দেশের আরও চার পোশাক কারখানা পেল লিড সনদ, সংখ্যা বেড়ে ২৯০
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 9:45 PM
দেশের আরও চার পোশাক কারখানা পেল লিড সনদ, সংখ্যা বেড়ে ২৯০
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে আরও চারটি কারখানা পরিবেশবান্ধব ভবনের মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘লিড’ (LEED) সনদ অর্জন করেছে। নতুন স্বীকৃতি পাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে দুটি ‘প্লাটিনাম’, একটি ‘গোল্ড’ এবং একটি ‘সিলভার’ মানের সনদ পেয়েছে। এই নতুন চারটি কারখানা যুক্ত হওয়ার ফলে বর্তমানে দেশে লিড সনদপ্রাপ্ত পরিবেশবান্ধব পোশাক কারখানার মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯০টিতে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (USGBC) পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ভবনের কঠোর মানদণ্ড পূরণের ভিত্তিতে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। জ্বালানি ও পানির সাশ্রয়ী ও দক্ষ ব্যবহার, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ভবনের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, টেকসই পরিচালনা ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক পরিবেশবান্ধব পরিচালনাসহ বিভিন্ন সূচকে নিবিড় মূল্যায়নের পর কারখানাগুলোকে এই সনদ দেওয়া হয়। অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে— সার্টিফায়েড, সিলভার, গোল্ড ও প্লাটিনাম, এই চার স্তরে স্বীকৃতি দেওয়া হয়ে থাকে।
সবশেষ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ‘ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড’ ৯০ পয়েন্ট এবং গাজীপুরের ‘ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড’ ৮৮ পয়েন্ট অর্জন করে সর্বোচ্চ ‘প্লাটিনাম’ সনদ লাভ করেছে।
এ ছাড়া গাজীপুরের কালিয়াকৈরের ‘করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড’ ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘গোল্ড’ এবং ঢাকার ধামরাইয়ের ‘করিম টেক্স লিমিটেড’ ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘সিলভার’ মানের সনদ অর্জন করেছে। এই চারটি কারখানাই ‘লিড অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স’ (LEED O+M) রেটিং পদ্ধতির আওতায় বিদ্যমান ভবনের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে কঠোর পরিবেশবান্ধব মানদণ্ড পূরণ করায় এ স্বীকৃতি পেয়েছে। এই রেটিংয়ে নতুন ভবনের নকশা নয়, বরং বর্তমানে চালু থাকা ভবনের বাস্তব পরিবেশগত কর্মদক্ষতাকে মূল্যায়ন করা হয়।
নতুন চারটি কারখানা যুক্ত হওয়ায় দেশে এখন লিড সনদপ্রাপ্ত ২৯০টি পোশাক কারখানার মধ্যে প্লাটিনাম ১২৫টি, গোল্ড ১৪৫টি, সিলভার ১৮টি এবং সাধারণ সার্টিফায়েড পর্যায়ের কারখানা রয়েছে দুটি।
পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক শিল্পকারখানার বৈশ্বিক তালিকাতেও বাংলাদেশ এখন ঈর্ষণীয় অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়া শীর্ষ ১০০টি লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানার মধ্যে ৫৩টিই বাংলাদেশের। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা অর্জন এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের টেকসই প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১৪ জুলাই, ২০২৬, 9:45 PM
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতে আরও চারটি কারখানা পরিবেশবান্ধব ভবনের মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘লিড’ (LEED) সনদ অর্জন করেছে। নতুন স্বীকৃতি পাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে দুটি ‘প্লাটিনাম’, একটি ‘গোল্ড’ এবং একটি ‘সিলভার’ মানের সনদ পেয়েছে। এই নতুন চারটি কারখানা যুক্ত হওয়ার ফলে বর্তমানে দেশে লিড সনদপ্রাপ্ত পরিবেশবান্ধব পোশাক কারখানার মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯০টিতে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (USGBC) পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ভবনের কঠোর মানদণ্ড পূরণের ভিত্তিতে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। জ্বালানি ও পানির সাশ্রয়ী ও দক্ষ ব্যবহার, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ভবনের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, টেকসই পরিচালনা ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক পরিবেশবান্ধব পরিচালনাসহ বিভিন্ন সূচকে নিবিড় মূল্যায়নের পর কারখানাগুলোকে এই সনদ দেওয়া হয়। অর্জিত স্কোরের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে— সার্টিফায়েড, সিলভার, গোল্ড ও প্লাটিনাম, এই চার স্তরে স্বীকৃতি দেওয়া হয়ে থাকে।
সবশেষ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ‘ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড’ ৯০ পয়েন্ট এবং গাজীপুরের ‘ম্যাট্রিক্স সোয়েটার্স লিমিটেড’ ৮৮ পয়েন্ট অর্জন করে সর্বোচ্চ ‘প্লাটিনাম’ সনদ লাভ করেছে।
এ ছাড়া গাজীপুরের কালিয়াকৈরের ‘করিম টেক্সটাইলস লিমিটেড’ ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘গোল্ড’ এবং ঢাকার ধামরাইয়ের ‘করিম টেক্স লিমিটেড’ ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে ‘সিলভার’ মানের সনদ অর্জন করেছে। এই চারটি কারখানাই ‘লিড অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স’ (LEED O+M) রেটিং পদ্ধতির আওতায় বিদ্যমান ভবনের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে কঠোর পরিবেশবান্ধব মানদণ্ড পূরণ করায় এ স্বীকৃতি পেয়েছে। এই রেটিংয়ে নতুন ভবনের নকশা নয়, বরং বর্তমানে চালু থাকা ভবনের বাস্তব পরিবেশগত কর্মদক্ষতাকে মূল্যায়ন করা হয়।
নতুন চারটি কারখানা যুক্ত হওয়ায় দেশে এখন লিড সনদপ্রাপ্ত ২৯০টি পোশাক কারখানার মধ্যে প্লাটিনাম ১২৫টি, গোল্ড ১৪৫টি, সিলভার ১৮টি এবং সাধারণ সার্টিফায়েড পর্যায়ের কারখানা রয়েছে দুটি।
পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক শিল্পকারখানার বৈশ্বিক তালিকাতেও বাংলাদেশ এখন ঈর্ষণীয় অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়া শীর্ষ ১০০টি লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানার মধ্যে ৫৩টিই বাংলাদেশের। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা অর্জন এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের টেকসই প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।