এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 9:58 PM
এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ
চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্রের প্রশ্নপত্রে মারাত্মক ত্রুটি ও অসঙ্গতির অভিযোগে প্রশ্ন পরিশোধনের (মডারেটর) দায়িত্বে থাকা চারজন কলেজ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেট ইন্টারমিডিয়েট ও সেকেন্ডারি এডুকেশন বোর্ডের এক জরুরি চিঠিতে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়।
নোটিশ প্রাপ্ত শিক্ষকেরা হলেন— মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, সিলেট এমসি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে পাঠানো ওই কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই (সোমবার) সকালের পরীক্ষা চলাকালীন পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটি থাকার কারণে পরীক্ষার হলে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের চরম বিভ্রান্তি ও মারাত্মক মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।
নোটিশে বোর্ড কর্তৃপক্ষ আরও উল্লেখ করে, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও প্রশ্নপত্র পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের মারাত্মক ত্রুটি বা অসঙ্গতি থেকে যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল। এ ধরনের অপেশাদার কাজের ফলে ঐতিহ্যবাহী সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।
প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি ও অবহেলার কারণে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার সন্তোষজনক জবাব আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে সিলেট বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 9:58 PM
চলমান এইচএসসি পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্রের প্রশ্নপত্রে মারাত্মক ত্রুটি ও অসঙ্গতির অভিযোগে প্রশ্ন পরিশোধনের (মডারেটর) দায়িত্বে থাকা চারজন কলেজ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সিলেট ইন্টারমিডিয়েট ও সেকেন্ডারি এডুকেশন বোর্ডের এক জরুরি চিঠিতে এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা জানানো হয়।
নোটিশ প্রাপ্ত শিক্ষকেরা হলেন— মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক কাজী জুনায়েদ আল আমিন, সিলেট এমসি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছাদ্দেক হোসেন খান এবং সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে পাঠানো ওই কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়, গত ১৩ জুলাই (সোমবার) সকালের পরীক্ষা চলাকালীন পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১ম পত্রের সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে গুরুতর ত্রুটি ও অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রশ্নপত্রে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটি থাকার কারণে পরীক্ষার হলে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের চরম বিভ্রান্তি ও মারাত্মক মানসিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে।
নোটিশে বোর্ড কর্তৃপক্ষ আরও উল্লেখ করে, একজন দায়িত্বশীল শিক্ষক ও প্রশ্নপত্র পরিশোধক হিসেবে প্রশ্নপত্রে এই ধরনের মারাত্মক ত্রুটি বা অসঙ্গতি থেকে যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা এবং পেশাগত কর্তব্যে অবহেলার শামিল। এ ধরনের অপেশাদার কাজের ফলে ঐতিহ্যবাহী সিলেট শিক্ষা বোর্ডের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।
প্রশ্নপত্র পরিশোধনে এমন গুরুতর ত্রুটি ও অবহেলার কারণে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার সন্তোষজনক জবাব আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে সিলেট বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।