ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের মতো সিদ্ধান্ত আর দেখতে চাই না : আসিফ মাহমুদ

#
news image

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের মতো হঠাৎ করে কোনো সারপ্রাইজ সিদ্ধান্ত আর দেখতে চাই না বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে অনেকবার কথা বলেছি। এখন পর্যন্ত আমাদের দিক থেকে মূল প্রায়োরিটি ছিল যে, একটি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করার জন্য নির্বাচন কমিশন এবং সরকারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো। আমাদের জোটের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেও যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল (রোববার) মোবাইল ফোনের যে বিষয়টি দেখলাম, এরকম সারপ্রাইজ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে আমরা আজকে এসে তাদের (কমিশনের) সাথে আলোচনা করেছি। আমি মনে করি, নির্বাচন কমিশনের এমন কমিউনিকেশন গ্যাপ এবং এই ধরনের সারপ্রাইজ কোনো সিদ্ধান্ত যদি আর সামনে না আসে, তাহলে আমরা হয়ত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে যেতে পারবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে নানা বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিলেও সেটার কোনো উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের একটি টাস্ক ফোর্স থাকা প্রয়োজন ছিল, যাতে অভিযোগগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে একটি জবাব দেওয়া যায়।’

এনসিপির মুখপাত্র আরও বলেন, ‘কোনো অফিসারের ব্যাকগ্রাউন্ড কী, তা ইসির একার পক্ষে জানার সুযোগ নেই। তাই জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, যা আমরা পাইনি। তবে আজ আমরা সুনির্দিষ্ট অনেকগুলো অভিযোগ ও কর্মকর্তার বিষয়ে কমিশনকে বলেছি। আশা করি এ বিষয়ে দ্রুত ফল পাবো।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিএনসিসিকে কেন্দ্রে না রাখার বিষয়ে কথা শুনেছিলাম। তবে কমিশন আজ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে। আমাদের স্পষ্ট দাবি থাকবে, বিএনসিসি যেন কেন্দ্রে থাকে। যেহেতু এবারের নির্বাচনটা একটু ভিন্ন হতে যাচ্ছে, তাই এক্সট্রা ফোর্স থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজে দেবে।’

উল্লেখ্য, আজ বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নির্বাচন কমিশনে আসেন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। এ সময় জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং দলটির মিডিয়া উইংয়ের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  8:57 PM

news image

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের মতো হঠাৎ করে কোনো সারপ্রাইজ সিদ্ধান্ত আর দেখতে চাই না বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে অনেকবার কথা বলেছি। এখন পর্যন্ত আমাদের দিক থেকে মূল প্রায়োরিটি ছিল যে, একটি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করার জন্য নির্বাচন কমিশন এবং সরকারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো। আমাদের জোটের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেও যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল (রোববার) মোবাইল ফোনের যে বিষয়টি দেখলাম, এরকম সারপ্রাইজ বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে আমরা আজকে এসে তাদের (কমিশনের) সাথে আলোচনা করেছি। আমি মনে করি, নির্বাচন কমিশনের এমন কমিউনিকেশন গ্যাপ এবং এই ধরনের সারপ্রাইজ কোনো সিদ্ধান্ত যদি আর সামনে না আসে, তাহলে আমরা হয়ত একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে যেতে পারবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা বিভিন্ন কর্মকর্তার কাছে নানা বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দিলেও সেটার কোনো উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের একটি টাস্ক ফোর্স থাকা প্রয়োজন ছিল, যাতে অভিযোগগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করে একটি জবাব দেওয়া যায়।’

এনসিপির মুখপাত্র আরও বলেন, ‘কোনো অফিসারের ব্যাকগ্রাউন্ড কী, তা ইসির একার পক্ষে জানার সুযোগ নেই। তাই জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, যা আমরা পাইনি। তবে আজ আমরা সুনির্দিষ্ট অনেকগুলো অভিযোগ ও কর্মকর্তার বিষয়ে কমিশনকে বলেছি। আশা করি এ বিষয়ে দ্রুত ফল পাবো।’

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিএনসিসিকে কেন্দ্রে না রাখার বিষয়ে কথা শুনেছিলাম। তবে কমিশন আজ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে। আমাদের স্পষ্ট দাবি থাকবে, বিএনসিসি যেন কেন্দ্রে থাকে। যেহেতু এবারের নির্বাচনটা একটু ভিন্ন হতে যাচ্ছে, তাই এক্সট্রা ফোর্স থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজে দেবে।’

উল্লেখ্য, আজ বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে নির্বাচন কমিশনে আসেন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। এ সময় জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং দলটির মিডিয়া উইংয়ের প্রধান এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।