ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

সরিষাবাড়ী-তে জমি বিরোধের জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

#
news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের উত্তর চুনিয়া পটল গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম অভিযোগ করে জানান, তার জামাতা সৌদি প্রবাসী শাহীন মিয়া স্থানীয় জসি শেখের মেয়ে মোরশেদার কাছ থেকে বসতবাড়ি সহ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু ক্রয়কৃত জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে আব্দুল মোতালেব বিরোধ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বাকবিতণ্ডা ও মনোমালিন্য চলছিল।
খোরশেদ আলমের পরিবারের দাবি, বিরোধের জের ধরেই গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে তার বাড়ির মিনি পুকুরে ছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিষ প্রয়োগে নিধন করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে মিনি পুকুরে মাছগুলো ভেসে উঠতে দেখেন স্থানীয় বাদশা মিয়া। এতে পুকুরে থাকা মাছ ভেসে উঠে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খোরশেদ আলমের স্ত্রী রত্না বেগম সরাসরি আব্দুল মোতালেবকে সন্দেহ করে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে পূর্বের বিরোধের ঘটনায় আব্দুল মোতালেবের স্ত্রী জাহানারা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে প্রবাসী শাহীন মিয়া দেশে না থাকা সত্ত্বেও তাকে কে বিবাদী করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।
ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, “জমি নিয়ে বিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু প্রতিশোধ নিতে পুকুরে বিষ ঢেলে মাছ মেরে ফেলা অমানবিক কাজ। আমরা প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে এভাবে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনা উদ্বেগজনক। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

সরিষাবাড়ী (জামালপুর ) প্রতিনিধি :

০৫ মার্চ, ২০২৬,  9:46 PM

news image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের উত্তর চুনিয়া পটল গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম অভিযোগ করে জানান, তার জামাতা সৌদি প্রবাসী শাহীন মিয়া স্থানীয় জসি শেখের মেয়ে মোরশেদার কাছ থেকে বসতবাড়ি সহ জমি ক্রয় করেন। কিন্তু ক্রয়কৃত জমির একটি অংশ নিজেদের দাবি করে আব্দুল মোতালেব বিরোধ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বাকবিতণ্ডা ও মনোমালিন্য চলছিল।
খোরশেদ আলমের পরিবারের দাবি, বিরোধের জের ধরেই গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে তার বাড়ির মিনি পুকুরে ছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিষ প্রয়োগে নিধন করা হয়েছে। বুধবার (৪ মার্চ) সকালে মিনি পুকুরে মাছগুলো ভেসে উঠতে দেখেন স্থানীয় বাদশা মিয়া। এতে পুকুরে থাকা মাছ ভেসে উঠে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। খোরশেদ আলমের স্ত্রী রত্না বেগম সরাসরি আব্দুল মোতালেবকে সন্দেহ করে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এদিকে পূর্বের বিরোধের ঘটনায় আব্দুল মোতালেবের স্ত্রী জাহানারা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন, যেখানে প্রবাসী শাহীন মিয়া দেশে না থাকা সত্ত্বেও তাকে কে বিবাদী করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।
ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, “জমি নিয়ে বিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু প্রতিশোধ নিতে পুকুরে বিষ ঢেলে মাছ মেরে ফেলা অমানবিক কাজ। আমরা প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া জানান, এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে এভাবে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের ঘটনা উদ্বেগজনক। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।