এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু
মো: রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
০১ জুন, ২০২৬, 7:21 PM
এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নদী দাস (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভনে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রাতে গুরুতর অবস্থায় ওই কিশোরীকে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ/ত্যু হয়। নদী দাস হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর গ্রামের অজিত দাসের মেয়ে। সে ছোটবেলা থেকে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মশাকলি গ্রামে নানা বাড়িতে বসবাস করতো।
নদী দাসের স্বজনরা জানান,হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার সুনারু গ্রামের দিলিপ দাশের ছেলে আইনজীবী সহকারী জীবন দাশের সাথে নদী’র দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত শনিবার বিয়ের উদ্দেশ্যে তারা হবিগঞ্জ শহরের একটি মন্দিরে যায়। কিন্তু মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষ তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। গতকাল রবিবার তারা আবারও হবিগঞ্জ শহরে আসে। রবিবার সন্ধ্যায় শহরের উমেদনগর এলাকায় নদীকে আহত অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন নদীকে বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে নদী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোরে তার মৃ/ত্যু হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ময়না তদন্ত শেষে মৃ/ত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে। এরই মধ্যে প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
মো: রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
০১ জুন, ২০২৬, 7:21 PM
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার নদী দাস (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভনে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রাতে গুরুতর অবস্থায় ওই কিশোরীকে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ/ত্যু হয়। নদী দাস হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বদলপুর গ্রামের অজিত দাসের মেয়ে। সে ছোটবেলা থেকে হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মশাকলি গ্রামে নানা বাড়িতে বসবাস করতো।
নদী দাসের স্বজনরা জানান,হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার সুনারু গ্রামের দিলিপ দাশের ছেলে আইনজীবী সহকারী জীবন দাশের সাথে নদী’র দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত শনিবার বিয়ের উদ্দেশ্যে তারা হবিগঞ্জ শহরের একটি মন্দিরে যায়। কিন্তু মেয়ে অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষ তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়। গতকাল রবিবার তারা আবারও হবিগঞ্জ শহরে আসে। রবিবার সন্ধ্যায় শহরের উমেদনগর এলাকায় নদীকে আহত অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন নদীকে বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে নদী গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার ভোরে তার মৃ/ত্যু হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ময়না তদন্ত শেষে মৃ/ত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে। এরই মধ্যে প্রকৃত ঘটনা খতিয়ে দেখতে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
সম্পর্কিত