ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

প্রশ্নপত্র বিতরণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি মেনে চলছে সরকার : মাহদী আমিন

#
news image

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের অপতৎপরতা রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’

আজ (রোববার) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন জানান, প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে ভুয়া প্রশ্ন সাজিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত কয়েক দিনে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো চক্র অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

উপদেষ্টা বলেন, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে প্রশ্নফাঁসের যে বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু সেটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নয় বরং সুপরিকল্পিত একটি প্রতারণা। 

চক্রটি প্রথমে টাকা নেয় এবং পরে নানা অজুহাত দিয়ে উধাও হয়ে যায়। এমনকি পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগের রাতে আপলোড করা হয়েছিল বলে দাবি করে শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে।

তিনি আরও জানান, সত্যিকারের প্রমাণ না থাকায় এবং প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলটি নিজ দায়িত্বেই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নিয়েছে।

বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘সেই সময়ে পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস ও মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার ‘আন্দোলনময় শিক্ষা’র যে সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, তা প্রতারণামূলক মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। 

তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৬ এপ্রিল, ২০২৬,  1:04 PM

news image

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি বলেন, ‘একটি অসাধু চক্র ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও নৈতিক অবক্ষয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই ধরনের অপতৎপরতা রোধে সাইবার নজরদারি ও ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।’

আজ (রোববার) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র এসব কথা বলেন।

মাহদী আমিন জানান, প্রশ্নপত্র দেওয়ার নামে ভুয়া প্রশ্ন সাজিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গত কয়েক দিনে প্রতারক চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতারকৃতরা একটি স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু পরীক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছিল। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো চক্র অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’

উপদেষ্টা বলেন, একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদনে প্রশ্নফাঁসের যে বিষয়টি সামনে আসে। কিন্তু সেটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নয় বরং সুপরিকল্পিত একটি প্রতারণা। 

চক্রটি প্রথমে টাকা নেয় এবং পরে নানা অজুহাত দিয়ে উধাও হয়ে যায়। এমনকি পরীক্ষা শুরুর পর প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেটিকে আগের রাতে আপলোড করা হয়েছিল বলে দাবি করে শিক্ষার্থীদের ফাঁদে ফেলে।

তিনি আরও জানান, সত্যিকারের প্রমাণ না থাকায় এবং প্রতিবেদনে ত্রুটি থাকায় সংশ্লিষ্ট টেলিভিশন চ্যানেলটি নিজ দায়িত্বেই প্রতিবেদনটি সরিয়ে নিয়েছে।

বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ‘সেই সময়ে পাঠ্যপুস্তকে বিকৃত ইতিহাস ও মেধার চেয়ে দলীয় আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে বর্তমান নির্বাচিত সরকার শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজাতে সচেষ্ট। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ইতোমধ্যেই বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সরকার ‘আন্দোলনময় শিক্ষা’র যে সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, তা প্রতারণামূলক মানসিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। 

তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেন।