ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

নরসিংদী ফেসিলিটি ইঞ্জিনিয়ার বশিরের  লালসার শিকার স্কুল শিক্ষিকা শারমিন

#
news image

নরসিংদীর মাধবদীর আলগি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শারমিন রেজোয়ানা  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিত এক মুখ। তবে ফেসবুকে তার আলোচিত মন্তব্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর তো আত্মকাহিনী —একজন নারী নিরুপায় জীবন সংগ্রামের হেরে গেলেন , যিনি নিজেকে স্বাবলম্বী আর দারিদ্র্যে থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য  সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের তার প্রান্তে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বার বার।

আলোচিত শারমিন রেজোয়ানা, বেলাবো উপজেলার নিলিক্ষা গ্রামের মৃত আব্দুল সালেকের মেয়ে। একসময় স্বামী-সংসার ছিল তার,  স্বপ্ন দেখতেন এ সমাজে মানুষের মত মানুষ হয়ে কিছু একটা করার।  এই নারী আজ ডিভোর্সের বোঝা মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নেমেছেন। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তিনি যখন সাহায্যের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন, তখনই শুরু হয় তার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়।

তাদেরই একজন, নরসিংদীর নির্বাহী প্রকৌশলী বশির আহমেদ। বর্তমানে তিনি কর্মরত আছেন ঢাকার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে। ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে বশির আহমেদ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারমিনের কাছে ঘনিষ্ঠ হন। ‘চা খাওয়ার’ অজুহাতে অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়ে, দরজা লক করে, অফিসের ভেতরেই জোরপূর্বক বারবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন এই নারী।

রেজোয়ানার ভাষ্যমতে, বশির আহমেদ তাকে জানিয়েছিলেন যে, তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন এবং তার প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য একজন মায়ের দরকার। সরল বিশ্বাসে রেজোয়ানা এ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু পরে জানতে পারেন, বশির আহমেদের স্ত্রী জীবিত এবং তিনি নরসিংদীর একটি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য রেজোয়ানার হাতে রয়েছে বশির আহমেদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথোপকথনের কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি। এ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী বশির আহমেদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তিনি মিটিংয়ে থাকার অজুহাত দেখিয়ে মন্তব্য এড়িয়ে গেছেন এবং ছবি দেখানোর পরও কোনো সদুত্তর দেননি।বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ইঞ্জিনিয়ার এর বশিরের বিচারের দাবী জানিয়েছেন নরসিংদীর সচেতন মহল একজন কর্মকর্তা হয়ে কিভাবে উলঙ্গ ছবি পোস্ট করলেন

১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে নরসিংদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি রেজোয়ানা। তার অভিযোগপত্র আজও অন্ধকার রুমে পড়ে আছে  থানার কোন এক ফাইলে।

এই ঘটনাটি কেবল একজন নারীর ব্যক্তিগত দুর্ভাগ্যের গল্প নয়; এটি আমাদের সমাজের সেই গভীরতম ব্যাধির উদাহরণ ।

নরসিংদী প্রতিনিধি:

৩০ এপ্রিল, ২০২৫,  12:04 AM

news image

নরসিংদীর মাধবদীর আলগি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা শারমিন রেজোয়ানা  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিত এক মুখ। তবে ফেসবুকে তার আলোচিত মন্তব্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর তো আত্মকাহিনী —একজন নারী নিরুপায় জীবন সংগ্রামের হেরে গেলেন , যিনি নিজেকে স্বাবলম্বী আর দারিদ্র্যে থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য  সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের তার প্রান্তে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বার বার।

আলোচিত শারমিন রেজোয়ানা, বেলাবো উপজেলার নিলিক্ষা গ্রামের মৃত আব্দুল সালেকের মেয়ে। একসময় স্বামী-সংসার ছিল তার,  স্বপ্ন দেখতেন এ সমাজে মানুষের মত মানুষ হয়ে কিছু একটা করার।  এই নারী আজ ডিভোর্সের বোঝা মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নেমেছেন। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তিনি যখন সাহায্যের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছিলেন, তখনই শুরু হয় তার জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়।

তাদেরই একজন, নরসিংদীর নির্বাহী প্রকৌশলী বশির আহমেদ। বর্তমানে তিনি কর্মরত আছেন ঢাকার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে। ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে বশির আহমেদ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারমিনের কাছে ঘনিষ্ঠ হন। ‘চা খাওয়ার’ অজুহাতে অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়ে, দরজা লক করে, অফিসের ভেতরেই জোরপূর্বক বারবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন বলে অভিযোগ করেছেন এই নারী।

রেজোয়ানার ভাষ্যমতে, বশির আহমেদ তাকে জানিয়েছিলেন যে, তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন এবং তার প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য একজন মায়ের দরকার। সরল বিশ্বাসে রেজোয়ানা এ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু পরে জানতে পারেন, বশির আহমেদের স্ত্রী জীবিত এবং তিনি নরসিংদীর একটি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত।

ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য রেজোয়ানার হাতে রয়েছে বশির আহমেদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথোপকথনের কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি। এ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী বশির আহমেদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তিনি মিটিংয়ে থাকার অজুহাত দেখিয়ে মন্তব্য এড়িয়ে গেছেন এবং ছবি দেখানোর পরও কোনো সদুত্তর দেননি।বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ইঞ্জিনিয়ার এর বশিরের বিচারের দাবী জানিয়েছেন নরসিংদীর সচেতন মহল একজন কর্মকর্তা হয়ে কিভাবে উলঙ্গ ছবি পোস্ট করলেন

১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে নরসিংদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি রেজোয়ানা। তার অভিযোগপত্র আজও অন্ধকার রুমে পড়ে আছে  থানার কোন এক ফাইলে।

এই ঘটনাটি কেবল একজন নারীর ব্যক্তিগত দুর্ভাগ্যের গল্প নয়; এটি আমাদের সমাজের সেই গভীরতম ব্যাধির উদাহরণ ।