ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

দর্শনার্থী শুন্য পঞ্চগড়ের কৃষি প্রযুক্তি মেলা, সরকারি অর্থ অপচয়

#
news image

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় কৃষি প্রযুক্তি মেলায় খরা পড়েছে দর্শনার্থীদের। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনভর এমন চিত্র দেখা যায়। খোশগল্পে সময় পার করছেন আয়োজকরা। দায়সারা মেলায় সরকারি অর্থ অপচয় বলছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি প্রযু্িক্ত মেলা-২০২৬ আয়োজন করে পঞ্চগড় সদর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। চাষাবাদে আধুনিকায়ণ, উন্নত কলা-কৌশল ও নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিতি করার লক্ষ্যে ৩ দিনব্যাপী মেলাটি হয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মেলার উদ্বোধন করেন অতিথিরা। মেলায় ১০ টি স্টলে বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শণ করে আয়োজকরা।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মেলার প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, মেলার মধ্যে হাতেগোনা দুই-একজন ঘোরাঘুরি করছেন। তারা সকলে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে সেবা নিতে এসেছেন। এখানকার ১০ টি স্টলের মধ্যে ৯টিতে দেখা যায়নি আয়োজকদের। তবে মেলার চেয়ায়ে বসা কয়েকজনকে খোশগল্প করতে দেখা যায়। দেখা যায়নি সদর ও জেলা কৃষি কর্মকর্তাদের।



মাহমুদসহ উপজেলা পরিষদে সেবা নিতে আসা কয়েকজন বলেন, ব্যানারে কৃষি প্রযুক্তি মেলা লেখা থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এখানে প্রদর্শিত প্রজেক্টগুলো অনেক পুরনো। কোন কৃষক ও দর্শনার্থী নেই। আয়োজকদের একটি স্টলে দেখা গেলেও অন্যান্য স্টল ছিল ফাঁকা।

সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম বলেন, এটি কৃষি প্রযুক্তি মেলা নয়। মেলার নামে সরকারি অর্থের অপচয়। নামমাত্র প্রজেক্ট স্টলগুলোতে প্রদর্শন করা হয়েছে। মেলার প্রচারণাও করা হয়নি। এজন্য মেলায় দর্শনার্থী নেয়। আয়োজকদেরও দেখা যায়নি মেলাতে। বুধবার মেলা প্রাঙ্গনে একাধিকবার গিয়ে একই চিত্র দেখেছি। তিনি আরও বলেন, এধরনের মেলার প্রচারণা বেশি হওয়ার কথা ছিল। এখানে কৃষক, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের ভীড় থাকতো। কিন্তু কৃষি অফিস প্রচারনা না করে দায়সারা মেলার আয়োজন করেছে। এই মেলা পঞ্চগড়বাসীর কোন উপকারে আসেনি।

এ বিষয়ে প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে পঞ্চগড় সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুন্নবী বলেন, তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। বহিরাগতরা আসছে দেখছে, আজকে (২৫ ফেব্রুয়ারি) ক্লোজিং। বিকেলে পুরস্কার বিতরণ করা হচ্ছে। মেলায় বরাদ্দের বিষয়ে কাগজপত্র দেখে বলা যাবে। অফিসে আসেন, বিস্তারিত কথা বলবো।

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  7:21 PM

news image

পঞ্চগড় সদর উপজেলায় কৃষি প্রযুক্তি মেলায় খরা পড়েছে দর্শনার্থীদের। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিনভর এমন চিত্র দেখা যায়। খোশগল্পে সময় পার করছেন আয়োজকরা। দায়সারা মেলায় সরকারি অর্থ অপচয় বলছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, দিনাজপুর অঞ্চলে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি প্রযু্িক্ত মেলা-২০২৬ আয়োজন করে পঞ্চগড় সদর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। চাষাবাদে আধুনিকায়ণ, উন্নত কলা-কৌশল ও নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিতি করার লক্ষ্যে ৩ দিনব্যাপী মেলাটি হয়। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে মেলার উদ্বোধন করেন অতিথিরা। মেলায় ১০ টি স্টলে বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শণ করে আয়োজকরা।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মেলার প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, মেলার মধ্যে হাতেগোনা দুই-একজন ঘোরাঘুরি করছেন। তারা সকলে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরে সেবা নিতে এসেছেন। এখানকার ১০ টি স্টলের মধ্যে ৯টিতে দেখা যায়নি আয়োজকদের। তবে মেলার চেয়ায়ে বসা কয়েকজনকে খোশগল্প করতে দেখা যায়। দেখা যায়নি সদর ও জেলা কৃষি কর্মকর্তাদের।



মাহমুদসহ উপজেলা পরিষদে সেবা নিতে আসা কয়েকজন বলেন, ব্যানারে কৃষি প্রযুক্তি মেলা লেখা থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। এখানে প্রদর্শিত প্রজেক্টগুলো অনেক পুরনো। কোন কৃষক ও দর্শনার্থী নেই। আয়োজকদের একটি স্টলে দেখা গেলেও অন্যান্য স্টল ছিল ফাঁকা।

সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম বলেন, এটি কৃষি প্রযুক্তি মেলা নয়। মেলার নামে সরকারি অর্থের অপচয়। নামমাত্র প্রজেক্ট স্টলগুলোতে প্রদর্শন করা হয়েছে। মেলার প্রচারণাও করা হয়নি। এজন্য মেলায় দর্শনার্থী নেয়। আয়োজকদেরও দেখা যায়নি মেলাতে। বুধবার মেলা প্রাঙ্গনে একাধিকবার গিয়ে একই চিত্র দেখেছি। তিনি আরও বলেন, এধরনের মেলার প্রচারণা বেশি হওয়ার কথা ছিল। এখানে কৃষক, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের ভীড় থাকতো। কিন্তু কৃষি অফিস প্রচারনা না করে দায়সারা মেলার আয়োজন করেছে। এই মেলা পঞ্চগড়বাসীর কোন উপকারে আসেনি।

এ বিষয়ে প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে পঞ্চগড় সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আসাদুন্নবী বলেন, তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থান করছেন। বহিরাগতরা আসছে দেখছে, আজকে (২৫ ফেব্রুয়ারি) ক্লোজিং। বিকেলে পুরস্কার বিতরণ করা হচ্ছে। মেলায় বরাদ্দের বিষয়ে কাগজপত্র দেখে বলা যাবে। অফিসে আসেন, বিস্তারিত কথা বলবো।