ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

বাগেরহাটে জলাবদ্ধ পরিদর্শন করলেন সাবেক বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম

#
news image

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বাগেরহাট শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও নিম্নাঞ্চল। দীর্ঘদিনের এ জলাবদ্ধতা চরম দুর্ভোগে ফেলেছে সাধারণ মানুষকে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট শহরের জলাবদ্ধ এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম।

পরিদর্শনের সময় তিনি শহরের রাহাতের মোড়, শালতলা, নূর মসজিদ, সাধনার মোড়, রেল রোড, বাসস্ট্যান্ড, সরকারি পিসি কলেজ এলাকাসহ বিভিন্ন জলাবদ্ধ অঞ্চল ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও।

এ সময় বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম বলেন,বছরের পর বছর ধরে  শহরে জলাবদ্ধতা একটি স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রিকশাচালক, দোকানদার সবাই বিপাকে পড়েছে ।এটি শুধু একটি জলাবদ্ধতা নয়, এটি জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। জনগণের টাকায় উন্নয়নের নামে যা হয়েছে তা এখন জনদুর্ভোগের কারণ। আমরা বারবার বলেছি, খাল খনন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কার ছাড়া এ সমস্যা থেকে মুক্তি নেই।

তিনি আরও বলেন,আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির কথা ভুলে গেছি। আজ সময় এসেছে সেই কর্মসূচিতে ফিরে যাওয়ার। শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা ছাড়া কোনো উপায় নেই। প্লাস্টিক, পলিথিন ও ময়লা নালায় ফেলে নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছি।

সাধনার মোড়র সারের দোকানদার ফারুক হোসেন বলেন , বৃষ্টি হলে দোকান খোলা রাখা দায় হয়ে পড়ে। পানি ঢুকে মালামাল নষ্ট হয়ে যায়। কতবার বলেছি ড্রেনগুলো পরিষ্কার করতে, কেউ শোনে না।

এক পথচারী শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন,প্রতিদিন স্কুলে যেতে কষ্ট হয়। রাস্তার ওপর হাঁটু পর্যন্ত পানি।  জুতা নিয়ে নামতে পারি না, আর রিকশাও চলে না ঠিকমতো। প্রতিদিন স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়।

রিকশাচালক আব্দুস সালাম বলেন, আমরা খেটে খাই। আমাদের রোদ-বৃষ্টিতে কিছু হয় না। সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। যখন অনেক বৃষ্টি হয় তখন ছাতায়ও মানে না। কাজ ছাড়া মানুষ তেমন বের হয় না। যে দুই-চার জন বের হয়, বৃষ্টিতে ভিজে তাদেরকে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে ১০ টাকা বেশি চাই। কেউ দেয়, কেউ দেয় না। শহরের যে রাস্তা দুই দিন অন্তর অন্তর গাড়িতে সমস্যা দেখা দেয় গাড়ি ঠিক করব নাকি ছেলে মেয়ে কে মুখে ভাত দিবো। যদি রাস্তাঘাট আর এই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকত তাহলে আমরা উপকৃত হতাম।

পরিদর্শনকালে দলীয় নেতারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান এবং নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।

বাগেরহাট শহরের জলাবদ্ধতা নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। তিনি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দায়ী করে দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের দাবি জানান। স্থানীয় বাসিন্দারাও দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান। 

বাগেরহাট প্রতিনিধি :

১৬ জুলাই, ২০২৫,  11:06 AM

news image

টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বাগেরহাট শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও নিম্নাঞ্চল। দীর্ঘদিনের এ জলাবদ্ধতা চরম দুর্ভোগে ফেলেছে সাধারণ মানুষকে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট শহরের জলাবদ্ধ এলাকাগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম।

পরিদর্শনের সময় তিনি শহরের রাহাতের মোড়, শালতলা, নূর মসজিদ, সাধনার মোড়, রেল রোড, বাসস্ট্যান্ড, সরকারি পিসি কলেজ এলাকাসহ বিভিন্ন জলাবদ্ধ অঞ্চল ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও।

এ সময় বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম বলেন,বছরের পর বছর ধরে  শহরে জলাবদ্ধতা একটি স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটুখানি বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রিকশাচালক, দোকানদার সবাই বিপাকে পড়েছে ।এটি শুধু একটি জলাবদ্ধতা নয়, এটি জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। জনগণের টাকায় উন্নয়নের নামে যা হয়েছে তা এখন জনদুর্ভোগের কারণ। আমরা বারবার বলেছি, খাল খনন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কার ছাড়া এ সমস্যা থেকে মুক্তি নেই।

তিনি আরও বলেন,আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির কথা ভুলে গেছি। আজ সময় এসেছে সেই কর্মসূচিতে ফিরে যাওয়ার। শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা ছাড়া কোনো উপায় নেই। প্লাস্টিক, পলিথিন ও ময়লা নালায় ফেলে নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছি।

সাধনার মোড়র সারের দোকানদার ফারুক হোসেন বলেন , বৃষ্টি হলে দোকান খোলা রাখা দায় হয়ে পড়ে। পানি ঢুকে মালামাল নষ্ট হয়ে যায়। কতবার বলেছি ড্রেনগুলো পরিষ্কার করতে, কেউ শোনে না।

এক পথচারী শিক্ষার্থী সুমাইয়া বলেন,প্রতিদিন স্কুলে যেতে কষ্ট হয়। রাস্তার ওপর হাঁটু পর্যন্ত পানি।  জুতা নিয়ে নামতে পারি না, আর রিকশাও চলে না ঠিকমতো। প্রতিদিন স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়।

রিকশাচালক আব্দুস সালাম বলেন, আমরা খেটে খাই। আমাদের রোদ-বৃষ্টিতে কিছু হয় না। সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। যখন অনেক বৃষ্টি হয় তখন ছাতায়ও মানে না। কাজ ছাড়া মানুষ তেমন বের হয় না। যে দুই-চার জন বের হয়, বৃষ্টিতে ভিজে তাদেরকে গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে ১০ টাকা বেশি চাই। কেউ দেয়, কেউ দেয় না। শহরের যে রাস্তা দুই দিন অন্তর অন্তর গাড়িতে সমস্যা দেখা দেয় গাড়ি ঠিক করব নাকি ছেলে মেয়ে কে মুখে ভাত দিবো। যদি রাস্তাঘাট আর এই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকত তাহলে আমরা উপকৃত হতাম।

পরিদর্শনকালে দলীয় নেতারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান এবং নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।

বাগেরহাট শহরের জলাবদ্ধতা নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। তিনি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দায়ী করে দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কারের দাবি জানান। স্থানীয় বাসিন্দারাও দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চান।