ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

ফরিদপুরের বাকচরে ৯ দিনব্যাপী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের আবির্ভাব উৎসব শুরু ১৮ এপ্রিল

#
news image

ফরিদপুর জেলার খলিলপুরে অবস্থিত শ্রীধাম বাকচর শ্রীঅঙ্গনে আনন্দ পুরুষোত্তম মহাবতারী শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের কৈশোর লীলা ভূমিতে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ৯ দিনব্যাপী শুভ আবির্ভাব উৎসব। এ উপলক্ষে ব্যাপক ধর্মীয় আয়োজন গ্রহণ করেছে আয়োজক কমিটি।
 
উৎসবের প্রথম দিন, ১৮ এপ্রিল ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে প্রভাতী নগরকীর্তনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। এরপর প্রভুর বাল্যভোগ নিবেদন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও প্রভুর আবির্ভাব বিষয়ক আলোচনা সভা। সন্ধ্যা ৭টায় শ্রীধাম ফরিদপুর শ্রীঅঙ্গনের ব্রহ্মচারী ও ভক্তবৃন্দের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হবে শুভ মঙ্গল অধিবাস কীর্তন।
 
১৯ ও ২০ এপ্রিল প্রতিদিন বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে পাঠ করবেন বাকচরের শ্রী দিলীপ কুমার সাহা এবং যশোরের গৌর হরি দাস (শুভংকর)।
২১ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী মহানাম ও তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন অনুষ্ঠিত হবে, যা ভক্তদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ২৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের অষ্টকালীন লীলা স্মরণ কীর্তন।
 
২৫ এপ্রিল সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের অভিষেক, শ্রীশ্রী বন্ধুনবমী তিথি পূজা ও মহাভোগরাগ। একইদিন বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে প্রভুর সাক্ষাৎ লীলা সঙ্গীদের নিয়ে আলোচনা সভা এবং রাত ৮টায় আরতী কীর্তন অনুষ্ঠিত হবে।
 
২৬ এপ্রিল কুঞ্জভঙ্গ নগরকীর্তন, জলকেলী, মহোৎসব ও মোহন্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে নয় দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে।
 
উৎসবে যশোর, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, মাগুরা, ঢাকা, বগুড়া ও টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য ভক্তবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীরা পরিবেশন করবেন নামসুধা ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন।
 
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসব চলাকালীন সার্বক্ষণিক প্রসাদের ব্যবস্থা থাকবে। তারা সকল ভক্ত ও ধর্মপ্রাণ মানুষকে এই পুণ্য উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :

১১ এপ্রিল, ২০২৬,  11:43 PM

news image

ফরিদপুর জেলার খলিলপুরে অবস্থিত শ্রীধাম বাকচর শ্রীঅঙ্গনে আনন্দ পুরুষোত্তম মহাবতারী শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের কৈশোর লীলা ভূমিতে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ৯ দিনব্যাপী শুভ আবির্ভাব উৎসব। এ উপলক্ষে ব্যাপক ধর্মীয় আয়োজন গ্রহণ করেছে আয়োজক কমিটি।
 
উৎসবের প্রথম দিন, ১৮ এপ্রিল ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে প্রভাতী নগরকীর্তনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। এরপর প্রভুর বাল্যভোগ নিবেদন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও প্রভুর আবির্ভাব বিষয়ক আলোচনা সভা। সন্ধ্যা ৭টায় শ্রীধাম ফরিদপুর শ্রীঅঙ্গনের ব্রহ্মচারী ও ভক্তবৃন্দের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হবে শুভ মঙ্গল অধিবাস কীর্তন।
 
১৯ ও ২০ এপ্রিল প্রতিদিন বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে পাঠ করবেন বাকচরের শ্রী দিলীপ কুমার সাহা এবং যশোরের গৌর হরি দাস (শুভংকর)।
২১ থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ২৪ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী মহানাম ও তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন অনুষ্ঠিত হবে, যা ভক্তদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ২৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দের অষ্টকালীন লীলা স্মরণ কীর্তন।
 
২৫ এপ্রিল সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দরের অভিষেক, শ্রীশ্রী বন্ধুনবমী তিথি পূজা ও মহাভোগরাগ। একইদিন বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে প্রভুর সাক্ষাৎ লীলা সঙ্গীদের নিয়ে আলোচনা সভা এবং রাত ৮টায় আরতী কীর্তন অনুষ্ঠিত হবে।
 
২৬ এপ্রিল কুঞ্জভঙ্গ নগরকীর্তন, জলকেলী, মহোৎসব ও মোহন্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে নয় দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটবে।
 
উৎসবে যশোর, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, মাগুরা, ঢাকা, বগুড়া ও টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য ভক্তবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীরা পরিবেশন করবেন নামসুধা ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন।
 
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসব চলাকালীন সার্বক্ষণিক প্রসাদের ব্যবস্থা থাকবে। তারা সকল ভক্ত ও ধর্মপ্রাণ মানুষকে এই পুণ্য উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।