ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত গ্রুপ ও এডমিনকে শনাক্ত করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ

#
news image

অনলাইন পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত গ্রুপ, এডমিন ও অর্থ লেনদেনকারী প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

এ সংক্রান্ত বিষয় তদন্তকালে উৎঘাটিত তথ্য ও ঘটনার আলোকে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।

আজ ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটর ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

আদালত আদেশে বলেন, গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) একটি গণমাধ্যমে ‘টেলিগ্রামে হাজারো তরুণীর নগ্ন ভিডিও বিক্রি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ঐ সংবাদ  কয়েকটি পত্রিকার অনলাইন ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়। এছাড়া সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার ও আলোচনা হয়। সংবাদটি জন গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ও ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০(১) (সি) ধারায় অত্র আদালতের নজরে আসে এবং জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় উক্ত সংবাদটি আদেশের জন্য গ্রহণ করা হলো। 
সংবাদ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফেইসবুক ও টেলিগ্রাম অ্যান্সের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাইরাল ভিডিও, ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও এবং নগ্ন ও পর্নে ভিডিও টেলিগ্রামের বিভিন্ন গ্রুপ পরিচালনা করে অর্থের বিনিময়ে ও হয়রানী করার জন্য তা শেয়ার করা হয়। 
এর ফলে মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লংঘন ও ভিডিওর মাধ্যমে জনসাধারণ ও বিশেষ করে নারীদেরকে হয়রানি করা হয় মর্মে সংবাদে প্রকাশিত হয়। 
প্রকাশিত সংবাদে অপরাধ পর্নগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ ও পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪২০/৪১৯/৪০৬/৫০৬সহ প্রচলিত বিভিন্ন আইনের সরাসরি লংঘন এবং অপরাধ মর্মে প্রতীয়মান হয়।

বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০(১) (সি) ধারায় উক্ত সংবাদ আমলে নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজন থাকায় ডিএমপি ও ডিবি’র সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারকে একজন চৌকস ও দক্ষ তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ পূর্বক সংবাদে প্রকাশিত তথ্যের আলোকে অনলাইন পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত গ্রুপ, এডমিন ও অর্থ লেনদেনকারী প্রতারক চক্রকে শনাক্ত পূর্বক যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হলো। তদন্তকালে উৎঘাটিত তথ্য ও ঘটনার আলোকে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ প্রদান করা হলো। এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রতি ১৫ দিন অন্তর তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করা হলো।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১৯ অক্টোবর, ২০২৫,  7:21 PM

news image

অনলাইন পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত গ্রুপ, এডমিন ও অর্থ লেনদেনকারী প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

এ সংক্রান্ত বিষয় তদন্তকালে উৎঘাটিত তথ্য ও ঘটনার আলোকে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ প্রদান করেন আদালত।

আজ ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটর ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

আদালত আদেশে বলেন, গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) একটি গণমাধ্যমে ‘টেলিগ্রামে হাজারো তরুণীর নগ্ন ভিডিও বিক্রি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ঐ সংবাদ  কয়েকটি পত্রিকার অনলাইন ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়। এছাড়া সংবাদটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার ও আলোচনা হয়। সংবাদটি জন গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ও ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০(১) (সি) ধারায় অত্র আদালতের নজরে আসে এবং জনসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় উক্ত সংবাদটি আদেশের জন্য গ্রহণ করা হলো। 
সংবাদ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফেইসবুক ও টেলিগ্রাম অ্যান্সের মাধ্যমে বিভিন্ন ভাইরাল ভিডিও, ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও এবং নগ্ন ও পর্নে ভিডিও টেলিগ্রামের বিভিন্ন গ্রুপ পরিচালনা করে অর্থের বিনিময়ে ও হয়রানী করার জন্য তা শেয়ার করা হয়। 
এর ফলে মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লংঘন ও ভিডিওর মাধ্যমে জনসাধারণ ও বিশেষ করে নারীদেরকে হয়রানি করা হয় মর্মে সংবাদে প্রকাশিত হয়। 
প্রকাশিত সংবাদে অপরাধ পর্নগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ ও পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪২০/৪১৯/৪০৬/৫০৬সহ প্রচলিত বিভিন্ন আইনের সরাসরি লংঘন এবং অপরাধ মর্মে প্রতীয়মান হয়।

বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০(১) (সি) ধারায় উক্ত সংবাদ আমলে নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের প্রয়োজন থাকায় ডিএমপি ও ডিবি’র সাইবার এন্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারকে একজন চৌকস ও দক্ষ তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ পূর্বক সংবাদে প্রকাশিত তথ্যের আলোকে অনলাইন পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত গ্রুপ, এডমিন ও অর্থ লেনদেনকারী প্রতারক চক্রকে শনাক্ত পূর্বক যথাযথ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হলো। তদন্তকালে উৎঘাটিত তথ্য ও ঘটনার আলোকে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ প্রদান করা হলো। এছাড়া তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রতি ১৫ দিন অন্তর তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করা হলো।