পিরোজপুরে শ্মশান কালী মন্দিরে ভাঙচুর ও চুরি: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীব্র নিন্দা
ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, পিরোজপুর :
০১ জুন, ২০২৬, 10:02 PM
পিরোজপুরে শ্মশান কালী মন্দিরে ভাঙচুর ও চুরি: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের তীব্র নিন্দা
পিরোজপুর পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত একটি শ্মশান কালী মন্দিরে ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন আগে দুর্বৃত্তরা মন্দিরটিতে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং মন্দিরের পুজো করার জিনিস পত্র চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভক্তরা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জঘন্য ও পরিকল্পিত কৃত
স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সদস্যরা জানান, এই মন্দিরটি এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি উপাসনালয়। শ্মশান ঘাটে অবস্থিত হওয়ায় এলাকার মানুষ শেষ শ্রাদ্ধানুষ্ঠান ও পূজা-অর্চনার জন্য এই মন্দিরের উপর নির্ভরশীল। মন্দির ভাঙচুর ও লুটের ঘটনায় তারা গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনার খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ধর্মাবলম্বীরা প্রশাসনের নীরবতা ও ধীরগতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি জানান, দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।
এলাকায় এ ঘটনার পর উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় ধর্মাবলম্বীরা মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাদ না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন। তারা আরও জানান, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য মন্দির এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো ও পুলিশি টহল জোরদারের দাবি জানান।
ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেল, পিরোজপুর :
০১ জুন, ২০২৬, 10:02 PM
পিরোজপুর পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত একটি শ্মশান কালী মন্দিরে ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন আগে দুর্বৃত্তরা মন্দিরটিতে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং মন্দিরের পুজো করার জিনিস পত্র চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভক্তরা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার জঘন্য ও পরিকল্পিত কৃত
স্থানীয় বাসিন্দা ও মন্দির কমিটির সদস্যরা জানান, এই মন্দিরটি এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি উপাসনালয়। শ্মশান ঘাটে অবস্থিত হওয়ায় এলাকার মানুষ শেষ শ্রাদ্ধানুষ্ঠান ও পূজা-অর্চনার জন্য এই মন্দিরের উপর নির্ভরশীল। মন্দির ভাঙচুর ও লুটের ঘটনায় তারা গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনার খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় ধর্মাবলম্বীরা প্রশাসনের নীরবতা ও ধীরগতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি জানান, দ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক।
এলাকায় এ ঘটনার পর উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় ধর্মাবলম্বীরা মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাদ না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন। তারা আরও জানান, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য মন্দির এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো ও পুলিশি টহল জোরদারের দাবি জানান।
সম্পর্কিত