ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

স্কুলে প্রধান শিক্ষক একইদিনে প্রশিক্ষন দুই জায়গায়

#
news image

নীলফামারীর ডোমারে প্রভাব খাটিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুটি সরকারি প্রশিক্ষনে অংশগ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  উপজেলা লিডারশিপ টেনিংয়ে অংশগ্রহন করেন ২৫ জন প্রধান শিক্ষক। তারমধ্যে তিনজন প্রধান শিক্ষক তথ্য গোপন করে ভোটার তথ্য সংগ্রহ সুপারভাইজার পদে একইদিনে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। 
 
অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন, পশ্চিম বোড়াগাড়ি ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর। চিকনমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদ হোসেন। উত্তর গোমনাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোবারক আলী,
 
যানা যায়, ডোমার উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে উপজেলা রিসোর্স টেনিং সেন্টারে প্রতি বছর শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। এরমধ্যে গত ০৬ জানুয়ারী থেকে ২০ জানুয়ারী প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন প্রধান শিক্ষকগন। গত ১৫ জানুয়ারী লিডারশীপ টেনিং এ স্বাক্ষর করে। একইদিনে ভোটার তথ্য সংগ্রহ সুপারভাইজার পদে প্রশিক্ষনেরও স্বাক্ষর করেন তারা। প্রশিক্ষণ চলাকালীন অভিযুক্ত তিনজন প্রধান শিক্ষক তথ্য গোপন করে  ভোটার তথ্য সংগ্রহ সুপারভাইজার পদ ও লিডারশীপ টেনিংএ দুই  জায়গায় স্বাক্ষর করে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, পশ্চিম বোড়াগাড়ি ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমি নির্বাচনী ডিউটিতে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। বঞ্চিত ছিলাম সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে। আমি ৯৬ থেকে ৯৮ পর্যন্ত ছাত্রদল করতাম এটাই ছিল আমার অপরাধ৷ আমি বিএনপির আন্ডার গ্রাউন্ড একজন বড় নেতা। তবে একই দিনে দুই জায়গায় স্বাক্ষরের বিষয় তিনি বলেন, একই দিনে দুই জায়গায় স্বাক্ষর করাটি আমার ঠিক হয়নি। আমি এটা নির্বাচন অফিসারের কাছে শেয়ার করব।
 
উপজেলা রিসোর্স টেনিং সেন্টারের
কর্মকর্তা অর্চনা রানী মন্ডল বলেন, আমার এখানে শিক্ষকরা আগে ডেপুটেশন শুরু করেছেন। আমার এখানে ডেপুটিশন থাকা সত্ত্বেও উপজেলা নির্বাচন অফিসার তাদেরকে সিলেক্ট করল কেন? এটা উপজেলা নির্বাচন অফিসার জবাব দিবে। তারা সেদিন এখানে স্বাক্ষর করে চলে যান বিষয়টি আমি পরে জানতে পারি। এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়কে আমি বিষয়টি জানাবো।
 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার নূরে আলম বলেন, ট্রেনিং এর দিন সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত তারা আমার এখানে উপস্থিত ছিল। তারা লিডারশিপ ডেপুটিশনে আছে এটা আমার জানা ছিল না। যদি তারা একদিনে দুজায়গা প্রশিক্ষন নেন তাহলে এখানকার প্রশিক্ষনের বিল তাদের দেওয়া হবে না।

নীলফামারী প্রতিনিধি :

২০ জানুয়ারি, ২০২৫,  10:14 PM

news image

নীলফামারীর ডোমারে প্রভাব খাটিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুটি সরকারি প্রশিক্ষনে অংশগ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।  উপজেলা লিডারশিপ টেনিংয়ে অংশগ্রহন করেন ২৫ জন প্রধান শিক্ষক। তারমধ্যে তিনজন প্রধান শিক্ষক তথ্য গোপন করে ভোটার তথ্য সংগ্রহ সুপারভাইজার পদে একইদিনে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। 
 
অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন, পশ্চিম বোড়াগাড়ি ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর। চিকনমাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদ হোসেন। উত্তর গোমনাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোবারক আলী,
 
যানা যায়, ডোমার উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে উপজেলা রিসোর্স টেনিং সেন্টারে প্রতি বছর শিক্ষকদের বিভিন্ন প্রশিক্ষন দেওয়া হয়। এরমধ্যে গত ০৬ জানুয়ারী থেকে ২০ জানুয়ারী প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন প্রধান শিক্ষকগন। গত ১৫ জানুয়ারী লিডারশীপ টেনিং এ স্বাক্ষর করে। একইদিনে ভোটার তথ্য সংগ্রহ সুপারভাইজার পদে প্রশিক্ষনেরও স্বাক্ষর করেন তারা। প্রশিক্ষণ চলাকালীন অভিযুক্ত তিনজন প্রধান শিক্ষক তথ্য গোপন করে  ভোটার তথ্য সংগ্রহ সুপারভাইজার পদ ও লিডারশীপ টেনিংএ দুই  জায়গায় স্বাক্ষর করে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, পশ্চিম বোড়াগাড়ি ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবীর বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে আমি নির্বাচনী ডিউটিতে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। বঞ্চিত ছিলাম সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকে। আমি ৯৬ থেকে ৯৮ পর্যন্ত ছাত্রদল করতাম এটাই ছিল আমার অপরাধ৷ আমি বিএনপির আন্ডার গ্রাউন্ড একজন বড় নেতা। তবে একই দিনে দুই জায়গায় স্বাক্ষরের বিষয় তিনি বলেন, একই দিনে দুই জায়গায় স্বাক্ষর করাটি আমার ঠিক হয়নি। আমি এটা নির্বাচন অফিসারের কাছে শেয়ার করব।
 
উপজেলা রিসোর্স টেনিং সেন্টারের
কর্মকর্তা অর্চনা রানী মন্ডল বলেন, আমার এখানে শিক্ষকরা আগে ডেপুটেশন শুরু করেছেন। আমার এখানে ডেপুটিশন থাকা সত্ত্বেও উপজেলা নির্বাচন অফিসার তাদেরকে সিলেক্ট করল কেন? এটা উপজেলা নির্বাচন অফিসার জবাব দিবে। তারা সেদিন এখানে স্বাক্ষর করে চলে যান বিষয়টি আমি পরে জানতে পারি। এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয়কে আমি বিষয়টি জানাবো।
 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার নূরে আলম বলেন, ট্রেনিং এর দিন সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত তারা আমার এখানে উপস্থিত ছিল। তারা লিডারশিপ ডেপুটিশনে আছে এটা আমার জানা ছিল না। যদি তারা একদিনে দুজায়গা প্রশিক্ষন নেন তাহলে এখানকার প্রশিক্ষনের বিল তাদের দেওয়া হবে না।