ঢাকা ১২ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
পাঁচবিবিতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপহার দিলেন বিএনপির নেতা ছবদের হাসান আশুগঞ্জে পুলিশের অভিযানে চোরাচালানকৃত জিরার (৬৮৪০ কেজি) ট্রাকসহ ০৪ জন গ্রেপ্তার ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন মাদক ও সন্ত্রাসের গডফাদার রব বেপারীর হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কোম্পানীগঞ্জে সৌদি আরব থেকে প্রাপ্ত খেজুর মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ কোনাবাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলমের উপর সন্ত্রাসী হামলা পঞ্চগড়ের দেবনগড় ইউনিয়নে টিআর কাবিটা-কাবিখা কাজে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের সামগ্রী এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ও বিরোধী দল গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে, আশা স্পিকারের

ফরিদপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

#
news image

ফরিদপুরে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্ত্রী রুবাইয়া বেগম (২৫)কে হত্যার দায়ে স্বামী আহাদ শেখ (৩৩)কে যাবজ্জীবন স্বশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
 
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের কাজী বল্লভদী গ্রামের বাসিন্দা। নিহত রুবাইয়া বেগম একই উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামের বাসিন্দা।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে রুবাইয়া বেগমের সঙ্গে আহাদ শেখের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের তিন বছর পর সৌদি আরব যাওয়ার জন্য স্ত্রীর পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন আহাদ শেখ। এর মধ্যে এক লাখ টাকা দেওয়া হলেও বাকি দুই লাখ টাকার জন্য তিনি চাপ দিতে থাকেন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ১ আগস্ট বাকি টাকা না পেয়ে আহাদ শেখ প্রথমে স্ত্রীকে মারধর করেন এবং পরে মুখে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেন।
 
এ ঘটনায় নিহতের মা রোমেছা বেগম বাদী হয়ে আহাদ শেখ, তার মা ও তিন ভাইসহ পাঁচজনকে আসামি করে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
 
মামলাটি তদন্ত করেন ফরিদপুর জেলা সিআইডির পরিদর্শক মো. আমিনুজ্জামান। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৩ জুন আহাদ শেখ এবং তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ (৩৮) ও মাহিম শেখ (৩৪)কে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী জানান, মামলার শুনানি শেষে আদালত স্বামী আহাদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ ও মাহিম শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।
 
তিনি বলেন, যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। আদালতের এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
আপনি চাইলে আমি এটাকে টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট বা খুব সংক্ষিপ্ত অনলাইন নিউজ ভার্সনও করে দিতে পারি।

বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :

১২ মার্চ, ২০২৬,  7:44 PM

news image

ফরিদপুরে যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় স্ত্রী রুবাইয়া বেগম (২৫)কে হত্যার দায়ে স্বামী আহাদ শেখ (৩৩)কে যাবজ্জীবন স্বশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
 
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আহাদ শেখ ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের কাজী বল্লভদী গ্রামের বাসিন্দা। নিহত রুবাইয়া বেগম একই উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের কাগদী গ্রামের বাসিন্দা।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে রুবাইয়া বেগমের সঙ্গে আহাদ শেখের বিয়ে হয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের তিন বছর পর সৌদি আরব যাওয়ার জন্য স্ত্রীর পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন আহাদ শেখ। এর মধ্যে এক লাখ টাকা দেওয়া হলেও বাকি দুই লাখ টাকার জন্য তিনি চাপ দিতে থাকেন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালের ১ আগস্ট বাকি টাকা না পেয়ে আহাদ শেখ প্রথমে স্ত্রীকে মারধর করেন এবং পরে মুখে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেন।
 
এ ঘটনায় নিহতের মা রোমেছা বেগম বাদী হয়ে আহাদ শেখ, তার মা ও তিন ভাইসহ পাঁচজনকে আসামি করে সালথা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
 
মামলাটি তদন্ত করেন ফরিদপুর জেলা সিআইডির পরিদর্শক মো. আমিনুজ্জামান। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৩ জুন আহাদ শেখ এবং তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ (৩৮) ও মাহিম শেখ (৩৪)কে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
 
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী জানান, মামলার শুনানি শেষে আদালত স্বামী আহাদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। তবে তার দুই ভাই মোহাম্মদ শেখ ও মাহিম শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দেন।
 
তিনি বলেন, যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। আদালতের এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমরা মনে করি।
আপনি চাইলে আমি এটাকে টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট বা খুব সংক্ষিপ্ত অনলাইন নিউজ ভার্সনও করে দিতে পারি।