নাসিরনগরের ধরমন্ডল ইউনিয়ন—অবহেলায় থমকে আছে ৩৫ হাজার মানুষের জীবন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 12:06 AM
নাসিরনগরের ধরমন্ডল ইউনিয়ন—অবহেলায় থমকে আছে ৩৫ হাজার মানুষের জীবন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়ন, প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস এই জনপদে। ৯টি ওয়ার্ড ও ৫টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এই ইউনিয়নটি দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়নের দিক থেকে চরম অবহেলার শিকার।
ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। এলাকাবাসীর যাতায়াতের প্রধান ভরসা মুক্তি সড়কটি চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপযোগী। বর্ষা মৌসুম এলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ইউনিয়নের একটি রাস্তাও তখন চলাচলের উপযোগী থাকে না, ফলে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্বাস্থ্যসেবার চিত্রও অত্যন্ত হতাশাজনক। ইউনিয়নে কোনো হাসপাতাল নেই। একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকলেও সেটি বছরের বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর অবস্থাও নাজেহাল, যেখানে নিয়মিত সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ফলে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী এলাকায় ছুটতে হয়।
শিক্ষা খাতেও বিরাজ করছে স্থবিরতা। হাতে গোনা এক-দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যত বন্ধের উপক্রম। ইউনিয়নে একটি মাত্র উচ্চ বিদ্যালয় থাকলেও সেখানে শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়, রয়েছে প্রকট শিক্ষক সংকট। পাশাপাশি কোনো দাখিল মাদ্রাসা নেই; যা আছে তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত। কওমি মাদ্রাসা থাকলেও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ সেখানে গড়ে ওঠেনি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে নেই প্রয়োজনীয় সদিচ্ছা ও স্বচ্ছতা। উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও জবাবদিহির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই অবস্থায় ধরমন্ডল ইউনিয়নের বাসিন্দারা মনে করেন, তাদের এই জনপদের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এই অবহেলিত ইউনিয়নটিও উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
১২ এপ্রিল, ২০২৬, 12:06 AM
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়ন, প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের বসবাস এই জনপদে। ৯টি ওয়ার্ড ও ৫টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এই ইউনিয়নটি দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়নের দিক থেকে চরম অবহেলার শিকার।
ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। এলাকাবাসীর যাতায়াতের প্রধান ভরসা মুক্তি সড়কটি চলাচলের জন্য একেবারেই অনুপযোগী। বর্ষা মৌসুম এলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। ইউনিয়নের একটি রাস্তাও তখন চলাচলের উপযোগী থাকে না, ফলে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
স্বাস্থ্যসেবার চিত্রও অত্যন্ত হতাশাজনক। ইউনিয়নে কোনো হাসপাতাল নেই। একটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকলেও সেটি বছরের বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর অবস্থাও নাজেহাল, যেখানে নিয়মিত সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব। ফলে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী এলাকায় ছুটতে হয়।
শিক্ষা খাতেও বিরাজ করছে স্থবিরতা। হাতে গোনা এক-দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়া অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যত বন্ধের উপক্রম। ইউনিয়নে একটি মাত্র উচ্চ বিদ্যালয় থাকলেও সেখানে শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়, রয়েছে প্রকট শিক্ষক সংকট। পাশাপাশি কোনো দাখিল মাদ্রাসা নেই; যা আছে তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত। কওমি মাদ্রাসা থাকলেও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ সেখানে গড়ে ওঠেনি।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে নেই প্রয়োজনীয় সদিচ্ছা ও স্বচ্ছতা। উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার ও জবাবদিহির অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই অবস্থায় ধরমন্ডল ইউনিয়নের বাসিন্দারা মনে করেন, তাদের এই জনপদের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সৎ, শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এই অবহেলিত ইউনিয়নটিও উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।