বাগেরহাটে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’: কাজ না করেই পৌনে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
৩০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:37 PM
বাগেরহাটে মৎস্য আড়ত নির্মাণে ‘পুকুরচুরি’: কাজ না করেই পৌনে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
বাগেরহাট সদর উপজেলার কররী সিঅ্যান্ডবি বাজারে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত একটি আধুনিক মৎস্য আড়ত নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই মৎস্য বিভাগ ও ঠিকাদারের যোগসাজশে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীদের।
ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আরসিসি সড়ক ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও অধিকাংশ কাজই অসমাপ্ত। যতটুকু কাজ হয়েছে তাতে অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ। সামান্য বৃষ্টিতেই আড়তের ভেতর পানি পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বা কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে স্থানীয় সুফলভোগী ব্যবসায়ীদের অন্ধকারে রাখা হয়েছে। ঠিকাদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি এবং মৎস্য বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. বেল্লাল হোসেন, "আমরা ভেবেছিলাম আধুনিক আড়ত পাবো, কিন্তু হয়েছে উল্টো। মৎস্য বিভাগ ও কমিটির লোকজন ক্ষমতার অপব্যবহার করে টাকাগুলো গিলে খেয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।"
প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে বর্তমানে মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রকল্প কমিটির মধ্যে চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি: সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন কাজ নিয়ম মেনেই হয়েছে। তবে ত্রুটি থাকলে খতিয়ে দেখা হবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, দায় চাপিয়েছেন স্থানীয় কমিটির ওপর। তিনি জানান, কোনো অনিয়ম হলে তার দায় কমিটির।
কমিটির অর্থ সম্পাদক বলেন, অনিয়ম স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি জানান, ঠিকাদারকে বারবার বলা সত্ত্বেও কাজ ঠিকমতো হয়নি।
কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, দাবি করেছেন তাকে না জানিয়েই পদে বসানো হয়েছে এবং যাবতীয় লেনদেন সভাপতির মাধ্যমে হয়েছে।
বিপুল অংকের টাকা লোপাটের এই ঘটনায় কররী সিঅ্যান্ডবি বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। যথাযথ কাজ না হওয়ায় উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা । অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
৩০ এপ্রিল, ২০২৬, 7:37 PM
বাগেরহাট সদর উপজেলার কররী সিঅ্যান্ডবি বাজারে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত একটি আধুনিক মৎস্য আড়ত নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই মৎস্য বিভাগ ও ঠিকাদারের যোগসাজশে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীদের।
ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আরসিসি সড়ক ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্পন্ন করার কথা থাকলেও অধিকাংশ কাজই অসমাপ্ত। যতটুকু কাজ হয়েছে তাতে অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ। সামান্য বৃষ্টিতেই আড়তের ভেতর পানি পড়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি বা কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে স্থানীয় সুফলভোগী ব্যবসায়ীদের অন্ধকারে রাখা হয়েছে। ঠিকাদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি এবং মৎস্য বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. বেল্লাল হোসেন, "আমরা ভেবেছিলাম আধুনিক আড়ত পাবো, কিন্তু হয়েছে উল্টো। মৎস্য বিভাগ ও কমিটির লোকজন ক্ষমতার অপব্যবহার করে টাকাগুলো গিলে খেয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।"
প্রকল্পের অনিয়ম নিয়ে বর্তমানে মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রকল্প কমিটির মধ্যে চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি: সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন কাজ নিয়ম মেনেই হয়েছে। তবে ত্রুটি থাকলে খতিয়ে দেখা হবে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, দায় চাপিয়েছেন স্থানীয় কমিটির ওপর। তিনি জানান, কোনো অনিয়ম হলে তার দায় কমিটির।
কমিটির অর্থ সম্পাদক বলেন, অনিয়ম স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি জানান, ঠিকাদারকে বারবার বলা সত্ত্বেও কাজ ঠিকমতো হয়নি।
কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, দাবি করেছেন তাকে না জানিয়েই পদে বসানো হয়েছে এবং যাবতীয় লেনদেন সভাপতির মাধ্যমে হয়েছে।
বিপুল অংকের টাকা লোপাটের এই ঘটনায় কররী সিঅ্যান্ডবি বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। যথাযথ কাজ না হওয়ায় উন্নয়নের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয়রা । অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।