ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

ফুলের রঙে স্বপ্ন বুনছেন রায়গঞ্জের ফুলচাষী রাজ্জাক

#
news image

 ফুল নিয়ে রয়েছে কত শত উপমা, কত সহস্র কবিতা। নানা রঙ ও সৌরভে ফুল মানুষকে আকৃষ্ট করে। বিভিন্ন প্রকার আনুষ্ঠানিকতায় ফুল হলো অপরিহার্য উপকরণ। প্রেম নিবেদনেও প্রকৃষ্ট মাধ্যম হলো ফুল। ফুলপ্রেমিদের হাতে ফুল তুলে দিতে রায়গঞ্জে একজন সফল ফুলচাষী হলেন আব্দুর রাজ্জাক। বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ করে তিনি আর্থিকভাবে হয়েছেন স্বাবলম্বী। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের জয়ানপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাকের ফুলের বাগান। উপজেলার আবহাওয়া ফুল চাষের জন্য অনুকুল। বিভিন্ন দিবসে ফুলের ব্যবহার বাড়ায় ফুলচাষ দিনে দিনে এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আব্দুর রাজ্জাক জানান, চলতি মৌসুমে ২০ শতাংশ জমিতে দেশি ও বিদেশি জাতের গাঁদা ফুলচাষ করেন তিনি। ফুল চাষাবাদে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছিল প্রায় ৫৫ হাজার টাকা। দেড় মাসের মধ্যে ফুলে ফুলে ভরে যায় তার ক্ষেত। তারপর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত ফুল বিক্রি করে আয় করেছেন প্রায় ২০ হাজার টাকা। আরো প্রায় এক লাখ টাকার ফুল বিক্রি হতে পারে। এতে ৪০-৫০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় ও পাশর্^বর্তী এলাকার ফুল ব্যবসায়ীরা তার ক্ষেত থেকে ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে ফুল চাষের সাথে জড়িত। গাঁদা ফুল যে কোন ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়। তবে এঁটেল দো-আঁশ মাটি বেশি উপযুক্ত। এজমি হতে হবে অপেক্ষাকৃত উঁচু, যাতে করে পানি দাঁড়াতে না পারে। আমি কৃষি অফিসের পরামর্শে জমিতে ফুল চাষ করি। আমার সংসার চালাতে এখন আর কোন কষ্ট নেই। তার এই ফুল চাষ দেখে কয়েকজন বেকার যুবককের মাঝেও আগ্রহ দেখা গেছে। তিনি বলেন, কোন সাহায্য পেলে আগামী বছর বেশি করে জমি লিজ নিয়ে গাঁদা ফুলসহ রজনী গন্ধ্যা, জারবারা এবং গ্লাডিউলাস ফুল চাষ করবেন তিনি। রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, ফুল চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। আব্দুর রাজ্জাক এই উপজেলায় একজন সফল ফুল চাষি। তাকে অনুকরণ করে কেউ যদি ফুল চাষে আগ্রহী হয়, আমরা তাকেও সব ধরনের সহযোগিতা করবো। 

 

রাশিদুল হাসান রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ

১৭ জানুয়ারি, ২০২৪,  2:51 PM

news image

 ফুল নিয়ে রয়েছে কত শত উপমা, কত সহস্র কবিতা। নানা রঙ ও সৌরভে ফুল মানুষকে আকৃষ্ট করে। বিভিন্ন প্রকার আনুষ্ঠানিকতায় ফুল হলো অপরিহার্য উপকরণ। প্রেম নিবেদনেও প্রকৃষ্ট মাধ্যম হলো ফুল। ফুলপ্রেমিদের হাতে ফুল তুলে দিতে রায়গঞ্জে একজন সফল ফুলচাষী হলেন আব্দুর রাজ্জাক। বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ করে তিনি আর্থিকভাবে হয়েছেন স্বাবলম্বী। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, রায়গঞ্জের ধানগড়া ইউনিয়নের জয়ানপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রাজ্জাকের ফুলের বাগান। উপজেলার আবহাওয়া ফুল চাষের জন্য অনুকুল। বিভিন্ন দিবসে ফুলের ব্যবহার বাড়ায় ফুলচাষ দিনে দিনে এলাকায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আব্দুর রাজ্জাক জানান, চলতি মৌসুমে ২০ শতাংশ জমিতে দেশি ও বিদেশি জাতের গাঁদা ফুলচাষ করেন তিনি। ফুল চাষাবাদে সব মিলিয়ে খরচ হয়েছিল প্রায় ৫৫ হাজার টাকা। দেড় মাসের মধ্যে ফুলে ফুলে ভরে যায় তার ক্ষেত। তারপর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত ফুল বিক্রি করে আয় করেছেন প্রায় ২০ হাজার টাকা। আরো প্রায় এক লাখ টাকার ফুল বিক্রি হতে পারে। এতে ৪০-৫০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় ও পাশর্^বর্তী এলাকার ফুল ব্যবসায়ীরা তার ক্ষেত থেকে ফুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে ফুল চাষের সাথে জড়িত। গাঁদা ফুল যে কোন ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়। তবে এঁটেল দো-আঁশ মাটি বেশি উপযুক্ত। এজমি হতে হবে অপেক্ষাকৃত উঁচু, যাতে করে পানি দাঁড়াতে না পারে। আমি কৃষি অফিসের পরামর্শে জমিতে ফুল চাষ করি। আমার সংসার চালাতে এখন আর কোন কষ্ট নেই। তার এই ফুল চাষ দেখে কয়েকজন বেকার যুবককের মাঝেও আগ্রহ দেখা গেছে। তিনি বলেন, কোন সাহায্য পেলে আগামী বছর বেশি করে জমি লিজ নিয়ে গাঁদা ফুলসহ রজনী গন্ধ্যা, জারবারা এবং গ্লাডিউলাস ফুল চাষ করবেন তিনি। রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, ফুল চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা। আব্দুর রাজ্জাক এই উপজেলায় একজন সফল ফুল চাষি। তাকে অনুকরণ করে কেউ যদি ফুল চাষে আগ্রহী হয়, আমরা তাকেও সব ধরনের সহযোগিতা করবো।