ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ব্রীজের অভাবে ভোগান্তিতে কয়েক গ্রামের মানুষ

#
news image

নদীর পশ্চিমপাড়ে ১ কিলোমিটার দূরেই হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলা শহর। দুপাশেই রয়েছে সংযোগকারী রাস্তা মাঝখানে বিভক্তকারী খোয়াই নদী। নদীর পূর্বদিকে আব্দাছালিয়া, পরাঝার, আদমপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম।  অথচ মাঝখানে সামান্য একটি ব্রীজের জন্য কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরবর্তী পুরাতন খোয়াই ব্রীজ (পাকুড়িয়া) দিয়ে চুনারুঘাট শহরে যাতায়ত করতে হয়। এতে নিত্যনৈমিত্তিক যানজটের পাশাপাশি নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন চলমান মানুষগুলো। সব থেকে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে কোমলমতি শিশু এবং স্কুল-মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী, বয়স্ক লোক, গর্ভবতী মহিলা এবং অসুস্থ মানুষেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুনারুঘাটের পুরাতন খোয়াই ব্রীজটি (পাকুড়িয়া) ব্যবহার করে নদীর পূর্বপাড়ের সাটিয়াজুরী, রানীগাও, সুন্দরপুর, মীরপুর, গাজীগঞ্জ, আব্দাছালিয়া, গাতাবলা, আইতন, সাত্তালিয়া, নালমুখ, মিরাশী সহ ৩ থেকে ৪ টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ যাতায়ত করেন। যে কারনে পাকুড়িয়ার পুরাতন ব্রীজে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হয়। ব্রীজটি পুরাতন হওয়ায় দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আব্দাছালিয়া দিয়ে যদি খোয়াই নদীর উপরে একটি ব্রীজ নির্মান করা হয় তাহলে প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ সেই ব্রীজ দিয়ে যাতায়ত করতে পারবে। এতে পুরাতন খোয়াই ব্রীজের উপর চাপ যেমন কমবে তেমনি মানুষের ভোগান্তিও কমবে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, আব্দাছালিয়া দিয়ে আগে নৌকা ফেরিঘাট ছিল। তখন আব্দাছালিয়া, গাতাবলা, আদমপুর, পরাঝার, নালমুখ, সাত্তালিয়া সহ ৮ থেকে ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ এদিকে যাতায়ত করতো। স্থানীয়দের উদ্যোগে কয়েকবার সাকোঁ নির্মানের পরিকল্পনা করা হলেও শেষ পর্যন্ত করা সম্ভব হয় নি। আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগনের কাছে দীর্ঘদিন দাবি জানাচ্ছি আব্দাছালিয়া দিয়ে একটি ব্রীজ নির্মান করার জন্য। যেহেতু দুপাশে সংযোগকারী রাস্তা আছে তাই একটি ব্রীজ নির্মান করলেই কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি কমবে।

মোঃ রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

২৮ মার্চ, ২০২৫,  9:44 PM

news image

নদীর পশ্চিমপাড়ে ১ কিলোমিটার দূরেই হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলা শহর। দুপাশেই রয়েছে সংযোগকারী রাস্তা মাঝখানে বিভক্তকারী খোয়াই নদী। নদীর পূর্বদিকে আব্দাছালিয়া, পরাঝার, আদমপুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম।  অথচ মাঝখানে সামান্য একটি ব্রীজের জন্য কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরবর্তী পুরাতন খোয়াই ব্রীজ (পাকুড়িয়া) দিয়ে চুনারুঘাট শহরে যাতায়ত করতে হয়। এতে নিত্যনৈমিত্তিক যানজটের পাশাপাশি নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন চলমান মানুষগুলো। সব থেকে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে কোমলমতি শিশু এবং স্কুল-মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী, বয়স্ক লোক, গর্ভবতী মহিলা এবং অসুস্থ মানুষেরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চুনারুঘাটের পুরাতন খোয়াই ব্রীজটি (পাকুড়িয়া) ব্যবহার করে নদীর পূর্বপাড়ের সাটিয়াজুরী, রানীগাও, সুন্দরপুর, মীরপুর, গাজীগঞ্জ, আব্দাছালিয়া, গাতাবলা, আইতন, সাত্তালিয়া, নালমুখ, মিরাশী সহ ৩ থেকে ৪ টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ যাতায়ত করেন। যে কারনে পাকুড়িয়ার পুরাতন ব্রীজে প্রতিনিয়ত যানজটের সৃষ্টি হয়। ব্রীজটি পুরাতন হওয়ায় দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, আব্দাছালিয়া দিয়ে যদি খোয়াই নদীর উপরে একটি ব্রীজ নির্মান করা হয় তাহলে প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ সেই ব্রীজ দিয়ে যাতায়ত করতে পারবে। এতে পুরাতন খোয়াই ব্রীজের উপর চাপ যেমন কমবে তেমনি মানুষের ভোগান্তিও কমবে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, আব্দাছালিয়া দিয়ে আগে নৌকা ফেরিঘাট ছিল। তখন আব্দাছালিয়া, গাতাবলা, আদমপুর, পরাঝার, নালমুখ, সাত্তালিয়া সহ ৮ থেকে ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ এদিকে যাতায়ত করতো। স্থানীয়দের উদ্যোগে কয়েকবার সাকোঁ নির্মানের পরিকল্পনা করা হলেও শেষ পর্যন্ত করা সম্ভব হয় নি। আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগনের কাছে দীর্ঘদিন দাবি জানাচ্ছি আব্দাছালিয়া দিয়ে একটি ব্রীজ নির্মান করার জন্য। যেহেতু দুপাশে সংযোগকারী রাস্তা আছে তাই একটি ব্রীজ নির্মান করলেই কয়েক হাজার মানুষের ভোগান্তি কমবে।