মাধবপুরে নির্বাচনী ছুটি নিয়ে নাহিদ কোম্পানির তালবাহানা, অবশেষে রাস্তা অবরোধ
এস এম শামীম আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার :
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:19 PM
মাধবপুরে নির্বাচনী ছুটি নিয়ে নাহিদ কোম্পানির তালবাহানা, অবশেষে রাস্তা অবরোধ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা বাঘাসুরা ইউনিয়নে হরিতলায় অবস্থিত নাহিদ ফাইন টেক্সটাইল লিমিটেডের এর শ্রমিকদের আসন্না ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি যে ছুটি রয়েছে, সেই ছুটি দিতে তালবাহানা শুরু করেন কোম্পানির কতৃপক্ষ। আজ ৭ ফেব্রুয়ারী রোজ শনিবার দুপুর ২ ঘটিকার সময় ছুটির দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে তারা আন্দোলন শুরু করেন, সড়কের দু পাশে দীর্ঘ যানঝট শুরু হয়, এতে জনদূর্ভোগে পড়ে রোগীর গাড়িসহ সাধারণ যাত্রীবাহি গাড়িগুলো ।
কিন্তু কোম্পানি কতৃপক্ষ অনেক আশ্বস্ত করেন আন্দোলনকারিদের কিন্তু তারা কর্ণপাত করেননি, কারন কোম্পানি কতৃপক্ষ মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে আন্দোলন বানচাল করতে চায় তা শ্রমিকরা মানতে রাজি নন। অবশেষে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আন্দোলন থেকে সড়ে দাড়ায় শ্রমিকরা। পরে আন্দোলনকারিদের কোম্পানির ভিতরে নিয়ে গতমাসে বেতন দিয়ে চাকরি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন কোম্পানির (AGM) সহকারী ম্যানেজার মনজুরুল হক, শ্রমিকরা জানান, আমাদেরকে জাতীয় দিবসগুলোতে কোন প্রকার সরকারি ছুটি ও স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, মাতৃভাষা দিবসের কোন প্রকার ছুটি দেয়নি কোম্পানি। আমরা কথা বললে আমাদের চাকরি থাকবে না বলে হুমকি দেন কতৃপক্ষ ,আন্দোলন কারিরা বলেন আমরা জানতে নির্বাচনী ছুটি চাওয়া কি আমাদের অপরাধ , আর কোন আইনের বলে আমাদেরকে গত মাসের বেতন দিয়ে বের করতে চায় সহকারি ম্যানেজার মনজুরুল হক, বাংলাদেশ শিল্প আইন অনুযায়ী কি যৌক্তিক আন্দোলন করার কারনে এমন হুমকি প্রদান করতে পারে তিনি এবং আন্দোলনকারিদের দমক দিয়ে কথা বলে চাকরিচ্যুত করা কি যৌক্তিক।
এস এম শামীম আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার :
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:19 PM
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা বাঘাসুরা ইউনিয়নে হরিতলায় অবস্থিত নাহিদ ফাইন টেক্সটাইল লিমিটেডের এর শ্রমিকদের আসন্না ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সরকারি যে ছুটি রয়েছে, সেই ছুটি দিতে তালবাহানা শুরু করেন কোম্পানির কতৃপক্ষ। আজ ৭ ফেব্রুয়ারী রোজ শনিবার দুপুর ২ ঘটিকার সময় ছুটির দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে তারা আন্দোলন শুরু করেন, সড়কের দু পাশে দীর্ঘ যানঝট শুরু হয়, এতে জনদূর্ভোগে পড়ে রোগীর গাড়িসহ সাধারণ যাত্রীবাহি গাড়িগুলো ।
কিন্তু কোম্পানি কতৃপক্ষ অনেক আশ্বস্ত করেন আন্দোলনকারিদের কিন্তু তারা কর্ণপাত করেননি, কারন কোম্পানি কতৃপক্ষ মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে আন্দোলন বানচাল করতে চায় তা শ্রমিকরা মানতে রাজি নন। অবশেষে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় আন্দোলন থেকে সড়ে দাড়ায় শ্রমিকরা। পরে আন্দোলনকারিদের কোম্পানির ভিতরে নিয়ে গতমাসে বেতন দিয়ে চাকরি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন কোম্পানির (AGM) সহকারী ম্যানেজার মনজুরুল হক, শ্রমিকরা জানান, আমাদেরকে জাতীয় দিবসগুলোতে কোন প্রকার সরকারি ছুটি ও স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, মাতৃভাষা দিবসের কোন প্রকার ছুটি দেয়নি কোম্পানি। আমরা কথা বললে আমাদের চাকরি থাকবে না বলে হুমকি দেন কতৃপক্ষ ,আন্দোলন কারিরা বলেন আমরা জানতে নির্বাচনী ছুটি চাওয়া কি আমাদের অপরাধ , আর কোন আইনের বলে আমাদেরকে গত মাসের বেতন দিয়ে বের করতে চায় সহকারি ম্যানেজার মনজুরুল হক, বাংলাদেশ শিল্প আইন অনুযায়ী কি যৌক্তিক আন্দোলন করার কারনে এমন হুমকি প্রদান করতে পারে তিনি এবং আন্দোলনকারিদের দমক দিয়ে কথা বলে চাকরিচ্যুত করা কি যৌক্তিক।