কোনাবাড়িতে বসতবাড়ী ভাংচুর নগদ অর্থ ও স্বর্ণলংকার লুট
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 9:40 PM
কোনাবাড়িতে বসতবাড়ী ভাংচুর নগদ অর্থ ও স্বর্ণলংকার লুট
সবাই যখন তারাবি নামাজ পড়া নিয়ে ব্যস্ত,ঠিক তখনই একদল সন্ত্রাসী ৩০-৪০ জন মিলে বসত বাড়ি ভাংচুর করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণলংকার লুটপাট করে নিয়ে যায়।
প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নান্নু মিয়া (৫২) এ বিষয়ে কোনাবাড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগী।
এ ব্যাপারে নান্নু মিয়া বলেন ২৭ শে ফেব্রুয়ারী রাত ৯ ঘটিকার সময় আমার ভাগিনা একলাছ এর সাথে সামিন,এনামুল,মতি,মোস্তফা,আক্তার, মুক্তার, রানা,বাদশা,রকি,কায়সার,রাজু সহ অজ্ঞাত ৩০/৪০ জন তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে সামান্য বিষয় নিয়ে কথা কটাকাটি হলে, ওরা আমার ভাগিনাকে লোহার রোড ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে ফেলে। উপরোক্ত বিষয়টি নিয়ে আমি তাদের ও আমার ভাগিনার মধ্যে মীমাংসা করতে গেলে, তারা কোন মীমাংসা করবে না বলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার সাথেও মারমুখী আচরণ করে।
নান্নু নিয়া আরও বলেন,তাদের আচরণে আমি আমার উল্লেখিত বাসায় চলে আসলে, তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া, রাত আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় তারা বাসায় এসে এলাকার বাখাটে অজ্ঞাতনামা ৩৫-৪০ জন ছেলে, হাতে লোহার রোড, কাঠের লাঠি, প্লাস্টিকের পাইপ নিয়ে এসে অতর্কিত হামলা করে, আমার বাসার নিচে কয়েকটি দোকানের সাটার, আমার বাসার কয়েকটি থাই গ্লাস ভাংচুর ও আমার বাসায় প্রবেশ করে আমার বাসা ভাংচুর করে ঘরে থাকা নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা, আমার স্ত্রীর ০৫ ভরি ওজনের স্বর্ণের জিনিসপত্র, যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এই অবস্থায় আমি কোনাবাড়ি মেট্রোথানায় এজাহার দায়ের করি উপরোক্ত ব্যাক্তগনের বিরুদ্ধে।
নান্নু মিয়া আরও বলেন,আমি বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগতেছি,প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
ভবিষ্যতে যাতে করে এ ধরনের আচরণ কারো সাথে না করে এমনটাই দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নান্নু মিয়ার সহধর্মিণী শিল্পী আক্তার।
তিনি বলেন,এই ছেলেগুলো সব সময় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে থাকে,তাদের কেউ এলাকার লোক নয়,তারা সংবদ্ধ বাসা ভাড়া করে থাকে,তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনার জোড় দাবি জানিয়েছেন শিল্পী আক্তার।
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 9:40 PM
সবাই যখন তারাবি নামাজ পড়া নিয়ে ব্যস্ত,ঠিক তখনই একদল সন্ত্রাসী ৩০-৪০ জন মিলে বসত বাড়ি ভাংচুর করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণলংকার লুটপাট করে নিয়ে যায়।
প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নান্নু মিয়া (৫২) এ বিষয়ে কোনাবাড়ি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগী।
এ ব্যাপারে নান্নু মিয়া বলেন ২৭ শে ফেব্রুয়ারী রাত ৯ ঘটিকার সময় আমার ভাগিনা একলাছ এর সাথে সামিন,এনামুল,মতি,মোস্তফা,আক্তার, মুক্তার, রানা,বাদশা,রকি,কায়সার,রাজু সহ অজ্ঞাত ৩০/৪০ জন তুচ্ছ ঘটনা কেন্দ্র করে সামান্য বিষয় নিয়ে কথা কটাকাটি হলে, ওরা আমার ভাগিনাকে লোহার রোড ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে ফেলে। উপরোক্ত বিষয়টি নিয়ে আমি তাদের ও আমার ভাগিনার মধ্যে মীমাংসা করতে গেলে, তারা কোন মীমাংসা করবে না বলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার সাথেও মারমুখী আচরণ করে।
নান্নু নিয়া আরও বলেন,তাদের আচরণে আমি আমার উল্লেখিত বাসায় চলে আসলে, তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া, রাত আনুমানিক ০৯.০০ ঘটিকার সময় তারা বাসায় এসে এলাকার বাখাটে অজ্ঞাতনামা ৩৫-৪০ জন ছেলে, হাতে লোহার রোড, কাঠের লাঠি, প্লাস্টিকের পাইপ নিয়ে এসে অতর্কিত হামলা করে, আমার বাসার নিচে কয়েকটি দোকানের সাটার, আমার বাসার কয়েকটি থাই গ্লাস ভাংচুর ও আমার বাসায় প্রবেশ করে আমার বাসা ভাংচুর করে ঘরে থাকা নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা, আমার স্ত্রীর ০৫ ভরি ওজনের স্বর্ণের জিনিসপত্র, যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
এই অবস্থায় আমি কোনাবাড়ি মেট্রোথানায় এজাহার দায়ের করি উপরোক্ত ব্যাক্তগনের বিরুদ্ধে।
নান্নু মিয়া আরও বলেন,আমি বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগতেছি,প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।
ভবিষ্যতে যাতে করে এ ধরনের আচরণ কারো সাথে না করে এমনটাই দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নান্নু মিয়ার সহধর্মিণী শিল্পী আক্তার।
তিনি বলেন,এই ছেলেগুলো সব সময় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে থাকে,তাদের কেউ এলাকার লোক নয়,তারা সংবদ্ধ বাসা ভাড়া করে থাকে,তাদের অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনার জোড় দাবি জানিয়েছেন শিল্পী আক্তার।