বিষে হারানো নীরব প্রাণের শোক মিছিল ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
রাজশাহী প্রতিনিধি :
০৬ জুন, ২০২৬, 10:47 PM
বিষে হারানো নীরব প্রাণের শোক মিছিল ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
বিষে হারানো নীরব প্রানের শোক মিছিল ও স্বরণ সভা শীর্ষক একটি ব্যতিক্রম ধর্মী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কীটনাশকের কারণে ক্রমশ হারিয়ে যাওয়া মাটির প্রাণ- অণুজীব, মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি, ব্যাঙ, মাছ, কেঁচো এবং উদ্ভিদসহ অন্যান্য উপকারী প্রাণ বৈচিত্র্যের স্মরণে এ আয়োজনকরা হয়।
শুক্রবার(৫জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি স্কুল পাড়া গ্রামে শতবর্ষী আমগাছের ছায়াতলে “বিষে হারানো নীরব প্রাণের শোক মিছিল ও স্মরণ সভা” শীর্ষক এক ব্যতিক্রমধর্মী পরিবেশ সচেতনতা মূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক (ইঅজঈওক), বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম এবং গ্রিন কোয়ালিশন –রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কীটনাশকের কারণে ক্রমশ হারিয়ে যাওয়া মাটির অণুজীব, মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি, ব্যাঙ, মাছ, কেঁচো, উদ্ভিদসহ বিভিন্ন উপকারী প্রাণবৈচিত্র্যের ¯ §রণে শোক প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অংশগ্রহণকারীরা “বিষে হারানো নীরব প্রাণের শোক মিছিল” এ অংশ নেন। কৃষক-কৃষাণী, যুব, শিক্ষক, কবি-সাহিত্যিক, পরিবেশকর্মী এবং স্থানীয় জনগোষ্টী শোক মিছিলে অংশগ্রহণ করে“ প্রাণ বাঁচলে প্রকৃতি বাঁচবে”, “বিষ নয়, জীবন চাই”, “প্রাণণবৈচিত্র্য বাঁচাও, খাদ্য বাঁচাও”, “মাটি বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও ”ইত্যাদি শ্লোগান দেন। পওে কীট নাশকে ক্ষতিগ্রস্ত ও হারিয়ে যাওয়া প্রাণ বৈচিত্র্যে স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
নীরবতা শেষে অনুষ্ঠিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রকৃতি-ভিত্তিক নাট্য রূপবাইকো-থিয়েটার (ঊপড়-ঃযবধঃৎব)। এতে ২৪ জন অংশগ্রহণ কারী প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান ও প্রাণবৈচিত্র্যেও প্রতীকী চরিত্র ধারণ করে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। মৌপতঙ্গ, গাছ ও বন, জোনাকি, নদী, মাটি, কৃষিজমি, দেশীয়বীজ, কেঁচো, পাখি, প্রজাপতি, ব্যাঙ, দেশীয়মাছ, বৃষ্টিরপানি, জলাভূমি, বাতাস, ভূগর্ভস্থ পানি, মাটিরঅণুজীব, কৃষক-কৃষাণী, বরেন্দ্র অঞ্চল এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মেও প্রতিনিধিরা কীটনাশক, দূষণ ও পরিবেশ ধ্বংসের ফলে তাদের অস্তিত্বের সংকট এবং মানব জীবনের ওপর এর প্রভাব তুলে ধরেন একক অভিনয়ের মাধ্যমে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী রাশেদ খান মিলন বলেন, “আজকের পরিবেশ ধ্বংসের দায় আমরা বহন করব। নিরাপদ পৃথিবী, বিশুদ্ধ পানি ও জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ পরিবেশ আমাদের অধিকার।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউসেপ বাংলাদেশের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. কাহিনুল ইসলাম, বড়গাছি ঈদগাহ মাঠ কমিটির সভাপতি ও অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মো. মাহমুদুল হক এবং রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল কিবরিয়া
বক্তারা বলেন, প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণী ও উপাদান পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। কৃষিতে অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত কীট নাশক ব্যবহারের ফলে মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি, ব্যাঙ, মাছ, কেঁচো এবং মাটির অণুজীবসহ অসংখ্য উপকারী প্রাণবৈচিত্র্য ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কৃষকের স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে কীট নাশক নির্ভরতা কমিয়ে এগ্রোইকোলজি ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে হবে।#ছবি আছে#
