ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

ফরিদপুরে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

#
news image

ফরিদপুর এর ভাঙ্গা উপজেলায় নিজের ১৬ বছর বয়সী কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে পিতা মোস্তফা মোল্লা (৪২)–কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
 
মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত মোস্তফা মোল্লা উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়ন এর বড়পাল্লা গ্রামের বাসিন্দা।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে মোস্তফা মোল্লা এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী নারীকে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস শুরু করেন। ওই সংসারে তাদের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি নিজের বড় মেয়েকে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি ভুক্তভোগী তার মাকে জানালেও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
পরবর্তীতে মোস্তফা গা ঢাকা দিলেও এক মাস পর ফিরে এসে পুনরায় মেয়েটিকে ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন চালাতে থাকেন। ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ বিকেলে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা চালালে ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় মেয়ের মামা মো. বাবুল আলী বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।
 
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সিরাজুল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
 
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে তাকে পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনাকারী পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “এই ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক এবং সামাজিক অবক্ষয়ের চরম বহিঃপ্রকাশ। এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে একটি কড়া বার্তা পৌঁছাবে।”

বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  9:29 PM

news image

ফরিদপুর এর ভাঙ্গা উপজেলায় নিজের ১৬ বছর বয়সী কন্যাকে ধর্ষণের দায়ে পিতা মোস্তফা মোল্লা (৪২)–কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
 
মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত মোস্তফা মোল্লা উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়ন এর বড়পাল্লা গ্রামের বাসিন্দা।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে মোস্তফা মোল্লা এক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী নারীকে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস শুরু করেন। ওই সংসারে তাদের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি নিজের বড় মেয়েকে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি ভুক্তভোগী তার মাকে জানালেও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি।
পরবর্তীতে মোস্তফা গা ঢাকা দিলেও এক মাস পর ফিরে এসে পুনরায় মেয়েটিকে ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন চালাতে থাকেন। ২০২৫ সালের ২৯ মার্চ বিকেলে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা চালালে ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় মেয়ের মামা মো. বাবুল আলী বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।
 
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. সিরাজুল ইসলাম তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
 
রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে তাকে পুলিশ পাহারায় ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনাকারী পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “এই ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক এবং সামাজিক অবক্ষয়ের চরম বহিঃপ্রকাশ। এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে একটি কড়া বার্তা পৌঁছাবে।”