ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলায় অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন

#
news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১১ নং সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডকে প্রস্তাবিত “ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা”র সঙ্গে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘বৃহত্তর সুয়াবিল অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম’-এর উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনটি ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে বৃহত্তর সুয়াবিলের চুরখাঁহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও সাধারণ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মন্জুরুল কিবরিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট ইসমাইল গণী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী নুরুল আলম নুরু, নাছির উদ্দিন, শফিউল আলম, আমান উল্লাহ আমান, মু. আমান উল্লাহ, শামশুল আরেফিন আরিফ, গোলাম সারওয়ার রবিন, ডা. বেলাল মেম্বার, ওসমান গণীসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, “সুয়াবিলবাসীকে প্রস্তাবিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক। এ সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত গ্রহণ করা হয়নি।”

তাঁরা আরও বলেন, “ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে সুয়াবিলের জনগণের জন্য বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদরই সবচেয়ে নিকটবর্তী ও সুবিধাজনক। তাই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।”

বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সুয়াবিলের জনগণের ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানিয়ে এই প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।”

অন্যথায়, এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে “সুয়াবিলকে ষড়যন্ত্রের জালে জড়াবেন না”, “সুয়াবিল আমাদের ফটিকছড়ির অবিচ্ছেদ্য অংশ” এ ধরনের নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশ শেষে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা দিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ হয়।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

১৪ অক্টোবর, ২০২৫,  11:02 PM

news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১১ নং সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডকে প্রস্তাবিত “ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা”র সঙ্গে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘বৃহত্তর সুয়াবিল অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম’-এর উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনটি ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে বৃহত্তর সুয়াবিলের চুরখাঁহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও সাধারণ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মন্জুরুল কিবরিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট ইসমাইল গণী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী নুরুল আলম নুরু, নাছির উদ্দিন, শফিউল আলম, আমান উল্লাহ আমান, মু. আমান উল্লাহ, শামশুল আরেফিন আরিফ, গোলাম সারওয়ার রবিন, ডা. বেলাল মেম্বার, ওসমান গণীসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, “সুয়াবিলবাসীকে প্রস্তাবিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক। এ সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত গ্রহণ করা হয়নি।”

তাঁরা আরও বলেন, “ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে সুয়াবিলের জনগণের জন্য বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদরই সবচেয়ে নিকটবর্তী ও সুবিধাজনক। তাই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।”

বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সুয়াবিলের জনগণের ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানিয়ে এই প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।”

অন্যথায়, এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে “সুয়াবিলকে ষড়যন্ত্রের জালে জড়াবেন না”, “সুয়াবিল আমাদের ফটিকছড়ির অবিচ্ছেদ্য অংশ” এ ধরনের নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশ শেষে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা দিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ হয়।