ঢাকা ১৪ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বৃষ্টির ছোঁয়ায় চা বাগানে ফিরেছে চিরচেনা রূপ বিরলে ৫৭৫৭ পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ নোয়াখালীতে পুকুর সেচতে গিয়ে মিলল অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ মহেশ্বরীপুরে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় শেখ মেহেদী হাসান হবিগঞ্জ ‘ল’ কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত টঙ্গীতে ছিনতাই-মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১৬ বাগেরহাটে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১৩ গাজীপুরে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী সামাজিক সভা অনুষ্ঠিত  সরিষাবাড়ীতে বাস মালিক-শ্রমিক সংঘর্ষ: ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেলে আহত ৮ ফরিদপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে অভিযান: ৭ নারীসহ ১৯ জনের কারাদণ্ড

বৃষ্টির ছোঁয়ায় চা বাগানে ফিরেছে চিরচেনা রূপ

#
news image

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টানা খরার পর স্বস্তির বৃষ্টিতে চা বাগানগুলো ফিরেছে চিরচেনা রূপে। খরায় বিবর্ণ হওয়া চা গাছে দেখা মিলবে নতুন কুঁড়ির। টানা তাপপ্রবাহের পর গত এক দুই দিনের বৃষ্টিতে নতুন কুঁড়ি ও সবুজ পাতা গজার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রচন্ড তাপে বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল বাগানের অধিকাংশ চা গাছ। অনেক স্থানে শুরু হয়েছিল লাল রোগের প্রাদুর্ভাব। চা উৎপাদন শুরুর মৌসুমেই বড়লেখা উপজেলার চা বাগানগুলোতে কমে যায় চা উৎপাদনের গতি। তবে গত কয়েক দিনের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে। চা বাগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বৃহস্পতিবারের তীব্র বৃষ্টিতে বাগান রক্ষায় কৃত্রিম পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। 

প্রকৃতিনির্ভর একটি কৃষিজ পণ্য চা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চায়ের উৎপাদনও ভালো হয়, এর জন্য প্রয়োজন পরিমিত বৃষ্টি ও সূর্যের কিরণ। প্রায় চার মাস আগ থেকেই চা বাগানের সেকশনগুলোয় চা গাছ ছাঁটাই করার কাজ শুরু করেছিল বাগান কর্তৃপক্ষ। ছাঁটাইয়ের কারণে চা বাগানে চলে এসেছিল রুক্ষ শুষ্কভাব। চা বাগানের জন্য সহনীয় তাপমাত্রার সীমা পেরিয়ে গেলে বিপত্তিতে পড়েন বাগান-সংশ্লিষ্টরা। 

বৃষ্টির অভাবে রুক্ষ বাগানে নতুন পাতার দেখা মিলেনি খুব একটা। এর মাঝে বিভিন্ন পোকামাকড়ের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সামান্য যা কুঁড়ি-পাতা ছিল তাও আক্রান্ত হতে শুরু করে। অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা অনেকটাই খুশি।বৃষ্টিতে বাগানগুলো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। কাঙ্খিত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ভালো ফলনের সম্ভাবনার পাশাপাশি আপাতত বাগান গুলোতে কৃত্রিম পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে অনাবৃষ্টির কারনে ও তীব্র খরায় মৌসুমের শুরুতেই অনেক ক্ষতি হয়ে গেল, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

১৪ মার্চ, ২০২৬,  5:45 AM

news image

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় টানা খরার পর স্বস্তির বৃষ্টিতে চা বাগানগুলো ফিরেছে চিরচেনা রূপে। খরায় বিবর্ণ হওয়া চা গাছে দেখা মিলবে নতুন কুঁড়ির। টানা তাপপ্রবাহের পর গত এক দুই দিনের বৃষ্টিতে নতুন কুঁড়ি ও সবুজ পাতা গজার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রচন্ড তাপে বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল বাগানের অধিকাংশ চা গাছ। অনেক স্থানে শুরু হয়েছিল লাল রোগের প্রাদুর্ভাব। চা উৎপাদন শুরুর মৌসুমেই বড়লেখা উপজেলার চা বাগানগুলোতে কমে যায় চা উৎপাদনের গতি। তবে গত কয়েক দিনের বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে। চা বাগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বৃহস্পতিবারের তীব্র বৃষ্টিতে বাগান রক্ষায় কৃত্রিম পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। 

প্রকৃতিনির্ভর একটি কৃষিজ পণ্য চা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চায়ের উৎপাদনও ভালো হয়, এর জন্য প্রয়োজন পরিমিত বৃষ্টি ও সূর্যের কিরণ। প্রায় চার মাস আগ থেকেই চা বাগানের সেকশনগুলোয় চা গাছ ছাঁটাই করার কাজ শুরু করেছিল বাগান কর্তৃপক্ষ। ছাঁটাইয়ের কারণে চা বাগানে চলে এসেছিল রুক্ষ শুষ্কভাব। চা বাগানের জন্য সহনীয় তাপমাত্রার সীমা পেরিয়ে গেলে বিপত্তিতে পড়েন বাগান-সংশ্লিষ্টরা। 

বৃষ্টির অভাবে রুক্ষ বাগানে নতুন পাতার দেখা মিলেনি খুব একটা। এর মাঝে বিভিন্ন পোকামাকড়ের আক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সামান্য যা কুঁড়ি-পাতা ছিল তাও আক্রান্ত হতে শুরু করে। অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টিতে বাগান কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকরা অনেকটাই খুশি।বৃষ্টিতে বাগানগুলো প্রাণ ফিরে পেয়েছে। কাঙ্খিত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ভালো ফলনের সম্ভাবনার পাশাপাশি আপাতত বাগান গুলোতে কৃত্রিম পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে অনাবৃষ্টির কারনে ও তীব্র খরায় মৌসুমের শুরুতেই অনেক ক্ষতি হয়ে গেল, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।