ঢাকা ১৩ আগস্ট, ২০২৬
শিরোনামঃ
ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে ৩ নং ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও মাদকমুক্ত করবো - কাবিল মোল্লা  গাজীপুরে বিএনপির নেতাকর্মীদের আয়োজনে আনন্দ ভ্রমন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  বাগেরহাটে দুটি ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন কালিয়াকৈরে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন: স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর স্বীকারোক্তি শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আব্দুল আল মামুন বাবুর প্রার্থিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা যমুনায় ভেটুয়া সেতুর স্বপ্নে নতুন আশার আলো: স্থান পরিদর্শন করল চীনা প্রতিনিধি দল লাখাইয়ে খাঁচায় গাঁজা চাষ, ১ কেজি গাঁজার গাছসহ গ্রেফতার ১ রাসিকের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা মাধবপুরে রঘুনন্দন ছড়ায় প্রকাশ্যে অবৈধ বালু উত্তোলন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ আর আওয়ামী লীগ না করার ঘোষণা গাজীপুর মহানগর নেতা মামুন মণ্ডলের

বাগেরহাটে দুটি ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন

#
news image

বাগেরহাট শহরের পলি ক্লিনিক ও দবির উদ্দিন মেমোরিয়াল ক্লিনিকে চিকিৎসায় অবহেলায় দুই রোগীর মৃত্যুর পৃথক ঘটনায় আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বুধবার (১২ আগস্ট) বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মাহবুবুল আলম এই তদন্ত কমিটি দুটি গঠন করেন।

পলি ক্লিনিকে পিত্তথলির পাথর অপারেশনের পর অপারেশন থিয়েটারে নাসিমা আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় বাগেরহাটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মো. ফারুকুজ্জামান এবং অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. এসকেন্দার।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ওই অপারেশনের অ্যানেস্থেসিয়া দলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন অ্যানেস্থেসিয়া প্রদান করেননি এবং সেখানে প্রয়োজনীয় ডিউটি ডাক্তার বা প্রশিক্ষিত নার্স ছিলেন না। স্বজনদের অভিযোগ, অপচিকিৎসা ও অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে অর্থ সাধার চেষ্টা করে। নিহত নাসিমা আক্তার কচুয়া উপজেলার বারোদাঁড়িয়া গ্রামের সুমন হাওলাদারের স্ত্রী।

অন্যদিকে, গত ৮ আগস্ট দাসপাড়া মোড় এলাকার দবির উদ্দিন মেমোরিয়াল ক্লিনিকে চিকিৎসকদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে আরও একটি দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা হলেন—২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের শিশু বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. শিহান মাহমুদ এবং সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ রিয়াদুজ জামান।

অভিযোগ রয়েছে, নরমাল ডেলিভারির পর নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়লে ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না দিয়ে স্বজনদের ঘোরানো হয়, যার ফলে শিশুটির মৃত্যু ঘটে। উপরন্তু, শিশুটির মরদেহের বিনিময়ে চুক্তি অনুযায়ী ৩ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মাহবুবুল আলম জানান, দুটি পৃথক ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর কোনো অনিয়ম বা চিকিৎসায় অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :

১২ আগস্ট, ২০২৬,  11:14 PM

news image

বাগেরহাট শহরের পলি ক্লিনিক ও দবির উদ্দিন মেমোরিয়াল ক্লিনিকে চিকিৎসায় অবহেলায় দুই রোগীর মৃত্যুর পৃথক ঘটনায় আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বুধবার (১২ আগস্ট) বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মাহবুবুল আলম এই তদন্ত কমিটি দুটি গঠন করেন।

পলি ক্লিনিকে পিত্তথলির পাথর অপারেশনের পর অপারেশন থিয়েটারে নাসিমা আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় বাগেরহাটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান ডা. মো. ফারুকুজ্জামান এবং অ্যানেস্থেসিয়া বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. এসকেন্দার।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ওই অপারেশনের অ্যানেস্থেসিয়া দলে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন অ্যানেস্থেসিয়া প্রদান করেননি এবং সেখানে প্রয়োজনীয় ডিউটি ডাক্তার বা প্রশিক্ষিত নার্স ছিলেন না। স্বজনদের অভিযোগ, অপচিকিৎসা ও অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হলেও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে অর্থ সাধার চেষ্টা করে। নিহত নাসিমা আক্তার কচুয়া উপজেলার বারোদাঁড়িয়া গ্রামের সুমন হাওলাদারের স্ত্রী।

অন্যদিকে, গত ৮ আগস্ট দাসপাড়া মোড় এলাকার দবির উদ্দিন মেমোরিয়াল ক্লিনিকে চিকিৎসকদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে আরও একটি দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা হলেন—২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের শিশু বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. শিহান মাহমুদ এবং সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ রিয়াদুজ জামান।

অভিযোগ রয়েছে, নরমাল ডেলিভারির পর নবজাতক অসুস্থ হয়ে পড়লে ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না দিয়ে স্বজনদের ঘোরানো হয়, যার ফলে শিশুটির মৃত্যু ঘটে। উপরন্তু, শিশুটির মরদেহের বিনিময়ে চুক্তি অনুযায়ী ৩ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মাহবুবুল আলম জানান, দুটি পৃথক ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর কোনো অনিয়ম বা চিকিৎসায় অবহেলার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিক ও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।