ঢাকা ১১ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

নির্বাচন যথাসময়ে হতে হবে, সংস্কারও বাস্তবায়ন করতে হবে: আখতার

#
news image

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হতে হবে এবং সংস্কারও বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এই দুটি বিষয়ে কোনো ধরনের বিচ্যুতি দেশের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।

আজ রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, আমরা সংস্কার প্রক্রিয়া ও নির্বাচনকে বানচাল করার প্রবণতা দেখতে পাচ্ছি। এনসিপি শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতার পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে এবং সংস্কার বা নির্বাচন বানচালে কোনো গোষ্ঠীর চেষ্টার সঙ্গে একাত্ম নয়।

তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে অনেকগুলো বিষয়ে একমত হয়েছে এবং সরকারে কাছে সুপারিশ পেশ করেছে। এই আলোচনা ও ঐকমত্যের পরও সরকার এখনও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করেনি।

আখতার অভিযোগ করেন, সংস্কারের বিষয়টাকে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সংস্কার বিলম্বিত করে সরকার জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে পাওয়া ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করছে। সংস্কারকে পিছিয়ে দেওয়ার কোনো চেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এ এনসিপি নেতা বলেন, ঐকমত্য কমিশনের প্রথম প্রস্তাবের ভিত্তিতে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করতে হবে, যাতে পরবর্তী সংসদকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাঠামোগত ক্ষমতা দেওয়া হয় এবং একটি বাধ্যতামূলক গণভোটের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

আখতার বলেন, আমরা এই বিষয়টাও খেয়াল করছি, সরকারের ভেতরের কোনো একটা পক্ষ ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্ত ও সুপারিশের বাইরে গিয়ে নিজেরাই একটা ঐকমত্য কমিশন হওয়ার চেষ্টা করছেন। গৃহীত সুপারিশ উপেক্ষা করার চেষ্টা করা হলে আসন্ন নির্বাচন ঝুঁকির মুখে পড়বে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সংস্কারের জন্য রক্ত ও জীবন দিয়েছে। এর বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

আখতার হোসেন আরও বলেন, সরকারকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে, জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানাতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।

দলের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এনসিপি বিশ্বাস করে-বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৩ নভেম্বর, ২০২৫,  9:15 PM

news image

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হতে হবে এবং সংস্কারও বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, এই দুটি বিষয়ে কোনো ধরনের বিচ্যুতি দেশের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলবে।

আজ রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, আমরা সংস্কার প্রক্রিয়া ও নির্বাচনকে বানচাল করার প্রবণতা দেখতে পাচ্ছি। এনসিপি শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতার পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে এবং সংস্কার বা নির্বাচন বানচালে কোনো গোষ্ঠীর চেষ্টার সঙ্গে একাত্ম নয়।

তিনি বলেন, ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে অনেকগুলো বিষয়ে একমত হয়েছে এবং সরকারে কাছে সুপারিশ পেশ করেছে। এই আলোচনা ও ঐকমত্যের পরও সরকার এখনও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করেনি।

আখতার অভিযোগ করেন, সংস্কারের বিষয়টাকে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সংস্কার বিলম্বিত করে সরকার জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে পাওয়া ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করছে। সংস্কারকে পিছিয়ে দেওয়ার কোনো চেষ্টা বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এ এনসিপি নেতা বলেন, ঐকমত্য কমিশনের প্রথম প্রস্তাবের ভিত্তিতে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করতে হবে, যাতে পরবর্তী সংসদকে সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাঠামোগত ক্ষমতা দেওয়া হয় এবং একটি বাধ্যতামূলক গণভোটের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

আখতার বলেন, আমরা এই বিষয়টাও খেয়াল করছি, সরকারের ভেতরের কোনো একটা পক্ষ ঐকমত্য কমিশনের সিদ্ধান্ত ও সুপারিশের বাইরে গিয়ে নিজেরাই একটা ঐকমত্য কমিশন হওয়ার চেষ্টা করছেন। গৃহীত সুপারিশ উপেক্ষা করার চেষ্টা করা হলে আসন্ন নির্বাচন ঝুঁকির মুখে পড়বে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সংস্কারের জন্য রক্ত ও জীবন দিয়েছে। এর বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।

আখতার হোসেন আরও বলেন, সরকারকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে, জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানাতে হবে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।

দলের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এনসিপি বিশ্বাস করে-বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের স্বার্থে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।