ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

নৌবাহিনীর অভিযানে ৩ কোটি ৪০ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ

#
news image

দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, জাটকা রক্ষা এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ৭০৫ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করেছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ জানিয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিচালিত ‘জাটকা নিধন প্রতিরোধ কার্যক্রম-২০২৬’-এর আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, চাঁদপুর, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও বরগুনাসহ দেশের ৯টি জেলায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযানে অবৈধভাবে জাটকা আহরণ প্রতিরোধ এবং ৪৫ সেন্টিমিটার বা তার কম ফাঁসের নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, মশারি জাল, চায়না দুয়ারি জাল, সুতা জাল ও বাঁধা জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। আটক করা অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হচ্ছে।

এছাড়া অভিযানে বেহুন্দি, টং জাল ও চায়না রিংসহ মোট ৮৬১টি নিষিদ্ধ জাল এবং ৩৭ কেজি জাটকাসহ একটি বোট জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা ছোট আকারের ইলিশ বা জাটকা মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নৌবাহিনী জানিয়েছে, জেলেদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করতে নদী ও উপকূলীয় এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ অভিযান আগামী ১৫ মে পর্যন্ত চলবে।

অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে গত ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ‘৫৮ দিন সকল প্রকার মৎস্য আহরণ বন্ধ কার্যক্রম’ বাস্তবায়নে নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ মোতায়েন রয়েছে। সমুদ্রে টহলের পাশাপাশি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে নিয়মিত আকাশ থেকে নজরদারিও করা হচ্ছে, যাতে দেশি-বিদেশি কোনো নৌযান নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে না পারে।

এ অভিযানে এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ জাল এবং ৪১টি নিষিদ্ধ জাল আটক করা হয়েছে। সরকার ঘোষিত এ কার্যক্রম আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে।

এ ছাড়া ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত দেশের ১৬টি উপকূলীয় জেলায় পরিচালিত ‘বিশেষ কম্বিং অপারেশন-২০২৬’-এ ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ১৬০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে ২ হাজার ৩৫৭টি নিষিদ্ধ জাল, ৫টি বোট এবং ৯০৩ কেজি জাটকা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা বোট স্থানীয় থানায় হস্তান্তর, জব্দ করা জাল ধ্বংস এবং জাটকা স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১০ মে, ২০২৬,  8:39 PM

news image

দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, জাটকা রক্ষা এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী চলমান অভিযানে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ৭০৫ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করেছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ জানিয়েছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিচালিত ‘জাটকা নিধন প্রতিরোধ কার্যক্রম-২০২৬’-এর আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, চাঁদপুর, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও বরগুনাসহ দেশের ৯টি জেলায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অভিযানে অবৈধভাবে জাটকা আহরণ প্রতিরোধ এবং ৪৫ সেন্টিমিটার বা তার কম ফাঁসের নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, মশারি জাল, চায়না দুয়ারি জাল, সুতা জাল ও বাঁধা জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। আটক করা অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হচ্ছে।

এছাড়া অভিযানে বেহুন্দি, টং জাল ও চায়না রিংসহ মোট ৮৬১টি নিষিদ্ধ জাল এবং ৩৭ কেজি জাটকাসহ একটি বোট জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা ছোট আকারের ইলিশ বা জাটকা মৎস্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নৌবাহিনী জানিয়েছে, জেলেদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করতে নদী ও উপকূলীয় এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ অভিযান আগামী ১৫ মে পর্যন্ত চলবে।

অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরে মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে গত ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ‘৫৮ দিন সকল প্রকার মৎস্য আহরণ বন্ধ কার্যক্রম’ বাস্তবায়নে নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ মোতায়েন রয়েছে। সমুদ্রে টহলের পাশাপাশি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে নিয়মিত আকাশ থেকে নজরদারিও করা হচ্ছে, যাতে দেশি-বিদেশি কোনো নৌযান নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে না পারে।

এ অভিযানে এখন পর্যন্ত ২৩ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ জাল এবং ৪১টি নিষিদ্ধ জাল আটক করা হয়েছে। সরকার ঘোষিত এ কার্যক্রম আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে।

এ ছাড়া ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত দেশের ১৬টি উপকূলীয় জেলায় পরিচালিত ‘বিশেষ কম্বিং অপারেশন-২০২৬’-এ ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ১৬০ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। একইসঙ্গে ২ হাজার ৩৫৭টি নিষিদ্ধ জাল, ৫টি বোট এবং ৯০৩ কেজি জাটকা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা বোট স্থানীয় থানায় হস্তান্তর, জব্দ করা জাল ধ্বংস এবং জাটকা স্থানীয় এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।