মাধবপুরে শাহপুর ছড়ায় ইজারা ছাড়াই চলছে বালু চুরির মহা উৎসব ! দেখার যেন কেউ নেই !
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 7:46 PM
মাধবপুরে শাহপুর ছড়ায় ইজারা ছাড়াই চলছে বালু চুরির মহা উৎসব ! দেখার যেন কেউ নেই !
হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাঘাসুরা ইউনিয়নে শাহপুর পুরাতন বাজারের নিকটে অবস্থিত শাহপুর ছড়ায় চলছে বালু চুরির মহাউৎসব।বিগত ৫ আগস্টে ২৪ ইং গনঅভ্যুত্থানে মধ্য দিয়ে সরকার পতনের পর থেকে চলছে বালু চুরির মহা উৎসব , কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা পালন করার কারনেই নষ্ট হচ্ছে রাবাব বাগানের পরিবেশ। কিন্তু পাশে রয়েছে রঘুনন্দ পাহাড়ের বিট অফিস, কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে তাদের কোন প্রকার ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি।
এখন নতুন করে টমটম দ্বারা বালি বহন করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে , এমন কি দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসফিল্ড এলাকার সুন্দরপুর নামক স্থানে হেলাল মিয়ার কোয়ারিতে দিনে - রাতে বালু নিয়ে বিক্রি করছে একটি মহল। স্থানীয় কিছু লোক জানান, আমরা কয়দিন পর পর উপজেলা প্রশাসনকে বালু চুরির ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রতিকার এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কিন্তু রাতের বেলায় পুলিশ প্রশাসন বালু কেখোদের অফিসে চায়ের আড্ডায় বসে । এতে বুঝা যায় রক্ষকই যখন বক্ষক হয়ে কাজ করে তখন সেখানে অপরাধীর বিচার কে করবে জনমনে এই প্রশ্ন।

বিগত ২০২৩সালে মাধবপুর উপজেলা তৎকালিন সহকারি কমিশনার ভূমি আয়েশা সিদ্দিকা বালু সম্রাট হেলালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করেন। কিন্ত এখন পর্যন্ত আর কোন অফিসার তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহন করকে পারে নাই, বালু কেকোর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনি পদক্ষেপ হ্রহন না করার কারণ কি। হবিগঞ্জ জেলার পরিবেশ কর্মীগন জানান এভাবে যদি চুরি করে বালু বিক্রি করা অব্যাহত থাকে তাহলে পরিবেশ হুমকির মূখে পড়বে, স্থানীয় লোকজন জানান, তাদের বালু চুরির ব্যাপারে কথা বললে বা প্রতিবাদ করতে গেলে
হামলা-মামলা বা প্রাণনাশের হুমকি আসে তারা বলেন তাদের সেন্টিগার্ট অনেক শক্তিশালী, তারা জেলা/ উপজেলা /থানা পুলিশকে ম্যানেজ করেই বালি তুলতেছে। তাদের এই বালু তোলা কেউ বন্ধ করকে পাবরে না।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 7:46 PM
হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাঘাসুরা ইউনিয়নে শাহপুর পুরাতন বাজারের নিকটে অবস্থিত শাহপুর ছড়ায় চলছে বালু চুরির মহাউৎসব।বিগত ৫ আগস্টে ২৪ ইং গনঅভ্যুত্থানে মধ্য দিয়ে সরকার পতনের পর থেকে চলছে বালু চুরির মহা উৎসব , কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে নিরব ভূমিকা পালন করছে। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা পালন করার কারনেই নষ্ট হচ্ছে রাবাব বাগানের পরিবেশ। কিন্তু পাশে রয়েছে রঘুনন্দ পাহাড়ের বিট অফিস, কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে তাদের কোন প্রকার ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়নি।
এখন নতুন করে টমটম দ্বারা বালি বহন করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হচ্ছে , এমন কি দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসফিল্ড এলাকার সুন্দরপুর নামক স্থানে হেলাল মিয়ার কোয়ারিতে দিনে - রাতে বালু নিয়ে বিক্রি করছে একটি মহল। স্থানীয় কিছু লোক জানান, আমরা কয়দিন পর পর উপজেলা প্রশাসনকে বালু চুরির ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন প্রতিকার এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কিন্তু রাতের বেলায় পুলিশ প্রশাসন বালু কেখোদের অফিসে চায়ের আড্ডায় বসে । এতে বুঝা যায় রক্ষকই যখন বক্ষক হয়ে কাজ করে তখন সেখানে অপরাধীর বিচার কে করবে জনমনে এই প্রশ্ন।

বিগত ২০২৩সালে মাধবপুর উপজেলা তৎকালিন সহকারি কমিশনার ভূমি আয়েশা সিদ্দিকা বালু সম্রাট হেলালের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করেন। কিন্ত এখন পর্যন্ত আর কোন অফিসার তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহন করকে পারে নাই, বালু কেকোর বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আইনি পদক্ষেপ হ্রহন না করার কারণ কি। হবিগঞ্জ জেলার পরিবেশ কর্মীগন জানান এভাবে যদি চুরি করে বালু বিক্রি করা অব্যাহত থাকে তাহলে পরিবেশ হুমকির মূখে পড়বে, স্থানীয় লোকজন জানান, তাদের বালু চুরির ব্যাপারে কথা বললে বা প্রতিবাদ করতে গেলে
হামলা-মামলা বা প্রাণনাশের হুমকি আসে তারা বলেন তাদের সেন্টিগার্ট অনেক শক্তিশালী, তারা জেলা/ উপজেলা /থানা পুলিশকে ম্যানেজ করেই বালি তুলতেছে। তাদের এই বালু তোলা কেউ বন্ধ করকে পাবরে না।