ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান পেল ক্যামেরুন ও মালাবির দুটি স্থান

#
news image

ক্যামেরুন ও মালাউইর দুটি সাংস্কৃতিক স্থানকে শুক্রবার ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আফ্রিকায় ইউনেস্কোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

প্যারিস থেকে এএফপি জানায়, ক্যামেরুনের ফার নর্থ অঞ্চলে অবস্থিত দিইয়ি-গিদ-বিইয়ি পর্বতমালার নিসর্গ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ঐতিহাসিক গুরুত্বও বহন করে। এটি ১২শ থেকে ১৭শ শতাব্দীর মধ্যকার সময়কালে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়। এই স্থানে রয়েছে কৃষিভিত্তিক সোপানমালা, উপাসনাস্থল ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

এদিকে মালাবির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মাউন্ট মুলাঞ্জে পর্বতশ্রেণিকে ওই দেশের প্রস্তাবিত ঐতিহ্য স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই পাহাড় অঞ্চলটি স্থানীয় সংস্কারে দেবতা, আত্মা ও পূর্বপুরুষদের আবাসস্থল বলে বিবেচিত হয়।

চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৩০টি স্থান ইউনেস্কোর বিবেচনায় এসেছে। এর মধ্যে সিয়েরা লিওনের গোলা-টিওয়াই বনাঞ্চল ও গিনি-বিসাউয়ের বিজাগোস দ্বীপমালা ইউনেস্কোর তালিকায় যুক্ত হওয়ার জন্য বিবেচনায় রয়েছে। উভয় দেশ আগে কোনো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান পায়নি।

সিয়েরা লিওনের গোলা-টিওয়াই বন বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর আবাসস্থল, যার মধ্যে আছে বুনো হাতি। গিনি-বিসাউয়ের বিজাগোস দ্বীপমালা এক গুরুত্বপূর্ণ জীবমণ্ডল সংরক্ষণ এলাকা।

আফ্রিকার বাইরের দেশগুলোর প্রস্তাবিত স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রাগৈতিহাসিক। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সের পশ্চিমাঞ্চলের কারনাক প্রস্তররাজি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাংগুচেওন স্ট্রিম-এর পাথর খোদাই।

বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া কোনো স্থান সাধারণত ব্যাপক পর্যটন আগ্রহ সৃষ্টি করে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তা ও অর্থায়নের পথও খুলে যায়। 

ইউনেস্কোর মতে, দূষণ, যুদ্ধ ও অবহেলার ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থান হুমকির মুখে পড়েছে, সেগুলোর সংরক্ষণে এই তালিকাভুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।

আন্তর্জাতিক ডেক্স :

১১ জুলাই, ২০২৫,  9:26 PM

news image

ক্যামেরুন ও মালাউইর দুটি সাংস্কৃতিক স্থানকে শুক্রবার ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আফ্রিকায় ইউনেস্কোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

প্যারিস থেকে এএফপি জানায়, ক্যামেরুনের ফার নর্থ অঞ্চলে অবস্থিত দিইয়ি-গিদ-বিইয়ি পর্বতমালার নিসর্গ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ঐতিহাসিক গুরুত্বও বহন করে। এটি ১২শ থেকে ১৭শ শতাব্দীর মধ্যকার সময়কালে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়। এই স্থানে রয়েছে কৃষিভিত্তিক সোপানমালা, উপাসনাস্থল ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

এদিকে মালাবির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মাউন্ট মুলাঞ্জে পর্বতশ্রেণিকে ওই দেশের প্রস্তাবিত ঐতিহ্য স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এই পাহাড় অঞ্চলটি স্থানীয় সংস্কারে দেবতা, আত্মা ও পূর্বপুরুষদের আবাসস্থল বলে বিবেচিত হয়।

চলতি বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৩০টি স্থান ইউনেস্কোর বিবেচনায় এসেছে। এর মধ্যে সিয়েরা লিওনের গোলা-টিওয়াই বনাঞ্চল ও গিনি-বিসাউয়ের বিজাগোস দ্বীপমালা ইউনেস্কোর তালিকায় যুক্ত হওয়ার জন্য বিবেচনায় রয়েছে। উভয় দেশ আগে কোনো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান পায়নি।

সিয়েরা লিওনের গোলা-টিওয়াই বন বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর আবাসস্থল, যার মধ্যে আছে বুনো হাতি। গিনি-বিসাউয়ের বিজাগোস দ্বীপমালা এক গুরুত্বপূর্ণ জীবমণ্ডল সংরক্ষণ এলাকা।

আফ্রিকার বাইরের দেশগুলোর প্রস্তাবিত স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রাগৈতিহাসিক। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সের পশ্চিমাঞ্চলের কারনাক প্রস্তররাজি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাংগুচেওন স্ট্রিম-এর পাথর খোদাই।

বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া কোনো স্থান সাধারণত ব্যাপক পর্যটন আগ্রহ সৃষ্টি করে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহায়তা ও অর্থায়নের পথও খুলে যায়। 

ইউনেস্কোর মতে, দূষণ, যুদ্ধ ও অবহেলার ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থান হুমকির মুখে পড়েছে, সেগুলোর সংরক্ষণে এই তালিকাভুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।