ঢাকা ০৩ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
নোয়াখালী সদরে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড জমকালো আয়োজনে ফটিকছড়ি প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল ঈদে যাত্রী সেবার  মান বাড়াতে ১১২টি কোচ যুক্ত করা হচ্ছে রেলে ডেটা চার্জ ছাড়াই ইমোর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রিয়জনদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বাংলালিংকের গ্রাহকেরা 'চরপার্বতীতে পানের বরজ ভাঙচুরের অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ' বড়লেখায় অবৈধ  বালু উত্তোলন ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীর সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার বিচার কবে ? কয়রা উপজেলাতে কাবিটা প্রকল্পে দুর্নীতি, তিন লাখ টাকার কাজে ব্যয় মাত্র ৪০ হাজার আমিরাতে ইরানের হামলায় নিহত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত অবৈধভাবে বদরগঞ্জে নদী থেকে বিএনপি-আওয়ামীলীগ নেতাদের বালু উত্তোলন

আমিরাতে ইরানের হামলায় নিহত বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

#
news image

নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখার আহমদ আলী ওরফে ছালেহ আহমেদ। 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখার আহমদ আলী ওরফে ছালেহ আহমেদের (৪৮) বাড়িতে বইছে শোকের মাতম। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তাকে হারিয়ে দিশেহারা নিহতের স্ত্রী-সন্তানরা।

এ ছাড়া ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রবিবার (১ মার্চ ) রাত ৯টায় নিহতের স্বজনরা ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। 

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ছালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করেন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালাতেন। শনিবার তিনি নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পানির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে ছালেহ আহমেদসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের স্বজনদের দাবি, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ছালেহ আহমেদ মারা গেছেন। তিনি বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। 
ছালেহ আহমেদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম রবিবার রাতে মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার থেকেই তারা ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। তবে রবিবার দুপুরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা নিহতের ভাইয়েরা মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ছালেহ আহমেদ কীভাবে মারা গেলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা শুনেছেন ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য যাচ্ছেন।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান জানান, ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর তিনি শুনে দুপুরে তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তাকে হারিয়ে দিশেহারা নিহতের স্ত্রী-সন্তানরা। এ ছাড়া ছালেহর নিহতের খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

০৩ মার্চ, ২০২৬,  2:54 AM

news image

নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখার আহমদ আলী ওরফে ছালেহ আহমেদ। 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত মৌলভীবাজারের বড়লেখার আহমদ আলী ওরফে ছালেহ আহমেদের (৪৮) বাড়িতে বইছে শোকের মাতম। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তাকে হারিয়ে দিশেহারা নিহতের স্ত্রী-সন্তানরা।

এ ছাড়া ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রবিবার (১ মার্চ ) রাত ৯টায় নিহতের স্বজনরা ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। 

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ছালেহ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করেন। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালাতেন। শনিবার তিনি নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পানির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে ছালেহ আহমেদসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের স্বজনদের দাবি, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ছালেহ আহমেদ মারা গেছেন। তিনি বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে। তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। 
ছালেহ আহমেদের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম রবিবার রাতে মোবাইল ফোনে জানান, শনিবার থেকেই তারা ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। তবে রবিবার দুপুরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা নিহতের ভাইয়েরা মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ছালেহ আহমেদ কীভাবে মারা গেলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা শুনেছেন ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য যাচ্ছেন।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান জানান, ছালেহ আহমেদের মৃত্যুর খবর তিনি শুনে দুপুরে তাদের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তাকে হারিয়ে দিশেহারা নিহতের স্ত্রী-সন্তানরা। এ ছাড়া ছালেহর নিহতের খবরে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।