রাজশাহী প্রতিনিধি :
০৬ জুন, ২০২৬, 10:47 PM
বিষে হারানো নীরব প্রানের শোক মিছিল ও স্বরণ সভা শীর্ষক একটি ব্যতিক্রম ধর্মী কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কীটনাশকের কারণে ক্রমশ হারিয়ে যাওয়া মাটির প্রাণ- অণুজীব, মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি, ব্যাঙ, মাছ, কেঁচো এবং উদ্ভিদসহ অন্যান্য উপকারী প্রাণ বৈচিত্র্যের স্মরণে এ আয়োজনকরা হয়।
শুক্রবার(৫জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজশাহীর পবা উপজেলার বড়গাছি স্কুল পাড়া গ্রামে শতবর্ষী আমগাছের ছায়াতলে “বিষে হারানো নীরব প্রাণের শোক মিছিল ও স্মরণ সভা” শীর্ষক এক ব্যতিক্রমধর্মী পরিবেশ সচেতনতা মূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক (ইঅজঈওক), বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম এবং গ্রিন কোয়ালিশন –রাজশাহীর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কীটনাশকের কারণে ক্রমশ হারিয়ে যাওয়া মাটির অণুজীব, মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি, ব্যাঙ, মাছ, কেঁচো, উদ্ভিদসহ বিভিন্ন উপকারী প্রাণবৈচিত্র্যের ¯ §রণে শোক প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অংশগ্রহণকারীরা “বিষে হারানো নীরব প্রাণের শোক মিছিল” এ অংশ নেন। কৃষক-কৃষাণী, যুব, শিক্ষক, কবি-সাহিত্যিক, পরিবেশকর্মী এবং স্থানীয় জনগোষ্টী শোক মিছিলে অংশগ্রহণ করে“ প্রাণ বাঁচলে প্রকৃতি বাঁচবে”, “বিষ নয়, জীবন চাই”, “প্রাণণবৈচিত্র্য বাঁচাও, খাদ্য বাঁচাও”, “মাটি বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও ”ইত্যাদি শ্লোগান দেন। পওে কীট নাশকে ক্ষতিগ্রস্ত ও হারিয়ে যাওয়া প্রাণ বৈচিত্র্যে স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
নীরবতা শেষে অনুষ্ঠিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রকৃতি-ভিত্তিক নাট্য রূপবাইকো-থিয়েটার (ঊপড়-ঃযবধঃৎব)। এতে ২৪ জন অংশগ্রহণ কারী প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান ও প্রাণবৈচিত্র্যেও প্রতীকী চরিত্র ধারণ করে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। মৌপতঙ্গ, গাছ ও বন, জোনাকি, নদী, মাটি, কৃষিজমি, দেশীয়বীজ, কেঁচো, পাখি, প্রজাপতি, ব্যাঙ, দেশীয়মাছ, বৃষ্টিরপানি, জলাভূমি, বাতাস, ভূগর্ভস্থ পানি, মাটিরঅণুজীব, কৃষক-কৃষাণী, বরেন্দ্র অঞ্চল এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মেও প্রতিনিধিরা কীটনাশক, দূষণ ও পরিবেশ ধ্বংসের ফলে তাদের অস্তিত্বের সংকট এবং মানব জীবনের ওপর এর প্রভাব তুলে ধরেন একক অভিনয়ের মাধ্যমে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী রাশেদ খান মিলন বলেন, “আজকের পরিবেশ ধ্বংসের দায় আমরা বহন করব। নিরাপদ পৃথিবী, বিশুদ্ধ পানি ও জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ পরিবেশ আমাদের অধিকার।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউসেপ বাংলাদেশের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. কাহিনুল ইসলাম, বড়গাছি ঈদগাহ মাঠ কমিটির সভাপতি ও অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মো. মাহমুদুল হক এবং রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল কিবরিয়া
বক্তারা বলেন, প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণী ও উপাদান পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। কৃষিতে অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত কীট নাশক ব্যবহারের ফলে মৌমাছি, প্রজাপতি, পাখি, ব্যাঙ, মাছ, কেঁচো এবং মাটির অণুজীবসহ অসংখ্য উপকারী প্রাণবৈচিত্র্য ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, কৃষকের স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে কীট নাশক নির্ভরতা কমিয়ে এগ্রোইকোলজি ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে হবে।#ছবি আছে#