ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে কাতারের ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র : রুবিও

#
news image

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবার ইসরাইলকে বলেছেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় কাতারের ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করছে।

জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুবিও উভয়েই গত সপ্তাহে কাতারে হামলার বিরোধিতা করেছেন। কাতার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমান ঘাঁটির অবস্থান হিসেবে পরিচিত।

নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে রুবিও বলেন, আমরা এখন কী ঘটছে, পরবর্তী ধাপ কী হবে এবং গাজার যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কাতার কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে—এ বিষয়েই আমরা মনোযোগী।

রুবিও নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা কাতারকে এ ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে উৎসাহ প্রদান অব্যাহত রাখব।

নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের হামলার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ দায়ভার গ্রহণ করি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়া উচিত নয় এবং হোলোকস্টের পর ইহুদি জনগণের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনাকারীরা কোনোভাবে নিরাপদ থাকবে না।

তিনি হামাসের ওপর হামলাকে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর আল-কায়েদার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাহসী পদক্ষেপ এবং ২০১১ সালে পাকিস্তানে হামলার মাস্টারমাইন্ড ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার সঙ্গে তুলনা করেন।

নেতানিয়াহু বলেন, যেসব দেশ আজ ইসরাইলকে নিন্দা করছে,তারা কখনও বলেনি- এ কী ভয়ানক কাজ হয়েছে, পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হয়েছে, আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা সন্ত্রাসীদের কার্যত একটি ঘাঁটি দিয়ে দিলে আপনাদের সার্বভৌমত্ব থাকে না।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার আগে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র কাতারের ভূমিকা উৎসাহিত করেছিল। কাতার হামাসকে কয়েক মিলিয়ন ডলার স্থানান্তরের মাধ্যমে গাজার স্থিতিশীলতা রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কাতারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ব্যবহার করে হামাসের কার্যকলাপ নজরদারি করা এবং তাদেরকে ইরানে ঘাঁটি গড়ে তুলতে বাধা দেওয়ার সুযোগ হিসেবেও দেখেছে। ইরান প্রকাশ্যে হামাসকে সমর্থন করে।

আন্তর্জাতিক ডেক্স :

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  12:50 AM

news image

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সোমবার ইসরাইলকে বলেছেন, গাজায় যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতায় কাতারের ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করছে।

জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুবিও উভয়েই গত সপ্তাহে কাতারে হামলার বিরোধিতা করেছেন। কাতার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বিমান ঘাঁটির অবস্থান হিসেবে পরিচিত।

নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে রুবিও বলেন, আমরা এখন কী ঘটছে, পরবর্তী ধাপ কী হবে এবং গাজার যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কাতার কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে—এ বিষয়েই আমরা মনোযোগী।

রুবিও নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা কাতারকে এ ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে উৎসাহ প্রদান অব্যাহত রাখব।

নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলের হামলার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ দায়ভার গ্রহণ করি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়া উচিত নয় এবং হোলোকস্টের পর ইহুদি জনগণের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনাকারীরা কোনোভাবে নিরাপদ থাকবে না।

তিনি হামাসের ওপর হামলাকে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের পর আল-কায়েদার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাহসী পদক্ষেপ এবং ২০১১ সালে পাকিস্তানে হামলার মাস্টারমাইন্ড ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার সঙ্গে তুলনা করেন।

নেতানিয়াহু বলেন, যেসব দেশ আজ ইসরাইলকে নিন্দা করছে,তারা কখনও বলেনি- এ কী ভয়ানক কাজ হয়েছে, পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হয়েছে, আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আপনারা সন্ত্রাসীদের কার্যত একটি ঘাঁটি দিয়ে দিলে আপনাদের সার্বভৌমত্ব থাকে না।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার আগে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র কাতারের ভূমিকা উৎসাহিত করেছিল। কাতার হামাসকে কয়েক মিলিয়ন ডলার স্থানান্তরের মাধ্যমে গাজার স্থিতিশীলতা রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কাতারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে ব্যবহার করে হামাসের কার্যকলাপ নজরদারি করা এবং তাদেরকে ইরানে ঘাঁটি গড়ে তুলতে বাধা দেওয়ার সুযোগ হিসেবেও দেখেছে। ইরান প্রকাশ্যে হামাসকে সমর্থন করে।