ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

গাকৃবিতে পুনর্জীবনশীল কৃষি বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন সমাপ্ত

#
news image

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পুনর্জীবনশীল কৃষি (Regenerative Agriculture for Food Security)” সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। 
গতকাল শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সম্মেলন সমাপ্ত হয়েছে।
এ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ অগ্রসর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে পুনর্জীবনশীল কৃষির জন্য বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও বাস্তব প্রয়োগ” শীর্ষক অধিবেশনে দেশি-বিদেশি গবেষক, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা মাটি স্বাস্থ্য, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণালব্ধ ফলাফল ও মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জি. কে. এম. মুস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেজর জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ মাসিহুর রহমান, এসজিপি, এসপিপিএম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। 
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুইজারল্যান্ডের এগ্রোস্পেস বিভাগের প্রধান ড. স্টেফান মান। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন গাকৃবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক এবং পাকিস্তানের ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাহাওয়ালপুরের প্রফেসর ড. ওয়াজিদ নাসিম জাটোই।
সম্মেলনে মোট ১০টি থিমেটিক ক্ষেত্রে উচ্চমানের ১০টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত ও উদ্ভাবনী পোস্টার উপস্থাপনা সেশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। সমাপনী অধিবেশনে বৈজ্ঞানিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান সম্মেলনের সারসংক্ষেপ ও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন তুলে ধরেন।
সম্মেলনে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মৌখিক, পোস্টার ও ওরাল ফ্ল্যাশ ক্যাটাগরিতে গবেষকদের Outstanding Presentation Award প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুনর্জীবনশীল কৃষি একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। এ ক্ষেত্রে গবেষক ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের আরও নিবেদিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
উপাচার্য প্রফেসর ড. জি. কে. এম. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন গবেষক, নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, নীতিগত সংলাপ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সম্মেলনের গবেষণা ফলাফল ও সুপারিশসমূহ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং পুনর্জীবনশীল কৃষি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
সমাপনী বক্তব্যে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. সাফিউল ইসলাম আফরাদ অতিথি, গবেষক, পৃষ্ঠপোষক ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
গবেষণা, উদ্ভাবন, নীতিগত আলোচনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সমন্বয়ে এ সম্মেলন বাংলাদেশে টেকসই ও খাদ্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে পুনর্জীবনশীল কৃষির সম্ভাবনাকে আরও দৃঢ়ভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।

 

গাজীপুর প্রতিনিধি :

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫,  10:00 PM

news image

গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পুনর্জীবনশীল কৃষি (Regenerative Agriculture for Food Security)” সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। 
গতকাল শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সম্মেলন সমাপ্ত হয়েছে।
এ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ অগ্রসর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে পুনর্জীবনশীল কৃষির জন্য বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও বাস্তব প্রয়োগ” শীর্ষক অধিবেশনে দেশি-বিদেশি গবেষক, নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা মাটি স্বাস্থ্য, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে গবেষণালব্ধ ফলাফল ও মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জি. কে. এম. মুস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেজর জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ মাসিহুর রহমান, এসজিপি, এসপিপিএম, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি। 
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুইজারল্যান্ডের এগ্রোস্পেস বিভাগের প্রধান ড. স্টেফান মান। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন গাকৃবির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক এবং পাকিস্তানের ইসলামিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাহাওয়ালপুরের প্রফেসর ড. ওয়াজিদ নাসিম জাটোই।
সম্মেলনে মোট ১০টি থিমেটিক ক্ষেত্রে উচ্চমানের ১০টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত ও উদ্ভাবনী পোস্টার উপস্থাপনা সেশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। সমাপনী অধিবেশনে বৈজ্ঞানিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান সম্মেলনের সারসংক্ষেপ ও গুরুত্বপূর্ণ অর্জন তুলে ধরেন।
সম্মেলনে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মৌখিক, পোস্টার ও ওরাল ফ্ল্যাশ ক্যাটাগরিতে গবেষকদের Outstanding Presentation Award প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুনর্জীবনশীল কৃষি একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। এ ক্ষেত্রে গবেষক ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের আরও নিবেদিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
উপাচার্য প্রফেসর ড. জি. কে. এম. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন গবেষক, নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, নীতিগত সংলাপ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সম্মেলনের গবেষণা ফলাফল ও সুপারিশসমূহ বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং পুনর্জীবনশীল কৃষি উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
সমাপনী বক্তব্যে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. সাফিউল ইসলাম আফরাদ অতিথি, গবেষক, পৃষ্ঠপোষক ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
গবেষণা, উদ্ভাবন, নীতিগত আলোচনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সমন্বয়ে এ সম্মেলন বাংলাদেশে টেকসই ও খাদ্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে পুনর্জীবনশীল কৃষির সম্ভাবনাকে আরও দৃঢ়ভাবে সামনে নিয়ে এসেছে।