ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করে প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলন আগামীর নাগরিকদের সাথে প্রহসন

#
news image

ধর্মঘটের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকেরা বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করায় শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
 
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক,কর্মচারীদের গ্রেড উন্নয়ন ও প্রজ্ঞাপন কার্যকর করার দাবিতে চলমান আন্দোলন ও কর্মবিরতির প্রেক্ষিতে গত কয়েকদিন ধরে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। 
 
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
 
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে,সংবেদনশীল এই সময়ে শিশুদের পরীক্ষা স্থগিত রাখা কতটা যুক্তিসঙ্গত, এবং শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর এ ধরনের আন্দোলন কত বড় প্রভাব ফেলছে।অনেকে এ আন্দোলনকে আগামীর নাগরিকদের সাথে প্রহসন বলে মতামত প্রকাশ করেছেন।কারণ আজকে যে শিশু আগামীতে সে নাগরিক।আন্দোলন সংগ্রাম চলবে তবে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করে নয়।
 
শিক্ষক নেতারা বলছেন, বহুদিন ধরে তারা গ্রেড উন্নয়ন, টাইম স্কেল এবং বকেয়া সুবিধা বাস্তবায়নের চেষ্টা করলেও তা যথাসময়ে কার্যকর না হওয়ায় বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছেন। আমাদের দাবি, যথাযথ মূল্যায়ন ও মর্যাদা ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা সম্ভব নয়।
 
অন্যদিকে অনেক অভিভাবক মনে করছেন, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি থাকলেও পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ধর্মঘট তোলা উচিত ছিল না। একজন অভিভাবক বলেন,পাঁচ বছরের বাচ্চাদের পড়াশোনায় ভাটা পড়ে। ওরা মানসিকভাবে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়। হঠাৎ পরীক্ষা বন্ধ হলে তারা হতাশ হয়।
 
নাম বলা অনিচ্ছুক একজন গণমাধ্যম কর্মী বলেছেন, শিক্ষা খাতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আমি মনে করেন,আন্দোলন করার অধিকার আছে, দাবি ন্যায্য হলে সরকারকে দ্রুত সমাধানে আসা উচিত।
 
তবে পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা শিশুদের মানসিক ও শিক্ষাগত ক্ষতি ডেকে আনে।
 
সরকারি সূত্র গুলোর তথ্য মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি,শিক্ষকদের দাবি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে এবং আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। পরীক্ষা যাতে বেশি দেরি না হয়, সে দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

০২ ডিসেম্বর, ২০২৫,  7:22 PM

news image

ধর্মঘটের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষকেরা বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করায় শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
 
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক,কর্মচারীদের গ্রেড উন্নয়ন ও প্রজ্ঞাপন কার্যকর করার দাবিতে চলমান আন্দোলন ও কর্মবিরতির প্রেক্ষিতে গত কয়েকদিন ধরে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। 
 
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষাগুলো নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
 
এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে,সংবেদনশীল এই সময়ে শিশুদের পরীক্ষা স্থগিত রাখা কতটা যুক্তিসঙ্গত, এবং শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর এ ধরনের আন্দোলন কত বড় প্রভাব ফেলছে।অনেকে এ আন্দোলনকে আগামীর নাগরিকদের সাথে প্রহসন বলে মতামত প্রকাশ করেছেন।কারণ আজকে যে শিশু আগামীতে সে নাগরিক।আন্দোলন সংগ্রাম চলবে তবে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করে নয়।
 
শিক্ষক নেতারা বলছেন, বহুদিন ধরে তারা গ্রেড উন্নয়ন, টাইম স্কেল এবং বকেয়া সুবিধা বাস্তবায়নের চেষ্টা করলেও তা যথাসময়ে কার্যকর না হওয়ায় বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছেন। আমাদের দাবি, যথাযথ মূল্যায়ন ও মর্যাদা ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা সম্ভব নয়।
 
অন্যদিকে অনেক অভিভাবক মনে করছেন, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি থাকলেও পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ধর্মঘট তোলা উচিত ছিল না। একজন অভিভাবক বলেন,পাঁচ বছরের বাচ্চাদের পড়াশোনায় ভাটা পড়ে। ওরা মানসিকভাবে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নেয়। হঠাৎ পরীক্ষা বন্ধ হলে তারা হতাশ হয়।
 
নাম বলা অনিচ্ছুক একজন গণমাধ্যম কর্মী বলেছেন, শিক্ষা খাতে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আমি মনে করেন,আন্দোলন করার অধিকার আছে, দাবি ন্যায্য হলে সরকারকে দ্রুত সমাধানে আসা উচিত।
 
তবে পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখা শিশুদের মানসিক ও শিক্ষাগত ক্ষতি ডেকে আনে।
 
সরকারি সূত্র গুলোর তথ্য মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি,শিক্ষকদের দাবি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে এবং আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। পরীক্ষা যাতে বেশি দেরি না হয়, সে দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।