কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২
নীলফামারী প্রতিনিধি :
১৮ জুলাই, ২০২৬, 9:21 PM
কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২
বিয়েবাড়ির সব আনন্দ মুহূর্তের মধ্যেই রূপ নিলো চিরস্থায়ী বিষাদে। বিয়ে শেষে নতুন কনেকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস খাদে পড়ে গেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৭ মাসের এক শিশু এবং এবারের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বর-কনেসহ গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২ জন।
গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-টেংগনামারী সড়কের শাল্টিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকার জিকরুল ইসলামের ৭ মাস বয়সী শিশুপুত্র জীবন ইসলাম এবং একই এলাকার মোজা মিয়ার ছেলে রিয়াদ ইসলাম (২০)। রিয়াদ এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে নবদম্পতি বর মোরছালিন ও কনে সুমাইয়া আক্তারও রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা বন্দরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোরছালিনের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে বরযাত্রী হিসেবে একটি মাইক্রোবাসযোগে বরসহ প্রায় ১৫ জন কিশোরগঞ্জে এসেছিলেন।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে গভীর রাতে কনেকে নিয়ে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রাত ৩টার দিকে গাড়িটি শাল্টিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। মুহূর্তে মাইক্রোবাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা বর-কনেসহ সবাই গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীল রতন দেব জানান, রাতে ১৪ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই দুইজনের মৃত্যু হয়। বাকি ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুইজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে আহতরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নীলফামারী প্রতিনিধি :
১৮ জুলাই, ২০২৬, 9:21 PM
বিয়েবাড়ির সব আনন্দ মুহূর্তের মধ্যেই রূপ নিলো চিরস্থায়ী বিষাদে। বিয়ে শেষে নতুন কনেকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস খাদে পড়ে গেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৭ মাসের এক শিশু এবং এবারের এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বর-কনেসহ গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১২ জন।
গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কিশোরগঞ্জ-টেংগনামারী সড়কের শাল্টিবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের বন্দরপাড়া এলাকার জিকরুল ইসলামের ৭ মাস বয়সী শিশুপুত্র জীবন ইসলাম এবং একই এলাকার মোজা মিয়ার ছেলে রিয়াদ ইসলাম (২০)। রিয়াদ এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে নবদম্পতি বর মোরছালিন ও কনে সুমাইয়া আক্তারও রয়েছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা বন্দরপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোরছালিনের সঙ্গে কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেশবা গ্রামের শরিফ মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া আক্তারের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে বরযাত্রী হিসেবে একটি মাইক্রোবাসযোগে বরসহ প্রায় ১৫ জন কিশোরগঞ্জে এসেছিলেন।
আনুষ্ঠানিকতা শেষে গভীর রাতে কনেকে নিয়ে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি বরের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রাত ৩টার দিকে গাড়িটি শাল্টিবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। মুহূর্তে মাইক্রোবাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের গভীর খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা বর-কনেসহ সবাই গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীল রতন দেব জানান, রাতে ১৪ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই দুইজনের মৃত্যু হয়। বাকি ১২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত দুইজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে আহতরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।