ঈদের ছুটিতে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট, মাধবপুর ও বাহুবল চা বাগানে পর্যটকদের ঢল
মো: রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
৩১ মে, ২০২৬, 9:23 PM
ঈদের ছুটিতে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট, মাধবপুর ও বাহুবল চা বাগানে পর্যটকদের ঢল
পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে প্রকৃতির টানে হবিগঞ্জ এর চা বাগানগুলোতে নেমেছে পর্যটকদের ঢল। তেলিয়াপারা, সুরমা, বৃন্দাবন চা বাগান,সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান সহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ভিড় করছেন হাজারো দর্শনার্থী।
পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সবুজে ঘেরা চা বাগানে সময় কাটাতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
ঈদের তৃতীয় দিন শনিবার বিকেল থেকে চা বাগানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সবুজ পাহাড়ি টিলা ও সারিবদ্ধ চা গাছের মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি অনেকেই ছবি তোলা ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত সময় কাটান। তরুণ-তরুণীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব মুহূর্ত শেয়ার করার প্রবণতাও ছিল চোখে পড়ার মতো।
পর্যটকদের অনেকেই জানান, শহরের কোলাহল ও ব্যস্ততা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে তারা চা বাগানকে অবকাশ যাপনের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
হবিগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা শিপন বলেন, “ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে তেলিয়াপাড়াচা বাগানে এসেছি। এখানকার পরিবেশ সত্যিই মনোমুগ্ধকর। সবুজ প্রকৃতির মাঝে এসে মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।”

পর্যটকদের আগমনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝেও। চা বাগানসংলগ্ন দোকান, রেস্টুরেন্ট, পরিবহন ও ফটোগ্রাফি ব্যবসায় বেড়েছে কর্মব্যস্ততা। স্থানীয় এক দোকানি জানান, ঈদের ছুটিতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চা বাগানগুলোতে আসছেন, ফলে তাদের বিক্রিও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে পর্যটন এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে হবিগঞ্জ এর চা বাগান ও পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙা করার পাশাপাশি দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মো: রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
৩১ মে, ২০২৬, 9:23 PM
পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে প্রকৃতির টানে হবিগঞ্জ এর চা বাগানগুলোতে নেমেছে পর্যটকদের ঢল। তেলিয়াপারা, সুরমা, বৃন্দাবন চা বাগান,সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান সহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ভিড় করছেন হাজারো দর্শনার্থী।
পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সবুজে ঘেরা চা বাগানে সময় কাটাতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পর্যটকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
ঈদের তৃতীয় দিন শনিবার বিকেল থেকে চা বাগানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সবুজ পাহাড়ি টিলা ও সারিবদ্ধ চা গাছের মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি অনেকেই ছবি তোলা ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত সময় কাটান। তরুণ-তরুণীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব মুহূর্ত শেয়ার করার প্রবণতাও ছিল চোখে পড়ার মতো।
পর্যটকদের অনেকেই জানান, শহরের কোলাহল ও ব্যস্ততা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে তারা চা বাগানকে অবকাশ যাপনের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
হবিগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা শিপন বলেন, “ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে তেলিয়াপাড়াচা বাগানে এসেছি। এখানকার পরিবেশ সত্যিই মনোমুগ্ধকর। সবুজ প্রকৃতির মাঝে এসে মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।”

পর্যটকদের আগমনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মাঝেও। চা বাগানসংলগ্ন দোকান, রেস্টুরেন্ট, পরিবহন ও ফটোগ্রাফি ব্যবসায় বেড়েছে কর্মব্যস্ততা। স্থানীয় এক দোকানি জানান, ঈদের ছুটিতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চা বাগানগুলোতে আসছেন, ফলে তাদের বিক্রিও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে পর্যটন এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে হবিগঞ্জ এর চা বাগান ও পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙা করার পাশাপাশি দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
সম্পর্কিত