ঢাকা ১৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ আইন পেশার অনেকেই শর্টকাটে অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ বড়লেখায় জনদুর্ভোগ নিরসনে সহকারী কমিশনারের সাথে নিসচা'র মতবিনিময়  দেশের আরও চার পোশাক কারখানা পেল লিড সনদ, সংখ্যা বেড়ে ২৯০ এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ২৪ বছরের প্রতীক্ষার অবসান, সেমিতে স্পেনের মুখোমুখি ফ্রান্স বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্রগুলো ১৬ জুলাই খুলে দেওয়া হবে বাহুবলে ডিবির অভিযান: পিকআপসহ ১০৫ বোতল মদ জব্দ, আটক ১

ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের মহাসমারোহ

#
news image

ঈদুল আজহার ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত এখন হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত। ঈদের তৃতীয় দিনে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকেরা সমুদ্রের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করে সময় কাটাচ্ছেন।

কুয়াকাটা পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন পর্যটকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও দ্বিতীয় দিনের বিকেল থেকে সৈকতে ভিড় বাড়তে শুরু করে। ঈদের তৃতীয় দিনে সেই ভিড় আরও বেড়ে যায়। সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবন এলাকা, লেবুর চর ও গঙ্গামতির বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

সৈকতে আগত পর্যটকদের কেউ সমুদ্রের নোনা জলে গোসল করে আনন্দ উপভোগ করছেন, কেউবা বালুকাবেলায় খেলাধুলা ও ছবি তোলায় ব্যস্ত। অনেকে সৈকতের বেঞ্চিতে বসে সাগরের গর্জন আর প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। সব মিলিয়ে পুরো সৈকতজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ কর্মব্যস্ততার পর পরিবারের সঙ্গে কিছুটা স্বস্তির সময় কাটাতে কুয়াকাটায় এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর। সন্তানরাও অনেক আনন্দ করছে।’

বরিশাল থেকে আসা পর্যটক নুসরাত জাহান বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে কুয়াকাটায় বেড়াতে এসেছি। সূর্যাস্তের দৃশ্য অসাধারণ। এখানে এসে মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।’

রাজশাহীর পর্যটক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কুয়াকাটার বিশেষত্ব হলো একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুইই দেখা যায়। তাই প্রতি বছরই সুযোগ পেলে এখানে আসার চেষ্টা করি।’

তবে পর্যটকদের উপস্থিতি থাকলেও বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পর্যটকের সংখ্যা কম বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, অর্থনৈতিক চাপ ও যাতায়াত ব্যয়ের কারণে অনেকেই এবার ভ্রমণ থেকে বিরত রয়েছেন।

কুয়াকাটার হোটেল ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদকে ঘিরে  হোটেল মোটেলগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকলেও তেমন পর্যটক সমাগম হয়নি। তবে ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, যা ব্যবসায়ীদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে। 

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ঈদের অবশিষ্ট ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কুয়াকাটার পর্যটন খাত কিছুটা হলেও চাঙ্গা হবে।

এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকত এলাকায় টুরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও থানা পুলিশের সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপদ ও আনন্দময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্ভাবনায় সময় কাটাচ্ছেন আগত দর্শনার্থীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

৩০ মে, ২০২৬,  4:16 PM

news image

ঈদুল আজহার ছুটিকে কেন্দ্র করে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত এখন হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত। ঈদের তৃতীয় দিনে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব ও স্বজনদের নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকেরা সমুদ্রের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করে সময় কাটাচ্ছেন।

কুয়াকাটা পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন পর্যটকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও দ্বিতীয় দিনের বিকেল থেকে সৈকতে ভিড় বাড়তে শুরু করে। ঈদের তৃতীয় দিনে সেই ভিড় আরও বেড়ে যায়। সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবন এলাকা, লেবুর চর ও গঙ্গামতির বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

সৈকতে আগত পর্যটকদের কেউ সমুদ্রের নোনা জলে গোসল করে আনন্দ উপভোগ করছেন, কেউবা বালুকাবেলায় খেলাধুলা ও ছবি তোলায় ব্যস্ত। অনেকে সৈকতের বেঞ্চিতে বসে সাগরের গর্জন আর প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। সব মিলিয়ে পুরো সৈকতজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটক মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘ কর্মব্যস্ততার পর পরিবারের সঙ্গে কিছুটা স্বস্তির সময় কাটাতে কুয়াকাটায় এসেছি। সমুদ্রের সৌন্দর্য সত্যিই মনোমুগ্ধকর। সন্তানরাও অনেক আনন্দ করছে।’

বরিশাল থেকে আসা পর্যটক নুসরাত জাহান বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে কুয়াকাটায় বেড়াতে এসেছি। সূর্যাস্তের দৃশ্য অসাধারণ। এখানে এসে মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।’

রাজশাহীর পর্যটক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কুয়াকাটার বিশেষত্ব হলো একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুইই দেখা যায়। তাই প্রতি বছরই সুযোগ পেলে এখানে আসার চেষ্টা করি।’

তবে পর্যটকদের উপস্থিতি থাকলেও বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার পর্যটকের সংখ্যা কম বলে দাবি করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, অর্থনৈতিক চাপ ও যাতায়াত ব্যয়ের কারণে অনেকেই এবার ভ্রমণ থেকে বিরত রয়েছেন।

কুয়াকাটার হোটেল ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদকে ঘিরে  হোটেল মোটেলগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকলেও তেমন পর্যটক সমাগম হয়নি। তবে ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, যা ব্যবসায়ীদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে। 

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ঈদের অবশিষ্ট ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কুয়াকাটার পর্যটন খাত কিছুটা হলেও চাঙ্গা হবে।

এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৈকত এলাকায় টুরিস্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও থানা পুলিশের সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপদ ও আনন্দময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্ভাবনায় সময় কাটাচ্ছেন আগত দর্শনার্থীরা।