ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

নোয়াখালীতে রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

#
news image

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নোয়াখালীর রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎ করে ভোগদখলের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে একজন নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কিপার, একজন ডি/ম্যান ও একজন কপিস্ট রয়েছে।

আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদক নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল নোমান বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলার আসামিরা হলেন, নোয়াখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান আহম্মদের ছেলে বাহার উদ্দিন (৬১), নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডকিপার হুমায়ন কবীর গাজী (৫৭), একই অফিসের ডিম্যান খায়রুল আলম ভূঞা (৫৬) ও কপিস্ট সুভাষ কান্তি চাকমা (৫৫)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলার আইউবপুর মৌজার ১১৯ নম্বর সিএস বিভিন্ন প্লট ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ড ছিল। এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে হুকুমদখল করে জমির প্রকৃত মালিকদের তৎকালীন জমির মূল্য পরিশোধ করা হয়।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ওই ভূমিতে স্লুইস গেট নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে হস্তান্তর করে। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে সরকার আগের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে পাকিস্তান সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে অধিগ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে দিয়ারা জরিপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে ১৪৭ নং আইউবপুর মৌজায় ১৩৬০ ও ১৩৬২ দাগে ২৩ একর ৮ শতাংশ ভূমি রেকর্ড করা হয়। ওই সম্পত্তি বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের মাঠ জরিপ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ডিপি খতিয়ান পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালীর নামে ডিপি খতিয়ান হয়। কিন্তু মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা মাঠ পর্যায়ে সৃজিত ওয়ার্কিং ভলিউম চূড়ান্ত প্রকাশনা পর্যায়ে প্রকাশিত খতিয়ান ও সেটেলমেন্ট প্রেস থেকে প্রাপ্ত প্রিন্ট খতিয়ান যথাযথভাবে রেকর্ড বহাল থাকা সত্ত্বেও বাহার উদ্দিন বাহার আমিনের সাথে যোগসাজশ করে রেকর্ড পরিবর্তন জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে নতুন সৃজিত খতিয়ান ভূমি কর্তন করে এবং বাহার আমিন অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্তভাবে প্রচারিত করার জন্য সংযোজন করেন।

পরে জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে সৃজিত খতিয়ান বাইন্ডিং কাজের ঠিকাদার গোলাম ছারওয়ার কর্তৃক বাইন্ডিং করে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে জমা দেন।

দুদক নোয়াখালীর কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিস জানান, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় জাল রেকর্ড/ খতিয়ান করে ভলিউমে সংযোজন করে আসল হিসেবে ব্যবহার করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎপূর্বক ভোগদখল করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :

২১ অক্টোবর, ২০২৫,  5:09 AM

news image

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নোয়াখালীর রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎ করে ভোগদখলের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে একজন নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কিপার, একজন ডি/ম্যান ও একজন কপিস্ট রয়েছে।

আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদক নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল নোমান বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলার আসামিরা হলেন, নোয়াখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান আহম্মদের ছেলে বাহার উদ্দিন (৬১), নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডকিপার হুমায়ন কবীর গাজী (৫৭), একই অফিসের ডিম্যান খায়রুল আলম ভূঞা (৫৬) ও কপিস্ট সুভাষ কান্তি চাকমা (৫৫)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলার আইউবপুর মৌজার ১১৯ নম্বর সিএস বিভিন্ন প্লট ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ড ছিল। এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে হুকুমদখল করে জমির প্রকৃত মালিকদের তৎকালীন জমির মূল্য পরিশোধ করা হয়।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ওই ভূমিতে স্লুইস গেট নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে হস্তান্তর করে। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে সরকার আগের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে পাকিস্তান সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে অধিগ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে দিয়ারা জরিপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে ১৪৭ নং আইউবপুর মৌজায় ১৩৬০ ও ১৩৬২ দাগে ২৩ একর ৮ শতাংশ ভূমি রেকর্ড করা হয়। ওই সম্পত্তি বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের মাঠ জরিপ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ডিপি খতিয়ান পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালীর নামে ডিপি খতিয়ান হয়। কিন্তু মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা মাঠ পর্যায়ে সৃজিত ওয়ার্কিং ভলিউম চূড়ান্ত প্রকাশনা পর্যায়ে প্রকাশিত খতিয়ান ও সেটেলমেন্ট প্রেস থেকে প্রাপ্ত প্রিন্ট খতিয়ান যথাযথভাবে রেকর্ড বহাল থাকা সত্ত্বেও বাহার উদ্দিন বাহার আমিনের সাথে যোগসাজশ করে রেকর্ড পরিবর্তন জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে নতুন সৃজিত খতিয়ান ভূমি কর্তন করে এবং বাহার আমিন অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্তভাবে প্রচারিত করার জন্য সংযোজন করেন।

পরে জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে সৃজিত খতিয়ান বাইন্ডিং কাজের ঠিকাদার গোলাম ছারওয়ার কর্তৃক বাইন্ডিং করে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে জমা দেন।

দুদক নোয়াখালীর কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিস জানান, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় জাল রেকর্ড/ খতিয়ান করে ভলিউমে সংযোজন করে আসল হিসেবে ব্যবহার করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎপূর্বক ভোগদখল করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।