ঢাকা ০৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ ফটিকছড়িতে বিষপানে যুবকের আত্নহত্যা

স্কোপাসে ২০২৫ সালে বাকৃবির সেরা ১০ গবেষক

#
news image

বিশ্বব্যাপী বৈজ্ঞানিক গবেষণার মান ও গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ডাটাবেজ স্কোপাস। গবেষকদের গবেষণাপত্র মানসম্মত জার্নালে প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর র‌্যাংকিং প্রকাশ করে থাকে স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল। 

এ বছর জানুয়ারিতে প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সেরা গবেষক হিসেবে দশজন গবেষকের নাম প্রকাশিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন এ কথা জানিয়েছেন।

২০২৫ সালে মানসম্মত জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাকৃবির নয়জন শিক্ষক ও একজন সাবেক শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালেও ছিলো নয়জন শিক্ষক ও একজন সাবেক শিক্ষার্থী। 

এছর নতুন করে স্থান করে নিয়েছে ৪ জন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী।

জানা যায়, স্কোপাস ও ওয়েব অব সায়েন্স মূলত বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলোর গুণগত মান যাচাই করে সেগুলোকে ইনডেক্সভুক্ত করে। এসব ডাটাবেজে প্রকাশিত গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোপাস ডাটাবেজে প্রতিটি গবেষকের জন্য একটি স্বতন্ত্র স্কোপাস আইডি তৈরি করা হয়, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট বছরে একজন গবেষকের প্রকাশনা ও গবেষণা কার্যক্রমের নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষিত থাকে।

স্কোপাস ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে বাকৃবির সেরা ১০ গবেষক হলেন, অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক  ড. মো. গোলজার হোসেন, এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগম,মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহা , এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান,  ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা  এবং ইরিগেশন অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক  ড. এ. কে. এম. আদহাম ও  সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম।

মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক  ড. মো. গোলজার হোসেন অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক এবং গবেষক হিসেবে একাডেমিক কাজের পাশাপাশি গবেষণা করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বছর শেষে বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা এবং প্যাটেন্ট হলো একজন গবেষকের সাফল্যের অন্যতম মানদণ্ড। সেই দিক থেকে, বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০-এর অধিক শিক্ষকের মধ্যে স্কোপাস-ভিত্তিক জার্নালে ২০২৫ সালের প্রকাশনার সংখ্যা অনুযায়ী তৃতীয় স্থানে থাকা আমার জন্য খুবই আনন্দের। 

আমার এই প্রকাশনার সাথে যুক্ত আমার গবেষণা টিমের সকল সদস্য, সহকর্মী, গবেষণা সহযোগী, গবেষণা অনুদান প্রদানকারী সংস্থা, বাকৃবি এবং আমার পরিবারের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। 

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাঙ্কিং নির্ধারণে স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‌্যাঙ্কিং সিস্টেমে মোট স্কোরের অর্ধেকেরও বেশি তথ্য সরাসরি স্কোপাস ডাটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৯ জানুয়ারি, ২০২৬,  9:37 PM

news image

বিশ্বব্যাপী বৈজ্ঞানিক গবেষণার মান ও গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ডাটাবেজ স্কোপাস। গবেষকদের গবেষণাপত্র মানসম্মত জার্নালে প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর র‌্যাংকিং প্রকাশ করে থাকে স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল। 

এ বছর জানুয়ারিতে প্রকাশিত র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সেরা গবেষক হিসেবে দশজন গবেষকের নাম প্রকাশিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন এ কথা জানিয়েছেন।

২০২৫ সালে মানসম্মত জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাকৃবির নয়জন শিক্ষক ও একজন সাবেক শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালেও ছিলো নয়জন শিক্ষক ও একজন সাবেক শিক্ষার্থী। 

এছর নতুন করে স্থান করে নিয়েছে ৪ জন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী।

জানা যায়, স্কোপাস ও ওয়েব অব সায়েন্স মূলত বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলোর গুণগত মান যাচাই করে সেগুলোকে ইনডেক্সভুক্ত করে। এসব ডাটাবেজে প্রকাশিত গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোপাস ডাটাবেজে প্রতিটি গবেষকের জন্য একটি স্বতন্ত্র স্কোপাস আইডি তৈরি করা হয়, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট বছরে একজন গবেষকের প্রকাশনা ও গবেষণা কার্যক্রমের নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষিত থাকে।

স্কোপাস ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে বাকৃবির সেরা ১০ গবেষক হলেন, অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক  ড. মো. গোলজার হোসেন, এগ্রিকালচারাল ইকোনমিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগম,মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহা , এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান,  ফার্ম পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনারি বিভাগের অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা  এবং ইরিগেশন অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক  ড. এ. কে. এম. আদহাম ও  সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম।

মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক  ড. মো. গোলজার হোসেন অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক এবং গবেষক হিসেবে একাডেমিক কাজের পাশাপাশি গবেষণা করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বছর শেষে বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা এবং প্যাটেন্ট হলো একজন গবেষকের সাফল্যের অন্যতম মানদণ্ড। সেই দিক থেকে, বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০-এর অধিক শিক্ষকের মধ্যে স্কোপাস-ভিত্তিক জার্নালে ২০২৫ সালের প্রকাশনার সংখ্যা অনুযায়ী তৃতীয় স্থানে থাকা আমার জন্য খুবই আনন্দের। 

আমার এই প্রকাশনার সাথে যুক্ত আমার গবেষণা টিমের সকল সদস্য, সহকর্মী, গবেষণা সহযোগী, গবেষণা অনুদান প্রদানকারী সংস্থা, বাকৃবি এবং আমার পরিবারের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। 

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাঙ্কিং নির্ধারণে স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‌্যাঙ্কিং সিস্টেমে মোট স্কোরের অর্ধেকেরও বেশি তথ্য সরাসরি স্কোপাস ডাটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়।