বসুরহাট নিত্যানন্দ মোড় অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
০১ মার্চ, ২০২৬, 10:17 PM
বসুরহাট নিত্যানন্দ মোড় অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি
নোয়াখালীর বসুরহাট বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল নিত্যানন্দ মোড় অব্যবস্থাপনার কারণে ফের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ে মোড়টি সম্প্রসারণ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
একসময় মোড়টি ছিল সংকীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। সড়কের পাশ ঘেঁষে গড়ে ওঠা ব্যক্তিমালিকানাধীন দোকানঘর অধিগ্রহণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়। পরে মোড় প্রশস্ত করা হয় যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ভিন্ন।
বর্তমানে মোড়জুড়ে সিএনজি অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত অবস্থান নিত্যদিনের দৃশ্য। নির্ধারিত স্ট্যান্ড থাকলেও চালকেরা সড়কের মাঝেই যাত্রী ওঠানামা করান। এতে বাজারমুখী যানবাহন ও আন্তঃউপজেলা সড়কে চলাচলকারী বাস-ট্রাকের গতি ব্যাহত হয়। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ছাড়া মোড়ে কার্যকর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই। জেব্রা ক্রসিং, গতিনিয়ন্ত্রণ চিহ্ন ও দৃশ্যমান সাইনবোর্ডের অভাব রয়েছে। ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের সড়ক দিয়েই চলাচল করতে হয়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান,অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শৃঙ্খলার অভাবে মোড়টি এখন ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত মনিটরিং, ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি এবং সিএনজির জন্য নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্ধারণ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
পথচারীদের দাবি, কেবল সড়ক প্রশস্ত করলেই সমস্যার সমাধান হয় না; প্রয়োজন সমন্বিত ব্যবস্থাপনা। স্থানীয় প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ ও সড়ক বিভাগ যৌথভাবে উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় ও স্থানীয়দের ত্যাগের বিনিময়ে সম্প্রসারিত নিত্যানন্দ মোড় আজও যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকে মুক্ত নয়। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা।
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
০১ মার্চ, ২০২৬, 10:17 PM
নোয়াখালীর বসুরহাট বাজারের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল নিত্যানন্দ মোড় অব্যবস্থাপনার কারণে ফের যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয়ে মোড়টি সম্প্রসারণ করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থাপনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
একসময় মোড়টি ছিল সংকীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। সড়কের পাশ ঘেঁষে গড়ে ওঠা ব্যক্তিমালিকানাধীন দোকানঘর অধিগ্রহণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়। পরে মোড় প্রশস্ত করা হয় যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্যে। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ভিন্ন।
বর্তমানে মোড়জুড়ে সিএনজি অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত অবস্থান নিত্যদিনের দৃশ্য। নির্ধারিত স্ট্যান্ড থাকলেও চালকেরা সড়কের মাঝেই যাত্রী ওঠানামা করান। এতে বাজারমুখী যানবাহন ও আন্তঃউপজেলা সড়কে চলাচলকারী বাস-ট্রাকের গতি ব্যাহত হয়। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ছাড়া মোড়ে কার্যকর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেই। জেব্রা ক্রসিং, গতিনিয়ন্ত্রণ চিহ্ন ও দৃশ্যমান সাইনবোর্ডের অভাব রয়েছে। ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় পথচারীদের সড়ক দিয়েই চলাচল করতে হয়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান,অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শৃঙ্খলার অভাবে মোড়টি এখন ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। তাদের মতে, নিয়মিত মনিটরিং, ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি এবং সিএনজির জন্য নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নির্ধারণ ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
পথচারীদের দাবি, কেবল সড়ক প্রশস্ত করলেই সমস্যার সমাধান হয় না; প্রয়োজন সমন্বিত ব্যবস্থাপনা। স্থানীয় প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ ও সড়ক বিভাগ যৌথভাবে উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় ও স্থানীয়দের ত্যাগের বিনিময়ে সম্প্রসারিত নিত্যানন্দ মোড় আজও যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকে মুক্ত নয়। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা।
সম্পর্কিত