিদপুরে জোর করে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়া আট মাসের সেই শিশু তানহা আক্তারকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০,ফরিদপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।
 
সোমবার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফরিদপুর র‍্যাব ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শামীম হাসান সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (১১ মে) সন্ধ্যায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
 সহকারী পরিচালক  শামীম হাসান সরদার জানান, রোববার শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু তানহাকে উদ্ধার করা হয়। পরে শিশুটিকে নগরকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
 
বাদীর আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, আজ বিকেলে ফরিদপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটির অভিভাবকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নগরকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইরানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, র‍্যাবের মাধ্যমে শিশুটি উদ্ধার হয়েছে, তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 
আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে মা পপি বেগম জানান, আমি আমার বাচ্চাকে ফিরে পেতে চাই। যারা আমার মেয়েকে বিক্রি করেছে তাদের বিচার চাই। আমার কাছে সব কাগজপত্র আছে। আমি ন্যায্যভাবে আমার সন্তানকে চাই। 
এর আগে ভুক্তভোগী পপি বেগম অভিযোগ করে বলেন, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আমার বাড়ি। তিন বছর আগে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামপাশা গ্রামের কাইয়ুম বিশ্বাসের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল। এ সময় কোলজুড়ে আসে একটি কন্যাসন্তান। কিন্তু সুখ বেশিদিন টিকেনি। পাঁচ মাস আগে কলহের জেরে মৌখিকভাবে তালাক দেন কাইয়ুম।
 
তিনি আরও বলেন, তালাকের সময় আট মাস বয়সী কন্যাশিশু তানহাকে জোর করে রেখে দেন তিনি। কিছুদিন পর জানতে পারি, আমার সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। শিশুটি বিক্রি করা হয় একই উপজেলার শাখরাইল গ্রামের কুবাদ শেখের মেয়ে কোহিনুর বেগমের কাছে। আর এ বিক্রির মধ্যস্থতা করেন নগরকান্দা উপজেলার দলিল লেখক আলমগীর তালুকদার। পরবর্তীতে তানহাকে আনতে গেলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। কন্যা শিশুকে উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করি।

 এস.এম আকাশ, ফরিদপুর

১২ মে, ২০২৫,  6:35 PM

news image

ফরিদপুরে জোর করে মায়ের কোল থেকে কেড়ে নিয়ে দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করে দেওয়া আট মাসের সেই শিশু তানহা আক্তারকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১০,ফরিদপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।
 
সোমবার (১২ মে) বেলা ১১টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফরিদপুর র‍্যাব ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) শামীম হাসান সরদার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (১১ মে) সন্ধ্যায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
 সহকারী পরিচালক  শামীম হাসান সরদার জানান, রোববার শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশু তানহাকে উদ্ধার করা হয়। পরে শিশুটিকে নগরকান্দা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
 
বাদীর আইনজীবী আনোয়ার হোসেন বলেন, আজ বিকেলে ফরিদপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটির অভিভাবকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নগরকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইরানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, র‍্যাবের মাধ্যমে শিশুটি উদ্ধার হয়েছে, তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
 
আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে মা পপি বেগম জানান, আমি আমার বাচ্চাকে ফিরে পেতে চাই। যারা আমার মেয়েকে বিক্রি করেছে তাদের বিচার চাই। আমার কাছে সব কাগজপত্র আছে। আমি ন্যায্যভাবে আমার সন্তানকে চাই। 
এর আগে ভুক্তভোগী পপি বেগম অভিযোগ করে বলেন, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামে আমার বাড়ি। তিন বছর আগে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামপাশা গ্রামের কাইয়ুম বিশ্বাসের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ লেগেই ছিল। এ সময় কোলজুড়ে আসে একটি কন্যাসন্তান। কিন্তু সুখ বেশিদিন টিকেনি। পাঁচ মাস আগে কলহের জেরে মৌখিকভাবে তালাক দেন কাইয়ুম।
 
তিনি আরও বলেন, তালাকের সময় আট মাস বয়সী কন্যাশিশু তানহাকে জোর করে রেখে দেন তিনি। কিছুদিন পর জানতে পারি, আমার সন্তানকে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে দেড় লাখ টাকায়। শিশুটি বিক্রি করা হয় একই উপজেলার শাখরাইল গ্রামের কুবাদ শেখের মেয়ে কোহিনুর বেগমের কাছে। আর এ বিক্রির মধ্যস্থতা করেন নগরকান্দা উপজেলার দলিল লেখক আলমগীর তালুকদার। পরবর্তীতে তানহাকে আনতে গেলে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। কন্যা শিশুকে উদ্ধারের জন্য আদালতে মামলা করি।