১০ ঘণ্টার মধ্যে লোমহর্ষক ক্লুলেস মঠবাড়িয়ার জোড়া খুনের রহস্য উন্মোচন !
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
০১ জুন, ২০২৬, 9:41 PM
১০ ঘণ্টার মধ্যে লোমহর্ষক ক্লুলেস মঠবাড়িয়ার জোড়া খুনের রহস্য উন্মোচন !
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় রাস্তার পাশের একটি মক্তবের বারান্দা এবং দেড় কিলোমিটার দূর থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি লাশের রহস্য মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। কোনো ক্লু ছাড়াই শুরু হওয়া এই ঘটনার পেছনে বেরিয়ে এসেছে ‘ম্যাগনেটিক পিলার’ খোঁজার এক ভয়ঙ্কর ও অবৈধ কাহিনি।
ঘটনার সূত্রপাত,গত ৩১ মে ২০২৬ তারিখ সকাল ০৮:১৫ মিনিটে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ খবর পায় যে, দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া এলাকার একটি মক্তবের বারান্দায় আব্দুল রশীদ বেপারী নামের এক ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে। একই সময়ে সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সাগর হাওলাদার নামের আরেক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের দুটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। লাশের শরীরে আপাতদৃষ্টিতে কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকায় সিআইডি'র ফরেনসিক টিমকে ডাকা হয়। দুপুর ০১:০০ মিনিটে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার নিজে ঘটনাস্থল দুটি পরিদর্শন করেন এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন।
সিআইডি ফরেনসিক টিমের আলামত সংগ্রহ এবং মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের নিরলস তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
পুলিশ জানায়, জনৈক মোঃ ইউসুফ আলী প্যাদা, মোঃ শহীদুল ইসলাম এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন ব্যক্তি মৃত দুজনসহ মোট ৭/৮ জন শ্রমিককে দৈনিক ১,০০০ টাকা মজুরিতে ‘ম্যাগনেটিক পিলার’ খনন করার জন্য ভাড়া করেছিলেন। বিষয়টি যেন কেউ জানতে না পারে, সেজন্য শ্রমিকদের কোরআন শরীফ ছুঁয়ে শপথ করানো হয়েছিল।
পরবর্তীতে আমড়াগাছিয়া খালেক মিয়ার মক্তবের কাছে জনৈক সাত্তার হাওলাদারের একটি নতুন তৈরি পুকুরে খনন কাজ শুরু করেন তারা। খনন চলাকালীন হঠাৎ উপর থেকে মাটির একটি বড় অংশ ধসে পড়লে ৪ জন শ্রমিক মাটির নিচে চাপা পড়েন। এর মধ্যে দুজনের শরীরের কিছু অংশ মাটির বাইরে থাকলেও, আব্দুল রশীদ ও সাগর হাওলাদার সম্পূর্ণ মাটির তলায় চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান।
এই ঘটনায় ২ জন নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে আজ (০১ জুন ২০২৬) মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং-০১, ধারা-304A The Penal Code, 1860)।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে জোরদার পুলিশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা ক্লু না থাকা সত্ত্বেও পুলিশের পেশাদারিত্ব ও নিরলস প্রচেষ্টায় মাত্র ১০ ঘণ্টারও কম সময়ে এই জোড়া মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছে।
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
০১ জুন, ২০২৬, 9:41 PM
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় রাস্তার পাশের একটি মক্তবের বারান্দা এবং দেড় কিলোমিটার দূর থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি লাশের রহস্য মাত্র ১০ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। কোনো ক্লু ছাড়াই শুরু হওয়া এই ঘটনার পেছনে বেরিয়ে এসেছে ‘ম্যাগনেটিক পিলার’ খোঁজার এক ভয়ঙ্কর ও অবৈধ কাহিনি।
ঘটনার সূত্রপাত,গত ৩১ মে ২০২৬ তারিখ সকাল ০৮:১৫ মিনিটে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ খবর পায় যে, দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া এলাকার একটি মক্তবের বারান্দায় আব্দুল রশীদ বেপারী নামের এক ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে। একই সময়ে সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে সাগর হাওলাদার নামের আরেক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ পেয়ে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের দুটি টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। লাশের শরীরে আপাতদৃষ্টিতে কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকায় সিআইডি'র ফরেনসিক টিমকে ডাকা হয়। দুপুর ০১:০০ মিনিটে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার নিজে ঘটনাস্থল দুটি পরিদর্শন করেন এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন।
সিআইডি ফরেনসিক টিমের আলামত সংগ্রহ এবং মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের নিরলস তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য।
পুলিশ জানায়, জনৈক মোঃ ইউসুফ আলী প্যাদা, মোঃ শহীদুল ইসলাম এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন ব্যক্তি মৃত দুজনসহ মোট ৭/৮ জন শ্রমিককে দৈনিক ১,০০০ টাকা মজুরিতে ‘ম্যাগনেটিক পিলার’ খনন করার জন্য ভাড়া করেছিলেন। বিষয়টি যেন কেউ জানতে না পারে, সেজন্য শ্রমিকদের কোরআন শরীফ ছুঁয়ে শপথ করানো হয়েছিল।
পরবর্তীতে আমড়াগাছিয়া খালেক মিয়ার মক্তবের কাছে জনৈক সাত্তার হাওলাদারের একটি নতুন তৈরি পুকুরে খনন কাজ শুরু করেন তারা। খনন চলাকালীন হঠাৎ উপর থেকে মাটির একটি বড় অংশ ধসে পড়লে ৪ জন শ্রমিক মাটির নিচে চাপা পড়েন। এর মধ্যে দুজনের শরীরের কিছু অংশ মাটির বাইরে থাকলেও, আব্দুল রশীদ ও সাগর হাওলাদার সম্পূর্ণ মাটির তলায় চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান।
এই ঘটনায় ২ জন নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে আজ (০১ জুন ২০২৬) মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং-০১, ধারা-304A The Penal Code, 1860)।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে জোরদার পুলিশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা ক্লু না থাকা সত্ত্বেও পুলিশের পেশাদারিত্ব ও নিরলস প্রচেষ্টায় মাত্র ১০ ঘণ্টারও কম সময়ে এই জোড়া মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করা সম্ভব হয়েছে।