সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আরও ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৩ জুলাই, ২০২৬, 9:51 PM
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় আরও ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল) থেকে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে আরও চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
আজ সোমবার (১৩ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আজ দুদকের পক্ষ থেকে চারজন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। তাঁদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরা শেষে বিজ্ঞ আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।
মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুযায়ী, সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘আরামিট গ্রুপ’-এর প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে কাগজ-কলমে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মালিক দেখানো হয়। পরবর্তীতে প্রভাব খাটিয়ে সেই ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকার মোটা অঙ্কের ঋণ অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পর সেই অর্থ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ তাঁর নিজস্ব কর্মচারীদের মাধ্যমে বিভিন্ন দফায় উত্তোলন করেন এবং পরবর্তীতে হুন্ডির মাধ্যমে তা বিদেশে পাচার করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ ক্রয় ও বিনিয়োগে ব্যবহার করেন। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই বিপুল অর্থ লোপাট ও পাচারের ঘটনাটি ঘটে।
মেগা এই অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী ও ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুখমীলা জামান, ব্যাংকের সাবেক পরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৩৬ জনকে চূড়ান্তভাবে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, বিগত ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন।
দুদক সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই দায়ের হওয়া এই মামলায় শুরুতে ৩১ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হলেও তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে আরও সাতজনের সুনির্দিষ্ট সম্পৃক্ততা পাওয়ায় অভিযোগপত্রে আসামির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তবে চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে ইতিমধ্যে দুই আসামির মৃত্যু হওয়ায় তাঁদের বিচারিক কার্যক্রমের দায় থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে মামলার কার্যকর আসামির সংখ্যা ৩৬ জন। এই মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে মোট ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৩ জুলাই, ২০২৬, 9:51 PM
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল) থেকে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে আরও চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় মোট ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
আজ সোমবার (১৩ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আজ দুদকের পক্ষ থেকে চারজন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। তাঁদের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরা শেষে বিজ্ঞ আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।
মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুযায়ী, সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘আরামিট গ্রুপ’-এর প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে কাগজ-কলমে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মালিক দেখানো হয়। পরবর্তীতে প্রভাব খাটিয়ে সেই ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ইউসিবিএল ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকার মোটা অঙ্কের ঋণ অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পর সেই অর্থ সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ তাঁর নিজস্ব কর্মচারীদের মাধ্যমে বিভিন্ন দফায় উত্তোলন করেন এবং পরবর্তীতে হুন্ডির মাধ্যমে তা বিদেশে পাচার করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ ক্রয় ও বিনিয়োগে ব্যবহার করেন। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে, ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই বিপুল অর্থ লোপাট ও পাচারের ঘটনাটি ঘটে।
মেগা এই অর্থ কেলেঙ্কারির মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী ও ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুখমীলা জামান, ব্যাংকের সাবেক পরিচালক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তাসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৩৬ জনকে চূড়ান্তভাবে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, বিগত ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন।
দুদক সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই দায়ের হওয়া এই মামলায় শুরুতে ৩১ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হলেও তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে আরও সাতজনের সুনির্দিষ্ট সম্পৃক্ততা পাওয়ায় অভিযোগপত্রে আসামির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তবে চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে ইতিমধ্যে দুই আসামির মৃত্যু হওয়ায় তাঁদের বিচারিক কার্যক্রমের দায় থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে মামলার কার্যকর আসামির সংখ্যা ৩৬ জন। এই মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে মোট ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।