ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি

উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলায় অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন

#
news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১১ নং সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডকে প্রস্তাবিত “ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা”র সঙ্গে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘বৃহত্তর সুয়াবিল অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম’-এর উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনটি ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে বৃহত্তর সুয়াবিলের চুরখাঁহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও সাধারণ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মন্জুরুল কিবরিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট ইসমাইল গণী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী নুরুল আলম নুরু, নাছির উদ্দিন, শফিউল আলম, আমান উল্লাহ আমান, মু. আমান উল্লাহ, শামশুল আরেফিন আরিফ, গোলাম সারওয়ার রবিন, ডা. বেলাল মেম্বার, ওসমান গণীসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, “সুয়াবিলবাসীকে প্রস্তাবিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক। এ সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত গ্রহণ করা হয়নি।”

তাঁরা আরও বলেন, “ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে সুয়াবিলের জনগণের জন্য বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদরই সবচেয়ে নিকটবর্তী ও সুবিধাজনক। তাই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।”

বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সুয়াবিলের জনগণের ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানিয়ে এই প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।”

অন্যথায়, এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে “সুয়াবিলকে ষড়যন্ত্রের জালে জড়াবেন না”, “সুয়াবিল আমাদের ফটিকছড়ির অবিচ্ছেদ্য অংশ” এ ধরনের নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশ শেষে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা দিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ হয়।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

১৪ অক্টোবর, ২০২৫,  11:02 PM

news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১১ নং সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডকে প্রস্তাবিত “ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা”র সঙ্গে সংযুক্ত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘বৃহত্তর সুয়াবিল অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম’-এর উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনটি ১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে বৃহত্তর সুয়াবিলের চুরখাঁহাট বাজারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও সাধারণ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মন্জুরুল কিবরিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জজ কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট ইসমাইল গণী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী নুরুল আলম নুরু, নাছির উদ্দিন, শফিউল আলম, আমান উল্লাহ আমান, মু. আমান উল্লাহ, শামশুল আরেফিন আরিফ, গোলাম সারওয়ার রবিন, ডা. বেলাল মেম্বার, ওসমান গণীসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, “সুয়াবিলবাসীকে প্রস্তাবিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলায় সংযুক্ত করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক। এ সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত গ্রহণ করা হয়নি।”

তাঁরা আরও বলেন, “ভৌগোলিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে সুয়াবিলের জনগণের জন্য বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদরই সবচেয়ে নিকটবর্তী ও সুবিধাজনক। তাই জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।”

বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সুয়াবিলের জনগণের ন্যায্য দাবিকে সম্মান জানিয়ে এই প্রস্তাব অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।”

অন্যথায়, এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে “সুয়াবিলকে ষড়যন্ত্রের জালে জড়াবেন না”, “সুয়াবিল আমাদের ফটিকছড়ির অবিচ্ছেদ্য অংশ” এ ধরনের নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশ শেষে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার আগাম বার্তা দিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ হয়।