ঢাকা ১১ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
ফকিরহাটে এসএসসি ও দাখিলে ভালো ফল, ভোকেশনালে হতাশা: জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৫ জন আজমিরীগঞ্জে এসএসসিতে পাসের হার ৫২.৩৭%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন বড়লেখায় দারুল কোরআন মডেল মাদ্রাসার হিফজ সমাপনী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে এসএসসি ও সমমানে ফল বিপর্যয়: তিন প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল ২২ আগস্ট শুরু হচ্ছে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আন্তঃউপজেলা ফুটবল প্রতিযোগিতা সৌদি আরবে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির ১৩ জনই নওগাঁর রামপালে ঘরভাড়া মেটাতে মাথার চুল বিক্রি করলেন অসহায় নারী পিরোজপুরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ: অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিবাদ ১০৩টি ছররা বুলেট শরীরে নিয়ে বেঁচে থাকার এক অবিশ্বাস্য গল্প ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রামপালে ঘরভাড়া মেটাতে মাথার চুল বিক্রি করলেন অসহায় নারী

#
news image

দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাতে ঘরভাড়ার টাকা জোগাড় করতে না পেরে নিজের মাথার চুল বিক্রি করেছেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা রেহানা খাতুন।
জানা গেছে, দুটি অবুঝ সন্তান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চরম অভাব-অনটনে দিন কাটছে তাঁর। প্রতি মাসে ঝুপড়ি ঘরের ৫০০ টাকা ভাড়া মেটাতে না পেরে শেষ সম্বল মাথার চুল বিক্রি করতে বাধ্য হন তিনি। বর্তমানে বাসা ছেড়ে খুলনা-মোংলা রেলপথের পাশে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই নারী। স্থানীয়দের সহায়তায় বাঁশের একটি ফ্রেম দাঁড় করানো হলেও টিন ও বেড়ার অভাবে তা শেষ করা সম্ভব হয়নি।
কান্নাভেজা কণ্ঠে রেহানা বলেন, "সন্তানদের খিদের যন্ত্রণা আর থাকার ঘর না থাকায় নিরুপায় হয়ে চুল বেচে দিয়েছি। এখন শুধু সন্তানদের নিয়ে শান্তিতে ঘুমানোর মতো একটু আশ্রয় চাই।"
স্থানীয়দের দাবি, অনতিবিলম্বে সরকারি আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে রেহানাকে একটি স্থায়ী ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। একই সাথে তাঁর সাহায্যে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তাঁরা।

মোঃ হাফিজুর রহমান, বাগেরহাট প্রতিনিধি:

১০ আগস্ট, ২০২৬,  9:31 PM

news image

দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাতে ঘরভাড়ার টাকা জোগাড় করতে না পেরে নিজের মাথার চুল বিক্রি করেছেন বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের বাসিন্দা রেহানা খাতুন।
জানা গেছে, দুটি অবুঝ সন্তান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চরম অভাব-অনটনে দিন কাটছে তাঁর। প্রতি মাসে ঝুপড়ি ঘরের ৫০০ টাকা ভাড়া মেটাতে না পেরে শেষ সম্বল মাথার চুল বিক্রি করতে বাধ্য হন তিনি। বর্তমানে বাসা ছেড়ে খুলনা-মোংলা রেলপথের পাশে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এই নারী। স্থানীয়দের সহায়তায় বাঁশের একটি ফ্রেম দাঁড় করানো হলেও টিন ও বেড়ার অভাবে তা শেষ করা সম্ভব হয়নি।
কান্নাভেজা কণ্ঠে রেহানা বলেন, "সন্তানদের খিদের যন্ত্রণা আর থাকার ঘর না থাকায় নিরুপায় হয়ে চুল বেচে দিয়েছি। এখন শুধু সন্তানদের নিয়ে শান্তিতে ঘুমানোর মতো একটু আশ্রয় চাই।"
স্থানীয়দের দাবি, অনতিবিলম্বে সরকারি আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে রেহানাকে একটি স্থায়ী ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। একই সাথে তাঁর সাহায্যে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তাঁরা।