ফরিদপুরে নিখোঁজ এর ৬ দিন পরে শিশু কবিতার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার
বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
৩০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:44 PM
ফরিদপুরে নিখোঁজ এর ৬ দিন পরে শিশু কবিতার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরে নিখোঁজের ৬ পর আইরিন আক্তার কবিতা নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশুর বিবস্ত্র অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা বুকাইল গ্রামের রেললাইনের পাশে কলাগাছের ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কবিতা বুকাইল আদর্শ গ্রামের বাকা বিশ্বাসের মেয়ে। পাঁচ বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। কবিতা বুকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেনীতে পড়ত।
শিশুটির পড়নের কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। ধর্ষণের পর হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারনা করছে তার পরিবার ও স্থানীয়রা।
শিশুটির চাচা আব্দুল আলীম জানান, গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় প্রতিবেশী শিশুদের সাথে খেলতে বের হয়ে কবিতা নিখোঁজ হয়। এর পরে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরদিন ২৫ এপ্রিল তার মা তাহমিনা বেগম ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার সাধারণ ডায়েরি করে।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় সোনা মিয়া ও দুলাল মোল্লা মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে পুলিশে খবর দেয়া হয়।
ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন বলেন, এরই মধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুব দ্রুতই হত্যাকাণ্ডের রহস্য বের হয়ে আসবে।
বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
৩০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:44 PM
ফরিদপুরে নিখোঁজের ৬ পর আইরিন আক্তার কবিতা নামে ৭ বছর বয়সী এক শিশুর বিবস্ত্র অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা বুকাইল গ্রামের রেললাইনের পাশে কলাগাছের ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কবিতা বুকাইল আদর্শ গ্রামের বাকা বিশ্বাসের মেয়ে। পাঁচ বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। কবিতা বুকাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেনীতে পড়ত।
শিশুটির পড়নের কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে বিবস্ত্র অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। ধর্ষণের পর হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে বলে ধারনা করছে তার পরিবার ও স্থানীয়রা।
শিশুটির চাচা আব্দুল আলীম জানান, গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় প্রতিবেশী শিশুদের সাথে খেলতে বের হয়ে কবিতা নিখোঁজ হয়। এর পরে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরদিন ২৫ এপ্রিল তার মা তাহমিনা বেগম ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার সাধারণ ডায়েরি করে।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় সোনা মিয়া ও দুলাল মোল্লা মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে পুলিশে খবর দেয়া হয়।
ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন বলেন, এরই মধ্যে ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুব দ্রুতই হত্যাকাণ্ডের রহস্য বের হয়ে আসবে।
সম্পর্কিত