ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক

#
news image

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার নাম দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
গতকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোক বার্তায় তিনি আরও বলেন, “বেগম জিয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন সংগ্রামী নেত্রী ছিলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করতে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে দেশের উচ্চ শিক্ষার ৭০ শতাংশ এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রদান করছে। সারাদেশের প্রায় আড়াই হাজার কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন পুরনো শিক্ষাক্রম সংস্কারের পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের প্রথম ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে কাজ করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী গভীরভাবে শোকাহত।

গাজীপুর প্রতিনিধি :

৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫,  5:45 PM

news image

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার নাম দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
গতকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক শোক বার্তায় তিনি আরও বলেন, “বেগম জিয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন সংগ্রামী নেত্রী ছিলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সদ্যপ্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
প্রফেসর আমানুল্লাহ বলেন, দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করতে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে দেশের উচ্চ শিক্ষার ৭০ শতাংশ এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রদান করছে। সারাদেশের প্রায় আড়াই হাজার কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্ন পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন পুরনো শিক্ষাক্রম সংস্কারের পাশাপাশি কর্মমুখী শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশের প্রথম ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি প্রকৃত সম্মান জানাতে কাজ করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী গভীরভাবে শোকাহত।